সোমবার | ১৬ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সচিব পদমর্যাদায় খুবি অধ্যাপক আবদুল আওয়াল Logo বিভাগীয় পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান Logo চাঁদপুরে মানবদূত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে পথচারীদের মাঝে ইফতার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল Logo জনপ্রিয় ব্র্যান্ড কাচ্চি ডাইন চাঁদপুর শাখায় ভোক্তা অভিযান, ব্যাখ্যা দিল কর্তৃপক্ষ Logo চাঁদপুর জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত Logo আল্লাহ প্রদত্ত ইলম মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি Logo পলাশবাড়ীতে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন  Logo চাঁদপুরে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ….শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এমপি Logo কয়রা সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে বিএনপি নেতা এম এ হাসান

নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন আলোচনায় যত নাম

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১১:২৯:৫৯ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৪
  • ৭৯২ বার পড়া হয়েছে

নির্বাচন কমিশন বর্তমানে শূন্য রয়েছে। প্রক্রিয়া চলছে নতুন কমিশন গঠনের। তবে কে হবেন চতুর্দশ প্রধান নির্বাচন কমিশনার? কারা হবেন কমিশনার? সে আলোচনা এখন দেশজুড়েই। 

এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন সরগরম। তবে নতুন সিইসি ও নির্বাচন কমিশনারদের নাম জানতে আরও অপেক্ষা করতে হবে দেশবাসীকে। নতুন ইসি নিয়োগে সার্চ কমিটির কাছে ৫ শতাধিক নাম এসেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এসব নামের তালিকা তৈরি করছে। দু-এক দিনের মধ্যে তালিকা প্রস্তুত হবে; সে তালিকা নিয়ে বৈঠক করবে সার্চ কমিটি। এরপর ১০ জনের নাম চূড়ান্ত করে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে।

সূত্র জানিয়েছেন, বিএনপিসহ ১৭টি দল ও জোট, পেশাজীবী সংগঠন এবং ব্যক্তিগতভাবে অনেকেই নাম জমা দিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে। আইন অনুযায়ী ২১ নভেম্বরের মধ্যে সার্চ কমিটি ১০ জনের নাম চূড়ান্ত করে রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেবে। তবে এবার সিইসি, চার নির্বাচন কমিশনারসহ পাঁচজন থাকবেন কি না তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

অনেকেই বলছেন, সিইসিসহ তিনজনের নির্বাচন কমিশন হলেই ভালো। আবার কেউ বলছেন বিগত তিন নির্বাচন কমিশনের মতোই সিইসি ও চারজন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের কথা। এ নিয়ে চলছে আলাপ-আলোচনা।

এদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার হিসেবে সুশীলসমাজ, সাবেক নির্বাচন কমিশনার, সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, বিচারক, শিক্ষক, সিনিয়র সাংবাদিক, আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মীর নাম এসেছে। নিজের নাম যেন সম্ভাব্য ইসিতে স্থান পায় সেজন্য অনেকেই ব্যক্তিগতভাবে চাকরিজীবনের সফলতা, আওয়ামী লীগ আমলে লাঞ্ছনা-বঞ্চনার ফিরিস্তি তুলে ধরছেন জীবনবৃত্তান্তে।

অন্যদিকে সিইসি ও নির্বাচন কমিশনার হিসেবে ৫ শতাধিক নাম মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা পড়লেও আলোচনায় রয়েছে দুই ডজন নাম। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ঘুরেফিরে একই ব্যক্তির নাম দিয়েছে।

সিইসি ও নির্বাচন কমিশনার হিসেবে যাঁদের নাম আলোচনায় রয়েছে তাঁরা হলেন- নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ও সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, সাবেক নির্বাচন কমিশনার এস এম জাকারিয়া, সাবেক সচিব এ এম এম নাসির উদ্দিন, সাবেক সচিব  সড়ক ও জনপদ মো. শফিকুল ইসলাম, আবু আলম শহীদ খান, মহিবুল হক, শহিদুল ইসলাম, নির্বাচন কমিশনের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ড. মোহাম্মদ জাকরিয়া, সাবেক সেনা কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিন, সুপ্রিম কোর্টের সাবেক রেজিস্ট্রার ইকতিদার আহমেদ, সাবেক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মিসেস শামীম আহমেদ, সাবেক যুগ্ম সচিব মিসেস তাহমিদা আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) আনোয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) আমিন তারিক, সাবেক যুগ্ম সচিব আকতার আহমেদ, সাবেক যুগ্ম সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, সিনিয়র সাংবাদিক আবু সাঈদ খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস ও রুহুল আমিন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. আবদুল লতিফ মাসুম, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হাসান তালুকদার এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী, ইসির সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলি, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলন, ড. এ ওয়াই এম একরামুল হক, মুনির চৌধুরী এবং সাবেক যুগ্মসচিব আরিফুর রহমান; সাবেক আমলা শামীমা আহমেদ, মঞ্জুর কাদির, শাহনাজ বানু  ও এস এম নুরুজ্জামান।

জানা গেছে, নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে সার্চ কমিটির কাছে ১০ জনের নামের তালিকা জমা দিয়েছে বিএনপি। এর মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদের জন্য বিএনপি সাবেক সচিব এ এম এম নাসির উদ্দিন ও শফিকুল ইসলামের নাম প্রস্তাব করেছে। দলটি চার নির্বাচন কমিশনারের জন্য দিয়েছে আরও আট নাম। বিএনপির শরিক কয়েকটি দল দুই সচিব ছাড়াও সিইসি পদের জন্য আরও দুজনের নাম দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দলগুলো আলাদাও নাম দিয়েছে। এ ছাড়া প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও চারজন কমিশনার পদের জন্য আটজনের নাম প্রস্তাব করেছে জামায়াতে ইসলামী। ইসলামী আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট ও এলডিপি পৃথক নাম প্রস্তাব করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে। পাঁচটি পদের জন্য পাঁচজনের নাম প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। নাম দিয়েছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)। তাদের তালিকায় রয়েছে সাবেক সচিব, সিনিয়র সাংবাকিদের নামও। এ বি পার্টি দিয়েছে পাঁচ নাম। নাগরিক ঐক্যের তালিকায় রয়েছে সাবেক আমলা ও সাংবাদিকের নাম। বিকল্পধারার তালিকায় রয়েছে আমলা, শিক্ষক, আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মীর নাম। নুরুল হক নূরের নেতৃত্বাধীন গণঅধিকার পরিষদ বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন অধ্যাপকসহ মোট ছয়জনের নাম প্রস্তাব করেছে।

চলতি নভেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন কমিশন গঠন প্রক্রিয়া শেষ করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। আইন অনুযায়ী সার্চ কমিটি দায়িত্ব পাওয়ার ১৫ কার্যদিবস তথা ২১ নভেম্বরের মধ্যে নতুন ইসি গঠনের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে নাম প্রস্তাব করবে। এ ছাড়া প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগে যোগ্যতাসম্পন্নদের অনুসন্ধান করছে সার্চ কমিটি। রাজনৈতিক দল এবং পেশাজীবী সংগঠনের কাছ থেকে ৫ শতাধিক নাম পেয়েছে কমিটি। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সার্চ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে। তারা এ নামের তালিকা তৈরি করছে। এ আইনের অধীনে ২০২২ সালের নির্বাচন কমিশনই প্রথম নিয়োগ পেয়েছিল। সার্চ কমিটির প্রস্তাবিত ১০ জনের নাম থেকে পাঁচজন বেছে নিয়ে নতুন কমিশন গঠন করে দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সচিব পদমর্যাদায় খুবি অধ্যাপক আবদুল আওয়াল

নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন আলোচনায় যত নাম

আপডেট সময় : ১১:২৯:৫৯ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৪

নির্বাচন কমিশন বর্তমানে শূন্য রয়েছে। প্রক্রিয়া চলছে নতুন কমিশন গঠনের। তবে কে হবেন চতুর্দশ প্রধান নির্বাচন কমিশনার? কারা হবেন কমিশনার? সে আলোচনা এখন দেশজুড়েই। 

এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন সরগরম। তবে নতুন সিইসি ও নির্বাচন কমিশনারদের নাম জানতে আরও অপেক্ষা করতে হবে দেশবাসীকে। নতুন ইসি নিয়োগে সার্চ কমিটির কাছে ৫ শতাধিক নাম এসেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এসব নামের তালিকা তৈরি করছে। দু-এক দিনের মধ্যে তালিকা প্রস্তুত হবে; সে তালিকা নিয়ে বৈঠক করবে সার্চ কমিটি। এরপর ১০ জনের নাম চূড়ান্ত করে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে।

সূত্র জানিয়েছেন, বিএনপিসহ ১৭টি দল ও জোট, পেশাজীবী সংগঠন এবং ব্যক্তিগতভাবে অনেকেই নাম জমা দিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে। আইন অনুযায়ী ২১ নভেম্বরের মধ্যে সার্চ কমিটি ১০ জনের নাম চূড়ান্ত করে রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেবে। তবে এবার সিইসি, চার নির্বাচন কমিশনারসহ পাঁচজন থাকবেন কি না তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

অনেকেই বলছেন, সিইসিসহ তিনজনের নির্বাচন কমিশন হলেই ভালো। আবার কেউ বলছেন বিগত তিন নির্বাচন কমিশনের মতোই সিইসি ও চারজন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের কথা। এ নিয়ে চলছে আলাপ-আলোচনা।

এদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার হিসেবে সুশীলসমাজ, সাবেক নির্বাচন কমিশনার, সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, বিচারক, শিক্ষক, সিনিয়র সাংবাদিক, আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মীর নাম এসেছে। নিজের নাম যেন সম্ভাব্য ইসিতে স্থান পায় সেজন্য অনেকেই ব্যক্তিগতভাবে চাকরিজীবনের সফলতা, আওয়ামী লীগ আমলে লাঞ্ছনা-বঞ্চনার ফিরিস্তি তুলে ধরছেন জীবনবৃত্তান্তে।

অন্যদিকে সিইসি ও নির্বাচন কমিশনার হিসেবে ৫ শতাধিক নাম মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা পড়লেও আলোচনায় রয়েছে দুই ডজন নাম। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ঘুরেফিরে একই ব্যক্তির নাম দিয়েছে।

সিইসি ও নির্বাচন কমিশনার হিসেবে যাঁদের নাম আলোচনায় রয়েছে তাঁরা হলেন- নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ও সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, সাবেক নির্বাচন কমিশনার এস এম জাকারিয়া, সাবেক সচিব এ এম এম নাসির উদ্দিন, সাবেক সচিব  সড়ক ও জনপদ মো. শফিকুল ইসলাম, আবু আলম শহীদ খান, মহিবুল হক, শহিদুল ইসলাম, নির্বাচন কমিশনের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ড. মোহাম্মদ জাকরিয়া, সাবেক সেনা কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিন, সুপ্রিম কোর্টের সাবেক রেজিস্ট্রার ইকতিদার আহমেদ, সাবেক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মিসেস শামীম আহমেদ, সাবেক যুগ্ম সচিব মিসেস তাহমিদা আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) আনোয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) আমিন তারিক, সাবেক যুগ্ম সচিব আকতার আহমেদ, সাবেক যুগ্ম সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, সিনিয়র সাংবাদিক আবু সাঈদ খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস ও রুহুল আমিন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. আবদুল লতিফ মাসুম, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হাসান তালুকদার এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী, ইসির সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলি, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলন, ড. এ ওয়াই এম একরামুল হক, মুনির চৌধুরী এবং সাবেক যুগ্মসচিব আরিফুর রহমান; সাবেক আমলা শামীমা আহমেদ, মঞ্জুর কাদির, শাহনাজ বানু  ও এস এম নুরুজ্জামান।

জানা গেছে, নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে সার্চ কমিটির কাছে ১০ জনের নামের তালিকা জমা দিয়েছে বিএনপি। এর মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদের জন্য বিএনপি সাবেক সচিব এ এম এম নাসির উদ্দিন ও শফিকুল ইসলামের নাম প্রস্তাব করেছে। দলটি চার নির্বাচন কমিশনারের জন্য দিয়েছে আরও আট নাম। বিএনপির শরিক কয়েকটি দল দুই সচিব ছাড়াও সিইসি পদের জন্য আরও দুজনের নাম দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দলগুলো আলাদাও নাম দিয়েছে। এ ছাড়া প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও চারজন কমিশনার পদের জন্য আটজনের নাম প্রস্তাব করেছে জামায়াতে ইসলামী। ইসলামী আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট ও এলডিপি পৃথক নাম প্রস্তাব করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে। পাঁচটি পদের জন্য পাঁচজনের নাম প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। নাম দিয়েছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)। তাদের তালিকায় রয়েছে সাবেক সচিব, সিনিয়র সাংবাকিদের নামও। এ বি পার্টি দিয়েছে পাঁচ নাম। নাগরিক ঐক্যের তালিকায় রয়েছে সাবেক আমলা ও সাংবাদিকের নাম। বিকল্পধারার তালিকায় রয়েছে আমলা, শিক্ষক, আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মীর নাম। নুরুল হক নূরের নেতৃত্বাধীন গণঅধিকার পরিষদ বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন অধ্যাপকসহ মোট ছয়জনের নাম প্রস্তাব করেছে।

চলতি নভেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন কমিশন গঠন প্রক্রিয়া শেষ করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। আইন অনুযায়ী সার্চ কমিটি দায়িত্ব পাওয়ার ১৫ কার্যদিবস তথা ২১ নভেম্বরের মধ্যে নতুন ইসি গঠনের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে নাম প্রস্তাব করবে। এ ছাড়া প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগে যোগ্যতাসম্পন্নদের অনুসন্ধান করছে সার্চ কমিটি। রাজনৈতিক দল এবং পেশাজীবী সংগঠনের কাছ থেকে ৫ শতাধিক নাম পেয়েছে কমিটি। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সার্চ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে। তারা এ নামের তালিকা তৈরি করছে। এ আইনের অধীনে ২০২২ সালের নির্বাচন কমিশনই প্রথম নিয়োগ পেয়েছিল। সার্চ কমিটির প্রস্তাবিত ১০ জনের নাম থেকে পাঁচজন বেছে নিয়ে নতুন কমিশন গঠন করে দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি।