বৃহস্পতিবার | ২২ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন Logo নির্বাচনী নিরাপত্তায় কয়রায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সচেতনতামূলক ফুট পেট্রোলিং Logo কচুয়ার কাদলা-দরবেশগঞ্জ সমাজকল্যাণ খেলা ঘরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ Logo আলেম-ওলামাদের সঙ্গে বিএনপির প্রার্থীর মতবিনিময়, খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া হ্যাঁ ভোটের পক্ষে থাকার আহ্বান Logo প্রতীক বরাদ্দের পর নেতা-কর্মীদের উচ্ছ্বাস সুফিবাদী সমাজ ও আধিপত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধ হোন — মোমবাতি মার্কার প্রার্থী সাংবাদিক আহসান উল্লাহ Logo কচুয়ার কাদলা-দরবেশগঞ্জ সমাজকল্যাণ খেলা ঘরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ Logo সাতক্ষীরার ৪টি আসনে ২০ চূড়ান্ত প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ Logo খুবিতে ফ্যাক্টচেকিং এন্ড ডিজিটাল ভেরিফিকেশন শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo প্রতীক পেলেন চাঁদপুরের পাঁচ আসনের ৩৫ প্রার্থী, জমে উঠছে নির্বাচনী মাঠ Logo সংসদ নির্বাচন: ৩০৫ জনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার, লড়াইয়ে ১,৯৬৭ প্রার্থী

অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার এজেন্ডাকে সমর্থন বিশ্বব্যাংকের

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৯:১৩ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
  • ৭৬৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের সাথে সাক্ষাত করেছেন বিশ্বব্যাংক সহকারী প্রেসিডেন্ট মার্টিন রেইসার। মঙ্গলবার অতিথি ভবন যমুনায় এক বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের সংস্কার এজেন্ডাকে সমর্থন জানাতে বিশ্বব্যাংকের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

সাক্ষাতে তারা উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন, যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের প্রধান সংস্কার কার্যক্রমের জন্য বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন, যেমন: কর প্রশাসন, স্বচ্ছতা, শাসন ব্যবস্থা এবং ডিজিটালাইজেশন সংস্কার।

বিশ্বব্যাংক সহকারী প্রেসিডেন্ট বলেন, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে স্বচ্ছতা ও শাসন ব্যবস্থার উন্নতি করতে সহায়তা করছে, যার মধ্যে রয়েছে কর নীতি এবং প্রশাসন, সরকারি ক্রয় এবং পরিসংখ্যান সহ গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার।

রেইসার আরও বলেন, এই সংস্কারগুলো বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পরিবর্তন এবং ভবিষ্যৎ সরকারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ভবিষ্যতে সুষম উন্নয়নের ভিত্তি তৈরি করবে এবং জনগণ ও ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের সততার উপর আস্থা বাড়াবে।

তিনি কর প্রশাসন এবং কর নীতির আলাদা করার জন্য আহ্বান জানান যাতে রাজস্ব ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা এবং শাসন ব্যবস্থা উন্নত করা যায়। এছাড়া রেইসার বলেন, কর অব্যাহতি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার একমাত্র কর্তৃপক্ষ হতে হবে সংসদ।

প্রধান উপদেষ্টা তার সাম্প্রতিক এক মতবিনিময় কমিশন প্রতিষ্ঠার কথা তুলে ধরেন, যার মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা করা হবে।

রেইসার উল্লেখ করেন, সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার উন্নতি এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর স্বাধীনতা নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে তথ্যের মান উন্নত হয় এবং সঠিক নীতি নির্ধারণ সম্ভব হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন

অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার এজেন্ডাকে সমর্থন বিশ্বব্যাংকের

আপডেট সময় : ০৬:৪৯:১৩ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের সাথে সাক্ষাত করেছেন বিশ্বব্যাংক সহকারী প্রেসিডেন্ট মার্টিন রেইসার। মঙ্গলবার অতিথি ভবন যমুনায় এক বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের সংস্কার এজেন্ডাকে সমর্থন জানাতে বিশ্বব্যাংকের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

সাক্ষাতে তারা উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন, যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের প্রধান সংস্কার কার্যক্রমের জন্য বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন, যেমন: কর প্রশাসন, স্বচ্ছতা, শাসন ব্যবস্থা এবং ডিজিটালাইজেশন সংস্কার।

বিশ্বব্যাংক সহকারী প্রেসিডেন্ট বলেন, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে স্বচ্ছতা ও শাসন ব্যবস্থার উন্নতি করতে সহায়তা করছে, যার মধ্যে রয়েছে কর নীতি এবং প্রশাসন, সরকারি ক্রয় এবং পরিসংখ্যান সহ গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার।

রেইসার আরও বলেন, এই সংস্কারগুলো বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পরিবর্তন এবং ভবিষ্যৎ সরকারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ভবিষ্যতে সুষম উন্নয়নের ভিত্তি তৈরি করবে এবং জনগণ ও ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের সততার উপর আস্থা বাড়াবে।

তিনি কর প্রশাসন এবং কর নীতির আলাদা করার জন্য আহ্বান জানান যাতে রাজস্ব ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা এবং শাসন ব্যবস্থা উন্নত করা যায়। এছাড়া রেইসার বলেন, কর অব্যাহতি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার একমাত্র কর্তৃপক্ষ হতে হবে সংসদ।

প্রধান উপদেষ্টা তার সাম্প্রতিক এক মতবিনিময় কমিশন প্রতিষ্ঠার কথা তুলে ধরেন, যার মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা করা হবে।

রেইসার উল্লেখ করেন, সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার উন্নতি এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর স্বাধীনতা নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে তথ্যের মান উন্নত হয় এবং সঠিক নীতি নির্ধারণ সম্ভব হয়।