শিরোনাম :
Logo কচুয়ায় নিরাপদ সড়ক চাই উদ্যোগে ডা. আমিনুল ইসলামকে ফুলেল সংবর্ধনা Logo আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ কর্তৃক মাদক সম্রজ্ঞী মিনি বেগম মাদক বিক্রয়কালে হাতেনাতে গ্রেফতার Logo ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদের আয়োজন Logo নির্বাচন ডিসেম্বরের মধ্যে না হলে দেশ অস্থিতিশীল হতে পারে, রয়টার্সকে মঈন খান Logo কলকাতাকে উড়িয়ে মুম্বাইয়ের প্রথম জয় Logo অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রীয় চুক্তিতে চমক, তালিকায় ২ টেস্ট খেলা ব্যাটার Logo আবারও রাফাহ থেকে ফিলিস্তিনিদের সরে যাওয়ার নির্দেশ ইসরায়েলের Logo জাপানে মেগা ভূমিকম্পের আশঙ্কা, মারা যেতে পারে ৩ লাখ মানুষ Logo ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ট্রেন-বাস স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের চাপ Logo দুই অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, সতর্ক সংকেত

ঝালকাঠিতে হাসপাতালে গৃহবধুর লাশ ফেলে শাশুড়ি দেবর উদাধাও।

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ০৯:১৪:৫৭ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৭
  • ৭৪৮ বার পড়া হয়েছে

ইমাম বিমান,ঝালকাঠির প্রতিনিধি:  ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ষাটপাকিয়া গ্রামের কাতার প্রবাসী ছেলের স্ত্রী মারুফা বেগমকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে রেখে শাশুড়ি ও দেবর পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।
গত সোমবার সন্ধ্যায় ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের পয়োযনিক কক্ষে পুত্রবধু মারুফা (১৯) এর মৃতদেহ  রেখে শাশুড়ি এবং দেবর উধাও।  এ বিষয় কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান  সন্ধ্যা ৬:৫০ ঘটিকার সময় মারুফা মৃত বলে নিশ্চত হওয়ার পর রোগীর সাথে অাসা লোকজন পাওয়া যায়নি।
মৃত মারুফার খালা পাখি বেগম জানায়,  মারুফা নলছিটি উপজেলার ষাটপাকিয়া গ্রামের মানিক মিয়ার মেয়ে। প্রায় তিন বছর অাগে একই গ্রামের সুলতান হাওলাদারের ছেলে কাতার প্রবাসী সুমন হাওলাদারের সাথে ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক তাদের সাথে বিয়ে হয়।  বিয়ের পর থেকেই প্রায়ই মারুফার সংসারে মারামারি,  পারিবারিক কলহ লেগে থাকতো। মারুফা এবার এইচ এস সি পরীক্ষা দিচ্ছে।  শাশুড়ি, দেবর মিলে ওকে মেরে ফেলেছে। হাসপাতালে উপস্থিত মারুফার চাচাতো বোন অভিযোগে জানান,  মারুফার শশুর বাড়ীতে তার শাশুড়ী, দেবর ও স্বামী পরিত্যাক্ত ননদ মিলে তাকে নানা ভাবে নির্যাতন করত।
গত তিন মাস ধরে মারুফাকে ততার শশুর বাড়ির লোকজন প্রায় গৃহবন্ধী করে রাখে। এ বছর এইচ এস সি পরীক্ষা শুরু হলে মারুফা পরীক্ষার্থী থাকায় তার দেবর সাথে নিয়ে পরীক্ষা সেন্টারে অাসত অাবার শেষ হলে বাড়িতে নিয়ে যেত।  মারুফার কোন ফোন ছিল না বাবার বাড়ির লোকজনের সাথে যোগাযোগ করতেও তাকে কোন ফোন ব্যবহার করতে দিত না বরং সব সময় নজরদারীতে রাখতো।
এ বিষয় কর্তব্যরত চিকিৎসক মেহেদী জানান, মারুফার গলায় ওড়না অথবা কাপড় পেচানোর দাগ রয়েছে। তদন্তের পূর্বে কিছু বলা যাচ্ছে না। থানায় এ ব্যাপারে একটি অপমুত্যু মামলা দায়ের হয়েছে। এ বিষয়  মারুফার খালু শশুর দিলু কমিশনার জানান, মিমাংশার চেষ্টা চলছে অাগামী দিন বিস্তারিত জানতে পারবো।

ট্যাগস :

কচুয়ায় নিরাপদ সড়ক চাই উদ্যোগে ডা. আমিনুল ইসলামকে ফুলেল সংবর্ধনা

ঝালকাঠিতে হাসপাতালে গৃহবধুর লাশ ফেলে শাশুড়ি দেবর উদাধাও।

আপডেট সময় : ০৯:১৪:৫৭ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৭

ইমাম বিমান,ঝালকাঠির প্রতিনিধি:  ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ষাটপাকিয়া গ্রামের কাতার প্রবাসী ছেলের স্ত্রী মারুফা বেগমকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে রেখে শাশুড়ি ও দেবর পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।
গত সোমবার সন্ধ্যায় ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের পয়োযনিক কক্ষে পুত্রবধু মারুফা (১৯) এর মৃতদেহ  রেখে শাশুড়ি এবং দেবর উধাও।  এ বিষয় কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান  সন্ধ্যা ৬:৫০ ঘটিকার সময় মারুফা মৃত বলে নিশ্চত হওয়ার পর রোগীর সাথে অাসা লোকজন পাওয়া যায়নি।
মৃত মারুফার খালা পাখি বেগম জানায়,  মারুফা নলছিটি উপজেলার ষাটপাকিয়া গ্রামের মানিক মিয়ার মেয়ে। প্রায় তিন বছর অাগে একই গ্রামের সুলতান হাওলাদারের ছেলে কাতার প্রবাসী সুমন হাওলাদারের সাথে ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক তাদের সাথে বিয়ে হয়।  বিয়ের পর থেকেই প্রায়ই মারুফার সংসারে মারামারি,  পারিবারিক কলহ লেগে থাকতো। মারুফা এবার এইচ এস সি পরীক্ষা দিচ্ছে।  শাশুড়ি, দেবর মিলে ওকে মেরে ফেলেছে। হাসপাতালে উপস্থিত মারুফার চাচাতো বোন অভিযোগে জানান,  মারুফার শশুর বাড়ীতে তার শাশুড়ী, দেবর ও স্বামী পরিত্যাক্ত ননদ মিলে তাকে নানা ভাবে নির্যাতন করত।
গত তিন মাস ধরে মারুফাকে ততার শশুর বাড়ির লোকজন প্রায় গৃহবন্ধী করে রাখে। এ বছর এইচ এস সি পরীক্ষা শুরু হলে মারুফা পরীক্ষার্থী থাকায় তার দেবর সাথে নিয়ে পরীক্ষা সেন্টারে অাসত অাবার শেষ হলে বাড়িতে নিয়ে যেত।  মারুফার কোন ফোন ছিল না বাবার বাড়ির লোকজনের সাথে যোগাযোগ করতেও তাকে কোন ফোন ব্যবহার করতে দিত না বরং সব সময় নজরদারীতে রাখতো।
এ বিষয় কর্তব্যরত চিকিৎসক মেহেদী জানান, মারুফার গলায় ওড়না অথবা কাপড় পেচানোর দাগ রয়েছে। তদন্তের পূর্বে কিছু বলা যাচ্ছে না। থানায় এ ব্যাপারে একটি অপমুত্যু মামলা দায়ের হয়েছে। এ বিষয়  মারুফার খালু শশুর দিলু কমিশনার জানান, মিমাংশার চেষ্টা চলছে অাগামী দিন বিস্তারিত জানতে পারবো।