রবিবার | ১৫ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo বিভাগীয় পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান Logo চাঁদপুরে মানবদূত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে পথচারীদের মাঝে ইফতার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল Logo জনপ্রিয় ব্র্যান্ড কাচ্চি ডাইন চাঁদপুর শাখায় ভোক্তা অভিযান, ব্যাখ্যা দিল কর্তৃপক্ষ Logo চাঁদপুর জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত Logo আল্লাহ প্রদত্ত ইলম মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি Logo পলাশবাড়ীতে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন  Logo চাঁদপুরে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ….শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এমপি Logo কয়রা সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে বিএনপি নেতা এম এ হাসান Logo বই—একটি আত্মার আয়না, একটি সভ্যতার হৃদস্পন্দন, একটি জাতির ভবিষ্যতের স্থপতি — তৌফিক সুলতান, জ্ঞানের জগৎ গ্রন্থের লেখক

পলাশবাড়ীতে লেপ-তোশক তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৯:৫২ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৮ নভেম্বর ২০২৪
  • ৭৮৬ বার পড়া হয়েছে

বায়েজীদ পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা)  :

দেখতে দেখতে চলে আসছে শীত কাল। আর কিছুই দিনের মাঝেই স্পর্শ করবে শীতের ঠান্ডা হিমেল হাওয়া।  শীত মানেই প্রশান্তির ঘুমের জন্য সবচেয়ে উপযোগী ঋতু।দিনে প্রচন্ড গরম, আর ভোর রাতে বইতে শুরু করে হিমেল হাওয়া। সেভাবে শীতের সকাল টা শুরু না হলে ও জলবায়ুর পরিবর্তনে অনুভূত হচ্ছে শীতের আমেজ।

আর এই প্রচন্ডের শীতের মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি হিসেবে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে হিড়িক পরেছে লেপ-তোশক বানানো।
বৃহস্পতিবার ৭ নভেম্বর উপজেলা বিভিন্ন জায়গাতে ঘুড়ে দেখা যায় -পৌর শহরের বিভিন্ন স্থানে লেপ-তোশক বানাতে ব্যস্ত কারিগররা।
কারিগররা বলেন -প্রতিদিন তারা ২টা থেকে ৪টা লেপ-তোশক বানাতে পারে। আর একটি লেপ-তোশক বানানোর মজুরী হিসেবে পারিশ্রমিক পান ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা,তবে লেপ-তোশকের সাইজ অনুসারে প্রতিদিন ৬শ থেকে ১ হাজার টাকা পযর্ন্ত রোজগার হয়।সেই টাকা দিয়েই তাদা সংসার চালায় । তিনি আরো বলেন একই সাথে আমরা কয়েকজন কাজ করে থাকি।
লেপ কিনতে আসা আব্দুস সামাদ জানান, আসছে প্রচন্ড শীত, এখন দিনে গরম থাকলেও রাতে একটু একটু শীত অনুভব হয়। আর আমাদের এই জেলায় শীত বেশি হয় তাই আগে ভাগে লেপ তৈরি করে নিতে আসছি।
এদিকে লেপ-তোশক দোকানদার ফারুক বলেন-এখনো ঠিক ভাবে শীত পড়েনি,তবে রাতে হালকা হালকা শীত অনুভব করে। তাই লোকজন শীত নিবারনের জন্য শীত বস্তের প্রতি ঝুকছেন। উপজেলা শহরে অন্য অনেক দোকান থাকা শর্তেও প্রতিদিন আমার দোকানে প্রায়ে ৭ থেকে ১০ টি লেপ-তোশক অডার পান।
 অন্যান্য বছরের তুলনায় দামের এবার কাপড় ও তুলার দাম বেশি। যেমন শিমুল তুলা ৪শ৫০ থেকে ৫শ টাকা প্রতিকেজি, সাদা (গার্মেন্টস তুলা) ৬০থেকে ৭০ টাকা, প্রতিকেজি কালো রঙ্গিন হলুদ লাল লীল রংগের গার্মেন্টস তুলা ৩৫ থেকে ৪০ টাকা প্রতিকেজি। কার্পার্স তুলা ১শ ৩০ থেকে ১শ ৫০ টাকা প্রতিকেজি বিক্রয় করি। আবার কাপড়ের গজ বিভিন্ন কাপড়ের মান অনুসারে প্রতি গজ ৩৫ টাকা থেকে শুরু করে ৬০ টাকা পর্যন্ত বিক্রয় করে থাকি। তবে প্রতি লেপ ৫শ ৫০ থেকে ১৫শ  টাকা এবং তোশক ৮ শ টাকা হতে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রয় করি। সব মিলে ভালো মানের একটি লেপ তৈরি করতে ১৮ শ থেকে ২২শ টাকা লাগে। আবার শীত বেশি পড়লে লেপের চাহিদা তখন তুলনা মুলক ভাবে বাড়ে।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিভাগীয় পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান

পলাশবাড়ীতে লেপ-তোশক তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা

আপডেট সময় : ০৫:৩৯:৫২ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৮ নভেম্বর ২০২৪

বায়েজীদ পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা)  :

দেখতে দেখতে চলে আসছে শীত কাল। আর কিছুই দিনের মাঝেই স্পর্শ করবে শীতের ঠান্ডা হিমেল হাওয়া।  শীত মানেই প্রশান্তির ঘুমের জন্য সবচেয়ে উপযোগী ঋতু।দিনে প্রচন্ড গরম, আর ভোর রাতে বইতে শুরু করে হিমেল হাওয়া। সেভাবে শীতের সকাল টা শুরু না হলে ও জলবায়ুর পরিবর্তনে অনুভূত হচ্ছে শীতের আমেজ।

আর এই প্রচন্ডের শীতের মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি হিসেবে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে হিড়িক পরেছে লেপ-তোশক বানানো।
বৃহস্পতিবার ৭ নভেম্বর উপজেলা বিভিন্ন জায়গাতে ঘুড়ে দেখা যায় -পৌর শহরের বিভিন্ন স্থানে লেপ-তোশক বানাতে ব্যস্ত কারিগররা।
কারিগররা বলেন -প্রতিদিন তারা ২টা থেকে ৪টা লেপ-তোশক বানাতে পারে। আর একটি লেপ-তোশক বানানোর মজুরী হিসেবে পারিশ্রমিক পান ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা,তবে লেপ-তোশকের সাইজ অনুসারে প্রতিদিন ৬শ থেকে ১ হাজার টাকা পযর্ন্ত রোজগার হয়।সেই টাকা দিয়েই তাদা সংসার চালায় । তিনি আরো বলেন একই সাথে আমরা কয়েকজন কাজ করে থাকি।
লেপ কিনতে আসা আব্দুস সামাদ জানান, আসছে প্রচন্ড শীত, এখন দিনে গরম থাকলেও রাতে একটু একটু শীত অনুভব হয়। আর আমাদের এই জেলায় শীত বেশি হয় তাই আগে ভাগে লেপ তৈরি করে নিতে আসছি।
এদিকে লেপ-তোশক দোকানদার ফারুক বলেন-এখনো ঠিক ভাবে শীত পড়েনি,তবে রাতে হালকা হালকা শীত অনুভব করে। তাই লোকজন শীত নিবারনের জন্য শীত বস্তের প্রতি ঝুকছেন। উপজেলা শহরে অন্য অনেক দোকান থাকা শর্তেও প্রতিদিন আমার দোকানে প্রায়ে ৭ থেকে ১০ টি লেপ-তোশক অডার পান।
 অন্যান্য বছরের তুলনায় দামের এবার কাপড় ও তুলার দাম বেশি। যেমন শিমুল তুলা ৪শ৫০ থেকে ৫শ টাকা প্রতিকেজি, সাদা (গার্মেন্টস তুলা) ৬০থেকে ৭০ টাকা, প্রতিকেজি কালো রঙ্গিন হলুদ লাল লীল রংগের গার্মেন্টস তুলা ৩৫ থেকে ৪০ টাকা প্রতিকেজি। কার্পার্স তুলা ১শ ৩০ থেকে ১শ ৫০ টাকা প্রতিকেজি বিক্রয় করি। আবার কাপড়ের গজ বিভিন্ন কাপড়ের মান অনুসারে প্রতি গজ ৩৫ টাকা থেকে শুরু করে ৬০ টাকা পর্যন্ত বিক্রয় করে থাকি। তবে প্রতি লেপ ৫শ ৫০ থেকে ১৫শ  টাকা এবং তোশক ৮ শ টাকা হতে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রয় করি। সব মিলে ভালো মানের একটি লেপ তৈরি করতে ১৮ শ থেকে ২২শ টাকা লাগে। আবার শীত বেশি পড়লে লেপের চাহিদা তখন তুলনা মুলক ভাবে বাড়ে।