ইউএসএইডের ফান্ড বন্ধ হওয়ায় বিপাকে নির্বাসিত আফগান নারী শিক্ষার্থীরা

তালেবানদের দমননীতি থেকে বাঁচতে উচ্চ শিক্ষার জন্য ওমানে পালিয়ে যাওয়া ৮০ জনেরও বেশি আফগান নারী শিক্ষার্থী এখন বিপদের মুখে। ট্রাম্প প্রশাসন ইউএসএইডের অর্থায়ন বন্ধ করে দেওয়ায় তাদের স্কলারশিপ বাতিল হয়ে গেছে, ফলে তারা আবারও আফগানিস্তানে ফেরত পাঠানোর আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থায়ন বন্ধের কারণে এই শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এক শিক্ষার্থী বলেন, “এটা আমাদের হৃদয় ভেঙে দিয়েছে। সবাই কান্নাকাটি করছে, কারণ আমাদের বলা হয়েছে, দুই সপ্তাহের মধ্যে দেশে ফেরত পাঠানো হবে।”

চার বছর আগে তালেবান সরকার নারীদের জন্য উচ্চ শিক্ষা নিষিদ্ধ করে। ২০১৮ সালে ইউএসএইডের মাধ্যমে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর কোর্সে পড়ার সুযোগ পাওয়া এই শিক্ষার্থীরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

ওমানে থাকা শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে তাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া বন্ধে জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন। তারা নিরাপত্তা, আর্থিক সহায়তা ও অন্য কোনো নিরাপদ দেশে আশ্রয়ের সুযোগ চেয়েছেন, যেখানে তারা পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবেন।

তালেবান প্রশাসন বলছে, নারীদের শিক্ষা গ্রহণের বিষয়টি তারা সমাধানের চেষ্টা করছে, তবে শরিয়া আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বিধায় এই নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। এক শিক্ষার্থী বলেন, “আফগানিস্তানে লিঙ্গ বৈষম্য ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, নারীরা ধীরে ধীরে মৌলিক অধিকার হারাচ্ছে।”

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইউএসএইডের ফান্ড বন্ধ হওয়ায় বিপাকে নির্বাসিত আফগান নারী শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় : ১১:১১:৫৬ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ৯ মার্চ ২০২৫
তালেবানদের দমননীতি থেকে বাঁচতে উচ্চ শিক্ষার জন্য ওমানে পালিয়ে যাওয়া ৮০ জনেরও বেশি আফগান নারী শিক্ষার্থী এখন বিপদের মুখে। ট্রাম্প প্রশাসন ইউএসএইডের অর্থায়ন বন্ধ করে দেওয়ায় তাদের স্কলারশিপ বাতিল হয়ে গেছে, ফলে তারা আবারও আফগানিস্তানে ফেরত পাঠানোর আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থায়ন বন্ধের কারণে এই শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এক শিক্ষার্থী বলেন, “এটা আমাদের হৃদয় ভেঙে দিয়েছে। সবাই কান্নাকাটি করছে, কারণ আমাদের বলা হয়েছে, দুই সপ্তাহের মধ্যে দেশে ফেরত পাঠানো হবে।”

চার বছর আগে তালেবান সরকার নারীদের জন্য উচ্চ শিক্ষা নিষিদ্ধ করে। ২০১৮ সালে ইউএসএইডের মাধ্যমে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর কোর্সে পড়ার সুযোগ পাওয়া এই শিক্ষার্থীরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

ওমানে থাকা শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে তাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া বন্ধে জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন। তারা নিরাপত্তা, আর্থিক সহায়তা ও অন্য কোনো নিরাপদ দেশে আশ্রয়ের সুযোগ চেয়েছেন, যেখানে তারা পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবেন।

তালেবান প্রশাসন বলছে, নারীদের শিক্ষা গ্রহণের বিষয়টি তারা সমাধানের চেষ্টা করছে, তবে শরিয়া আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বিধায় এই নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। এক শিক্ষার্থী বলেন, “আফগানিস্তানে লিঙ্গ বৈষম্য ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, নারীরা ধীরে ধীরে মৌলিক অধিকার হারাচ্ছে।”