১০ ঘণ্টা পর সারা দেশের সঙ্গে খুলনার রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১২:২৯:৩৯ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৪
  • ৭২৭ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার আনসারবাড়িয়ায় তেলবাহী ট্রেনের ট্যাঙ্কার লাইনচ্যুতের ঘটনার টানা ১০ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

বুধবার (২৩ অক্টোবর) বেলা ১১টা থেকে সারা দেশের সঙ্গে খুলনার রেল চলাচল শুরু হয়।

উথলী রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার মিন্টু কুমার রায় ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, টানা ১০ ঘণ্টা পর উদ্ধারকাজ সম্পন্ন হয়েছে। এখন সারা দেশের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক।

এর আগে, মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে জীবননগর উপজেলার উথলী রেলস্টেশন পার হয়ে আনসারবাড়িয়া রেল স্টেশনের অদূরে তেলবাহী ট্রেনের আটটি ট্যাঙ্কার লাইনচ্যুত হয়। এতে খুলনার সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। ভোগান্তিতে পড়েন বিভিন্ন যাত্রীবাহী ট্রেনের শতশত যাত্রী। এ সময় যাত্রীদের বিকল্প উপায়ে গন্তব্যস্থলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করতে দেখা যায়। এতে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় ঘটে।

এ বিষয়ে জানতে চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার মিজানুর রহমানের ব্যক্তিগত নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

১০ ঘণ্টা পর সারা দেশের সঙ্গে খুলনার রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

আপডেট সময় : ১২:২৯:৩৯ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৪

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার আনসারবাড়িয়ায় তেলবাহী ট্রেনের ট্যাঙ্কার লাইনচ্যুতের ঘটনার টানা ১০ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

বুধবার (২৩ অক্টোবর) বেলা ১১টা থেকে সারা দেশের সঙ্গে খুলনার রেল চলাচল শুরু হয়।

উথলী রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার মিন্টু কুমার রায় ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, টানা ১০ ঘণ্টা পর উদ্ধারকাজ সম্পন্ন হয়েছে। এখন সারা দেশের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক।

এর আগে, মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে জীবননগর উপজেলার উথলী রেলস্টেশন পার হয়ে আনসারবাড়িয়া রেল স্টেশনের অদূরে তেলবাহী ট্রেনের আটটি ট্যাঙ্কার লাইনচ্যুত হয়। এতে খুলনার সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। ভোগান্তিতে পড়েন বিভিন্ন যাত্রীবাহী ট্রেনের শতশত যাত্রী। এ সময় যাত্রীদের বিকল্প উপায়ে গন্তব্যস্থলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করতে দেখা যায়। এতে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় ঘটে।

এ বিষয়ে জানতে চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার মিজানুর রহমানের ব্যক্তিগত নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।