সোমবার | ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে দিনভর গণসংযোগ সুন্নীয়তের দাবি নিয়ে আসছি, মোমবাতিতে ভোট চাই -মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ  Logo লেডি দেহলভী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ ক্রীড়া চর্চা শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে-অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উজালা রানী চাকমা। Logo আইনের ফাঁদে দুই প্রতিষ্ঠান: চাঁদপুরে ভোক্তা অধিকার ও যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা Logo সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযান, অর্ধ লক্ষাধিক টাকার মাদক ও চোরাচালানি মালামাল জব্দ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মৌখিক পরীক্ষা বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় Logo গণভোট হ্যাঁ-কে জয়ী করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক প্রচারণা Logo শিক্ষকতা: নৈতিক অবস্থান ও মানবিক প্রতিশ্রুতি Logo পলাশবাড়ীতে ধানের শীর্ষের পক্ষে বিশাল নির্বাচনী গণমিছিল  Logo ঝালকাঠিতে ৬লিটার চোলাই মদ সহ নাসির ডিবির হাতে আটক  Logo পলাশবাড়ীতে জমি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে হামলায় আহত ৪, অবরুদ্ধ ৯ পরিবার

দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে সরকারি বেতন নেন উপজেলা পরিষদের পিয়ন

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৫:৫১:২৯ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১ নভেম্বর ২০২৪
  • ৭৮৭ বার পড়া হয়েছে

মেহেরপুর সদর উপজেলা পরিষদের পিয়ন শাহিন বাপ্পি। অন্যদিকে দিন হাজিরায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাড়িচালকও হিসেবে বেতন উত্তোলন করছেন তিনি। তাকে বেতন উত্তোলনে সার্বিক সহযোগিতা করে যাচ্ছেন মেহেরপুর সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের অফিস সহায়ক হাসানুজ্জামান।

জানা গেছে, ২০১৮ সাল থেকে শাহিন বাপ্পি দৈনিক বেতনে মেহেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাড়িচালক হিসেবে ৫৫০ টাকা হাজিরায় কর্মরত রয়েছেন। পরে তিনি ২০২৪ সালে ০৪ এপ্রিল উপজেলা পরিষদের পিয়ন (২০ তম গ্রেড) পদে কর্মরত রয়েছেন।

চাচা ইসরাফিল হোসেনের নাম ব্যবহার করে প্রতিনিয়তই তুলে যাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাড়িচালকের বেতন ভাতা।

মেহেরপুর সদর উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যানের সিএ আল-আমিন জানান, ৬-৭ মাস ধরে শাহিন বাপ্পি চেয়ারম্যান অফিসের ২০ তম গ্রেডে কর্মরত রয়েছেন। নিয়মিত অফিস করেন কিনা এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি কোন সদুত্তর দেননি।

মেহেরপুর সদর উপজেলার হিসাব সহকারী হাসানুজ্জামান জানান, শাহিন বাপ্পি চেয়ারম্যান অফিসের পিয়ন ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তবে তিনি গাড়ি চালকের বেতন নেন না। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে অপারগতা জানান। সাংবাদিকদের সাথে প্রশ্ন উত্তরের একপর্যায়ে সরকারি দুই স্থান থেকে বেতন উত্তোলনের কথা স্বীকার করেন হাসানুজ্জামান।

এ বিষয়ে শাহিন বাপ্পির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, চেয়ারম্যান অফিস ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ড্রাইভার হিসেবে দুই স্থান থেকে তিনি বেতন উত্তোলন করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ড্রাইভার এর বেতন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তার নিজের পকেটে রেখে দেন সেখান থেকে কিছু অংশ টাকা দেন বলে সাংবাদিকদের জানান। তবে তিনি নিজের আপন চাচা ইসরাফিল হোসেনকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ড্রাইভার হিসেবে দাবী করেন। শাহিন বাপ্পির দেয়া ইসরাফিল হোসেনের মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও সে নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

মেহেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) গাজী মূয়ীদর রহমান ও মেহেরপুর জেলা প্রশাসক সিফাত মেহানাদের সাথে এ বিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তারা ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে দিনভর গণসংযোগ সুন্নীয়তের দাবি নিয়ে আসছি, মোমবাতিতে ভোট চাই -মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ 

দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে সরকারি বেতন নেন উপজেলা পরিষদের পিয়ন

আপডেট সময় : ০৫:৫১:২৯ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১ নভেম্বর ২০২৪

মেহেরপুর সদর উপজেলা পরিষদের পিয়ন শাহিন বাপ্পি। অন্যদিকে দিন হাজিরায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাড়িচালকও হিসেবে বেতন উত্তোলন করছেন তিনি। তাকে বেতন উত্তোলনে সার্বিক সহযোগিতা করে যাচ্ছেন মেহেরপুর সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের অফিস সহায়ক হাসানুজ্জামান।

জানা গেছে, ২০১৮ সাল থেকে শাহিন বাপ্পি দৈনিক বেতনে মেহেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাড়িচালক হিসেবে ৫৫০ টাকা হাজিরায় কর্মরত রয়েছেন। পরে তিনি ২০২৪ সালে ০৪ এপ্রিল উপজেলা পরিষদের পিয়ন (২০ তম গ্রেড) পদে কর্মরত রয়েছেন।

চাচা ইসরাফিল হোসেনের নাম ব্যবহার করে প্রতিনিয়তই তুলে যাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাড়িচালকের বেতন ভাতা।

মেহেরপুর সদর উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যানের সিএ আল-আমিন জানান, ৬-৭ মাস ধরে শাহিন বাপ্পি চেয়ারম্যান অফিসের ২০ তম গ্রেডে কর্মরত রয়েছেন। নিয়মিত অফিস করেন কিনা এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি কোন সদুত্তর দেননি।

মেহেরপুর সদর উপজেলার হিসাব সহকারী হাসানুজ্জামান জানান, শাহিন বাপ্পি চেয়ারম্যান অফিসের পিয়ন ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তবে তিনি গাড়ি চালকের বেতন নেন না। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে অপারগতা জানান। সাংবাদিকদের সাথে প্রশ্ন উত্তরের একপর্যায়ে সরকারি দুই স্থান থেকে বেতন উত্তোলনের কথা স্বীকার করেন হাসানুজ্জামান।

এ বিষয়ে শাহিন বাপ্পির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, চেয়ারম্যান অফিস ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ড্রাইভার হিসেবে দুই স্থান থেকে তিনি বেতন উত্তোলন করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ড্রাইভার এর বেতন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তার নিজের পকেটে রেখে দেন সেখান থেকে কিছু অংশ টাকা দেন বলে সাংবাদিকদের জানান। তবে তিনি নিজের আপন চাচা ইসরাফিল হোসেনকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ড্রাইভার হিসেবে দাবী করেন। শাহিন বাপ্পির দেয়া ইসরাফিল হোসেনের মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও সে নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

মেহেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) গাজী মূয়ীদর রহমান ও মেহেরপুর জেলা প্রশাসক সিফাত মেহানাদের সাথে এ বিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তারা ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি।