ইসরাইলের বিরুদ্ধে পুনরায় নৌ অভিযানের হুমকি হুথির

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা গাজায় খাদ্য ও ত্রাণ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে ইসরায়েলকে চার দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ত্রাণ প্রবাহ স্বাভাবিক না হলে লোহিত ও ভূমধ্যসাগরে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কিত জাহাজে হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে গোষ্ঠীটি।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার (৭ মার্চ) হুতি নেতা আবদুল মালিক আল হুতি এক ঘোষণায় জানান, ‘গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে মধ্যস্থতাকারীদের প্রচেষ্টায়। তাদের সম্মানে আমরা ইসরায়েলকে চার দিন সময় দিচ্ছি। যদি এই সময়ের মধ্যে গাজায় খাদ্য ও মানবিক সহায়তার প্রবাহ স্বাভাবিক না হয়, তাহলে আমাদের সামরিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।’

গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই হুতিরা লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে ইসরায়েল ও দেশটির মিত্র দেশগুলোর বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়ে আসছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার আগ পর্যন্ত শতাধিক হামলায় অন্তত দুটি জাহাজ ডুবে যায় এবং চারজন নাবিক নিহত হন। এছাড়া, ইসরায়েলের অভ্যন্তরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলাতেও হতাহতের ঘটনা ঘটে।

উল্লেখ্য, গত ১ মার্চ যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ শেষ হওয়ার পরই ইসরায়েল গাজায় সব ধরনের ত্রাণ সরবরাহ কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়, যা নতুন করে সংকট সৃষ্টি করেছে।

ট্যাগস :

ইসরাইলের বিরুদ্ধে পুনরায় নৌ অভিযানের হুমকি হুথির

আপডেট সময় : ০৬:৪৮:৪৬ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৮ মার্চ ২০২৫

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা গাজায় খাদ্য ও ত্রাণ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে ইসরায়েলকে চার দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ত্রাণ প্রবাহ স্বাভাবিক না হলে লোহিত ও ভূমধ্যসাগরে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কিত জাহাজে হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে গোষ্ঠীটি।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার (৭ মার্চ) হুতি নেতা আবদুল মালিক আল হুতি এক ঘোষণায় জানান, ‘গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে মধ্যস্থতাকারীদের প্রচেষ্টায়। তাদের সম্মানে আমরা ইসরায়েলকে চার দিন সময় দিচ্ছি। যদি এই সময়ের মধ্যে গাজায় খাদ্য ও মানবিক সহায়তার প্রবাহ স্বাভাবিক না হয়, তাহলে আমাদের সামরিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।’

গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই হুতিরা লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে ইসরায়েল ও দেশটির মিত্র দেশগুলোর বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়ে আসছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার আগ পর্যন্ত শতাধিক হামলায় অন্তত দুটি জাহাজ ডুবে যায় এবং চারজন নাবিক নিহত হন। এছাড়া, ইসরায়েলের অভ্যন্তরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলাতেও হতাহতের ঘটনা ঘটে।

উল্লেখ্য, গত ১ মার্চ যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ শেষ হওয়ার পরই ইসরায়েল গাজায় সব ধরনের ত্রাণ সরবরাহ কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়, যা নতুন করে সংকট সৃষ্টি করেছে।