শনিবার | ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী মন্দির নির্মাণের প্রতিশ্রুতি উপ-উপাচার্যের Logo কলারোয়ায় মিনি স্টেডিয়াম ও বাইপাস সড়ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি হাবিবুল ইসলাম হাবিবের Logo ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা Logo হাদী হত্যা বিচারের দাবিতে খুবির কেমিস্ট্রি ডিসিপ্লিনের ভিন্নধর্মী প্রতিবাদ Logo খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo গণভোট উপলক্ষে চাঁদপুর ডিএনসির উদ্যোগে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo কয়রা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ Logo গাছতলা দরবার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রচারণা শুরু শাহজালাল শাহপরানের বাংলায় ওলী বিদ্বেষীদের ঠাঁই হবে না-মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ Logo নোবিপ্রবিতে ‘বর্ধিত সাদা দল’-এর আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু Logo বীরগঞ্জে আলেম সমাজের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে

খুবির শিক্ষাক্রম ও মনোরম পরিবেশে আকৃষ্ট দূর-দূরান্তের শিক্ষার্থীরা

ছাত্র রাজনীতিমুক্ত পরিবেশ, সেশনজটবিহীন পাঠক্রম ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা মনোরম ক্যাম্পাস- এই সবকিছুর সমন্বয়েই গড়ে উঠেছে দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। দেশের একমাত্র সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যেখানে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী জানুয়ারি-জুন ও জুলাই-ডিসেম্বর- এ দুই টার্মে ভাগ করে এক বর্ষপঞ্জিতে নিয়মিতভাবে পাঠদান ও পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এর ফলে নির্ধারিত চার বছরেই স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) কোর্স শেষ করতে পারছেন শিক্ষার্থীরা। তাই তো, এ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে দূর-দূরান্তের শিক্ষার্থীদের।

আজ ১৮ মে (রবিবার) সকালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। এ সময় তিনি ভর্তি হতে আসা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাথে কথা বলেন। দূর-দূরান্ত থেকে আসা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপাচার্যের আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়ে জানালেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ঘিরে তাদের আগ্রহের কথা।

উত্তরবঙ্গের নীলফামারি থেকে আসা শিক্ষার্থী আকিল মাহমুদ বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতি নেই, এটা অত্যন্ত ভাল দিক। এখানে এসে দেখলাম পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস। যেন মনোরম দৃশ্যের অবতারণা। এমন সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ আকৃষ্ট করবে যে কাউকে।

ঢাকা থেকে আসা শিক্ষার্থী আয়েশা তাহরিন শোনালেন ভিন্ন কথা। তার মতে, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ অনেকটাই ভিন্ন। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও গবেষণার ব্যাপারে শিক্ষকরা যথেষ্ট আন্তরিক। এছাড়াও সেশনজট না থাকায় শিক্ষার্থীরা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন দেখে।

নাটোর থেকে আসা অভিভাবক আমির হোসেন বলেন, তার মেয়ের ছোটবেলা থেকেই ইচ্ছা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার। অভিভাবক হিসেবে আমরা চাই সন্তানরা এমন একটি পরিবেশে পড়ুক, যেখানে কোনো ঝামেলা নেই, নিরাপত্তা আছে, আর মনোযোগ দিয়ে পড়ালেখা করা যায়। এক্ষেত্রে উদাহরণ হতে পারে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। এখান থেকে পড়াশোনা করে বের হওয়া শিক্ষার্থীরা দেশের ভাল ভাল অবস্থানে রয়েছে। তাদের মাধ্যমে জানতে পারি- এসব ইতিবাচক দিক।

জয়পুরহাট থেকে আসা অভিভাবক রাবেয়া বেগম বলেন, শিক্ষার অনুকূল পরিবেশের কারণে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম সর্বক্ষেত্রে বিদ্যমান। এখানে মেয়েকে ভর্তি করে আমরা নিশ্চিন্তে বাসায় থাকতে পারবো। ছাত্র রাজনীতি ও সেশনজট না থাকায় আগ্রহটা একটু বেশি। তবে, এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশটাও সৌন্দর্যমণ্ডিত।

পিরোজপুরের কাকন আক্তার বলেন, এখানকার পড়াশোনা অনেক ভালো। শিক্ষকেরা খুব আন্তরিক, নিয়মিত ক্লাস হয়, আর পরিবেশটাও বেশ শান্তিপূর্ণ। এমন একটি জায়গায় পড়াশোনা করলে ভালো ফলাফল করাসহ মানসিকভাবে সুস্থ থাকাও সম্ভব হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী মন্দির নির্মাণের প্রতিশ্রুতি উপ-উপাচার্যের

খুবির শিক্ষাক্রম ও মনোরম পরিবেশে আকৃষ্ট দূর-দূরান্তের শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় : ০৭:৫৫:২৬ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৮ মে ২০২৫

ছাত্র রাজনীতিমুক্ত পরিবেশ, সেশনজটবিহীন পাঠক্রম ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা মনোরম ক্যাম্পাস- এই সবকিছুর সমন্বয়েই গড়ে উঠেছে দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। দেশের একমাত্র সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যেখানে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী জানুয়ারি-জুন ও জুলাই-ডিসেম্বর- এ দুই টার্মে ভাগ করে এক বর্ষপঞ্জিতে নিয়মিতভাবে পাঠদান ও পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এর ফলে নির্ধারিত চার বছরেই স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) কোর্স শেষ করতে পারছেন শিক্ষার্থীরা। তাই তো, এ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে দূর-দূরান্তের শিক্ষার্থীদের।

আজ ১৮ মে (রবিবার) সকালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। এ সময় তিনি ভর্তি হতে আসা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাথে কথা বলেন। দূর-দূরান্ত থেকে আসা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপাচার্যের আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়ে জানালেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ঘিরে তাদের আগ্রহের কথা।

উত্তরবঙ্গের নীলফামারি থেকে আসা শিক্ষার্থী আকিল মাহমুদ বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতি নেই, এটা অত্যন্ত ভাল দিক। এখানে এসে দেখলাম পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস। যেন মনোরম দৃশ্যের অবতারণা। এমন সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ আকৃষ্ট করবে যে কাউকে।

ঢাকা থেকে আসা শিক্ষার্থী আয়েশা তাহরিন শোনালেন ভিন্ন কথা। তার মতে, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ অনেকটাই ভিন্ন। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও গবেষণার ব্যাপারে শিক্ষকরা যথেষ্ট আন্তরিক। এছাড়াও সেশনজট না থাকায় শিক্ষার্থীরা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন দেখে।

নাটোর থেকে আসা অভিভাবক আমির হোসেন বলেন, তার মেয়ের ছোটবেলা থেকেই ইচ্ছা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার। অভিভাবক হিসেবে আমরা চাই সন্তানরা এমন একটি পরিবেশে পড়ুক, যেখানে কোনো ঝামেলা নেই, নিরাপত্তা আছে, আর মনোযোগ দিয়ে পড়ালেখা করা যায়। এক্ষেত্রে উদাহরণ হতে পারে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। এখান থেকে পড়াশোনা করে বের হওয়া শিক্ষার্থীরা দেশের ভাল ভাল অবস্থানে রয়েছে। তাদের মাধ্যমে জানতে পারি- এসব ইতিবাচক দিক।

জয়পুরহাট থেকে আসা অভিভাবক রাবেয়া বেগম বলেন, শিক্ষার অনুকূল পরিবেশের কারণে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম সর্বক্ষেত্রে বিদ্যমান। এখানে মেয়েকে ভর্তি করে আমরা নিশ্চিন্তে বাসায় থাকতে পারবো। ছাত্র রাজনীতি ও সেশনজট না থাকায় আগ্রহটা একটু বেশি। তবে, এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশটাও সৌন্দর্যমণ্ডিত।

পিরোজপুরের কাকন আক্তার বলেন, এখানকার পড়াশোনা অনেক ভালো। শিক্ষকেরা খুব আন্তরিক, নিয়মিত ক্লাস হয়, আর পরিবেশটাও বেশ শান্তিপূর্ণ। এমন একটি জায়গায় পড়াশোনা করলে ভালো ফলাফল করাসহ মানসিকভাবে সুস্থ থাকাও সম্ভব হয়।