নিষেধাজ্ঞা শেষেও ইলিশের দাম চড়া

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৮:৪০ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৮ নভেম্বর ২০২৪
  • ৭২২ বার পড়া হয়েছে
মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ইলিশের দাম। সরবরাহ কম থাকায় দামও অনেক বেশি।

আকার ভেদে প্রতি কেজি ইলিশের দাম বেড়েছে কেজিতে বেড়েছে ১০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পাঁচ দিন পরেও দাম বেশি থাকায় ক্ষুব্ধ ক্রেতারা।

এদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন সাগরের মাছ না আসা এবং নদ-নদীতে কাঙ্ক্ষিত মাছ না পাওয়ায় দাম বেশি।

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সকালে বাগেরহাট শহরের প্রধান বাজার ঘুরে দেখা যায়, এক কেজি ওজনের ইলিশ ১৬০০ থেকে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে, ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রামের ইলিশ ১২০০ টাকা, ৫০০ গ্রাম ওজনের মাছ এক হাজার, তিন/চার টিতে কেজির মাছ ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং পাঁচ থেকে ছয় টিতে কেজির মাছ বিক্রি হচ্ছে পাঁচ থেকে ছয় টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ইলিশের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে বাজারে থাকা অন্য মাছের ওপর। অন্যান্য মাছের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও, দাম কমেনি একটুও। বরং, ভেটকি, রুই, কাতলা, চিংড়ি ও ট্যাংরা মাছের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত। ভেটকি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৯০০ টাকা কেজি দরে, রুই, কাতলা, মৃগেল, গাস কার্পসহ বিভিন্ন কার্প জাতীয় মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৪৫০ টাকা পর্যন্ত।

হরিণা, চাকা ও চামি চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত। তবে পাঙাশ ও তেলাপিয়া আগের দাম অর্থাৎ ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য সব পণ্যের মত মাছের দাম নাগালের বাইরে থাকায় টুকরো করে মাছ বিক্রির দাবি জানিয়েছেন সচেতন ভোক্তারা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নিষেধাজ্ঞা শেষেও ইলিশের দাম চড়া

আপডেট সময় : ০৫:৩৮:৪০ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৮ নভেম্বর ২০২৪
মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ইলিশের দাম। সরবরাহ কম থাকায় দামও অনেক বেশি।

আকার ভেদে প্রতি কেজি ইলিশের দাম বেড়েছে কেজিতে বেড়েছে ১০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পাঁচ দিন পরেও দাম বেশি থাকায় ক্ষুব্ধ ক্রেতারা।

এদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন সাগরের মাছ না আসা এবং নদ-নদীতে কাঙ্ক্ষিত মাছ না পাওয়ায় দাম বেশি।

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সকালে বাগেরহাট শহরের প্রধান বাজার ঘুরে দেখা যায়, এক কেজি ওজনের ইলিশ ১৬০০ থেকে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে, ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রামের ইলিশ ১২০০ টাকা, ৫০০ গ্রাম ওজনের মাছ এক হাজার, তিন/চার টিতে কেজির মাছ ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং পাঁচ থেকে ছয় টিতে কেজির মাছ বিক্রি হচ্ছে পাঁচ থেকে ছয় টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ইলিশের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে বাজারে থাকা অন্য মাছের ওপর। অন্যান্য মাছের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও, দাম কমেনি একটুও। বরং, ভেটকি, রুই, কাতলা, চিংড়ি ও ট্যাংরা মাছের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত। ভেটকি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৯০০ টাকা কেজি দরে, রুই, কাতলা, মৃগেল, গাস কার্পসহ বিভিন্ন কার্প জাতীয় মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৪৫০ টাকা পর্যন্ত।

হরিণা, চাকা ও চামি চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত। তবে পাঙাশ ও তেলাপিয়া আগের দাম অর্থাৎ ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য সব পণ্যের মত মাছের দাম নাগালের বাইরে থাকায় টুকরো করে মাছ বিক্রির দাবি জানিয়েছেন সচেতন ভোক্তারা।