রোজায় চাল-পেঁয়াজসহ ১১ নিত্যপণ্য আমদানিতে শর্ত শিথিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৫:১৬:৫৪ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৪
  • ৭২৮ বার পড়া হয়েছে

আগামী রমজান মাস উপলক্ষে চাল, গম, পেঁয়াজসহ ১১ ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি সহজ করতে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যবসায়ীরা এখন থেকে সেসব পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ঋণপত্র বা এলসির মার্জিন ব্যাংকের সঙ্গে কথা বলে ন্যূনতম পর্যায়ে কমাতে পারবেন। বুধবার (৬ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এতে বলা হয়, রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু ভোগ্যপণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমদানি সহজ করার মাধ্যমে এসব পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখার উদ্দেশ্যে এ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। আগামী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা পাবেন বলেও জানানো হয়।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, রমজান মাস উপলক্ষে ভোগ্যপণ্যের চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় ওই পণ্যগুলোর আমদানি সহজ করার মাধ্যমে মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখাসহ প্রয়োজনীয় সরবরাহ নিশ্চিত করতে চাল, গম, পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি, ডিম, ছোলা, মটর, মসলা এবং খেজুরের আমদানি ঋণপত্র স্থাপনের ক্ষেত্রে সংরক্ষিতব্য নগদ মার্জিনের হার ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলো।

এতদিন পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ মার্জিন বা জামানত মূল্য রাখার নির্দেশনা থাকলেও এখন সেই মার্জিন নির্ধারণ হবে গ্রাহক ও ব্যাংকের সম্পর্কের ভিত্তিতে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রোজায় চাল-পেঁয়াজসহ ১১ নিত্যপণ্য আমদানিতে শর্ত শিথিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের

আপডেট সময় : ০৫:১৬:৫৪ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৪

আগামী রমজান মাস উপলক্ষে চাল, গম, পেঁয়াজসহ ১১ ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি সহজ করতে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যবসায়ীরা এখন থেকে সেসব পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ঋণপত্র বা এলসির মার্জিন ব্যাংকের সঙ্গে কথা বলে ন্যূনতম পর্যায়ে কমাতে পারবেন। বুধবার (৬ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এতে বলা হয়, রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু ভোগ্যপণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমদানি সহজ করার মাধ্যমে এসব পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখার উদ্দেশ্যে এ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। আগামী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা পাবেন বলেও জানানো হয়।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, রমজান মাস উপলক্ষে ভোগ্যপণ্যের চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় ওই পণ্যগুলোর আমদানি সহজ করার মাধ্যমে মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখাসহ প্রয়োজনীয় সরবরাহ নিশ্চিত করতে চাল, গম, পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি, ডিম, ছোলা, মটর, মসলা এবং খেজুরের আমদানি ঋণপত্র স্থাপনের ক্ষেত্রে সংরক্ষিতব্য নগদ মার্জিনের হার ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলো।

এতদিন পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ মার্জিন বা জামানত মূল্য রাখার নির্দেশনা থাকলেও এখন সেই মার্জিন নির্ধারণ হবে গ্রাহক ও ব্যাংকের সম্পর্কের ভিত্তিতে।