শনিবার | ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী মন্দির নির্মাণের প্রতিশ্রুতি উপ-উপাচার্যের Logo কলারোয়ায় মিনি স্টেডিয়াম ও বাইপাস সড়ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি হাবিবুল ইসলাম হাবিবের Logo ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা Logo হাদী হত্যা বিচারের দাবিতে খুবির কেমিস্ট্রি ডিসিপ্লিনের ভিন্নধর্মী প্রতিবাদ Logo খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo গণভোট উপলক্ষে চাঁদপুর ডিএনসির উদ্যোগে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo কয়রা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ Logo গাছতলা দরবার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রচারণা শুরু শাহজালাল শাহপরানের বাংলায় ওলী বিদ্বেষীদের ঠাঁই হবে না-মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ Logo নোবিপ্রবিতে ‘বর্ধিত সাদা দল’-এর আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু Logo বীরগঞ্জে আলেম সমাজের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের যে চিঠি অনলাইনে ভাইরাল

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৭:০৭:৫৮ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
  • ৭৬৫ বার পড়া হয়েছে
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার একটি চিঠি কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। চিঠিটি লেখা হয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোখলেস উর রহমানের উদ্দেশে। সেই চিঠিতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মন্ত্রণালয়টির অধীনস্থ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের জন্য একজনের নাম প্রস্তাব করেন।

নানা আলোচনার পর আসিফ মাহমুদ তার দেওয়া ওই চিঠির (ডিও লেটার) ব্যাখ্যা দিয়েছেন। আজ সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগর ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ব্যাখ্যাগুলো দেন তিনি।

আসিফ মাহমুদ বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখলাম যে, উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নিয়োগের জন্য আমি সুপারিশ করেছি। আসলে, এই সিটি করপোরেশনের নিয়োগ তো এই মন্ত্রণালয় থেকেই দেওয়া হয়। ডিওটা হচ্ছে একটা অফিসিয়াল প্রসেস।

তিনি আরও বলেন, তবে খুবই দুঃখজনক, এটা যারা প্রকাশ করেছে। শুধু এটা নয়, এর আগেও এরকম ঘটনা ঘটেছে এই সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরেও। দীর্ঘ ১৬ বছর এখানে রাজনৈতিক নিয়োগ হয়েছে, এখনো ভেতর পর্যন্ত আমরা পুরোটা পরিষ্কার করতে পারিনি। এখনো অনেকে রয়ে গেছে, যারা সরকারকে বিব্রত করতে চাচ্ছে। আমরা তদন্ত করছি, কে বা কারা এটা ঘটাতে পারে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব।

ওই চিঠিটি সত্য কি-না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আসিফ মাহমুদ বলেন, আইন অনুযায়ী, আমরা ডিও দিতেই পারি। আমাদের প্রশাসকের পদগুলো খালিই। এই কারণে আমাদের প্রশাসনিক কার্যক্রম, সিটি করপোরেশনগুলোর কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে অর্থাৎ, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগ পর্যন্ত, সর্বশেষ সংশোধিত অধ্যাদেশ অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার বিভাগ সার্ভিস থেকে যে কাউকে নিয়োগ দিতে পারে। কিংবা যেকোনো ব্যক্তিকে আমরা সেখানে নিয়োগ দিতে পারি, সেই জায়গা থেকে আমরা একজনের ব্যাপারে সুপারিশ করেছি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী মন্দির নির্মাণের প্রতিশ্রুতি উপ-উপাচার্যের

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের যে চিঠি অনলাইনে ভাইরাল

আপডেট সময় : ০৭:০৭:৫৮ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার একটি চিঠি কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। চিঠিটি লেখা হয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোখলেস উর রহমানের উদ্দেশে। সেই চিঠিতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মন্ত্রণালয়টির অধীনস্থ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের জন্য একজনের নাম প্রস্তাব করেন।

নানা আলোচনার পর আসিফ মাহমুদ তার দেওয়া ওই চিঠির (ডিও লেটার) ব্যাখ্যা দিয়েছেন। আজ সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগর ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ব্যাখ্যাগুলো দেন তিনি।

আসিফ মাহমুদ বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখলাম যে, উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নিয়োগের জন্য আমি সুপারিশ করেছি। আসলে, এই সিটি করপোরেশনের নিয়োগ তো এই মন্ত্রণালয় থেকেই দেওয়া হয়। ডিওটা হচ্ছে একটা অফিসিয়াল প্রসেস।

তিনি আরও বলেন, তবে খুবই দুঃখজনক, এটা যারা প্রকাশ করেছে। শুধু এটা নয়, এর আগেও এরকম ঘটনা ঘটেছে এই সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরেও। দীর্ঘ ১৬ বছর এখানে রাজনৈতিক নিয়োগ হয়েছে, এখনো ভেতর পর্যন্ত আমরা পুরোটা পরিষ্কার করতে পারিনি। এখনো অনেকে রয়ে গেছে, যারা সরকারকে বিব্রত করতে চাচ্ছে। আমরা তদন্ত করছি, কে বা কারা এটা ঘটাতে পারে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব।

ওই চিঠিটি সত্য কি-না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আসিফ মাহমুদ বলেন, আইন অনুযায়ী, আমরা ডিও দিতেই পারি। আমাদের প্রশাসকের পদগুলো খালিই। এই কারণে আমাদের প্রশাসনিক কার্যক্রম, সিটি করপোরেশনগুলোর কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে অর্থাৎ, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগ পর্যন্ত, সর্বশেষ সংশোধিত অধ্যাদেশ অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার বিভাগ সার্ভিস থেকে যে কাউকে নিয়োগ দিতে পারে। কিংবা যেকোনো ব্যক্তিকে আমরা সেখানে নিয়োগ দিতে পারি, সেই জায়গা থেকে আমরা একজনের ব্যাপারে সুপারিশ করেছি।