সোমবার | ১৬ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সচিব পদমর্যাদায় খুবি অধ্যাপক আবদুল আওয়াল Logo বিভাগীয় পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান Logo চাঁদপুরে মানবদূত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে পথচারীদের মাঝে ইফতার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল Logo জনপ্রিয় ব্র্যান্ড কাচ্চি ডাইন চাঁদপুর শাখায় ভোক্তা অভিযান, ব্যাখ্যা দিল কর্তৃপক্ষ Logo চাঁদপুর জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত Logo আল্লাহ প্রদত্ত ইলম মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি Logo পলাশবাড়ীতে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন  Logo চাঁদপুরে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ….শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এমপি Logo কয়রা সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে বিএনপি নেতা এম এ হাসান

চার কলেজ শিক্ষকের এমপিও বাতিল

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০২:৫৬:০৫ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৪
  • ৭৮৬ বার পড়া হয়েছে

জাল সনদে চাকরি করা ২০২ জন শিক্ষকের তালিকা প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এদের মধ্যে যারা এমপিওভুক্ত (বেতন-ভাতার সরকারি অংশ) ছিলেন তাদের এমপিও বাতিল করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর জাল শিক্ষকদের এই তালিকা প্রকাশ করেছে। ওই তালিকায় চুয়াডাঙ্গা জেলার চারজন শিক্ষকের নাম পাওয়া গেছে।

তারা হলেন, চুয়াডাঙ্গা সদরের পৌর ডিগ্রি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক আশরাফুল রহমান, একই বিভাগের আরেক প্রভাষক বেগম হালিমা আক্তার, বড়শলুয়া নিউ মডেল কলেজের ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক শফিকুল ইসলাম ও জীবননগর আদর্শ ডিগ্রি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক নয়ন তারা।

মাউশি অধিদপ্তর জানিয়েছে, তালিকায় থাকা শিক্ষক-কর্মচারীদের জাল সনদের সত্যতা যাচাই করে তথ্য পাঠানো হয়েছে এবং একই চিঠিতে জাল সনদধারীদের বিরুদ্ধে মোট সাতটি বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে এ অধিদপ্তর যথাযথ প্রক্রিয়ায় কিছু ইনডেক্সধারী শিক্ষকের এমপিও সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। তালিকায় এমপিওভুক্ত ও এমপিওবিহীন শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো মন্ত্রণালয় নির্দেশিত ৭টি বিষয়ের মধ্যে কী- কী ব্যবস্থা নিয়েছে তার দফাওয়ারি জবাব দেবে। ১০ দিন কার্যদিবসের মধ্যে এই জবাব অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্দেশিত ৭ দফা দফা নির্দেশনা হলো- ১. জাল সনদধারী শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও বন্ধ এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে চাকরিচ্যুত করা ২. অবৈধভাবে গ্রহণকৃত বেতন ভাতা সরকারি কোষাগারে ফেরৎ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ ৩. যারা অবসরে গেছেন তাদের অবসরের সুবিধা প্রাপ্তি বাতিল করা ৪. যারা স্বেচ্ছায় অবসর নিয়েছেন তাদের আপত্তির টাকা অধ্যক্ষ-প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে আদায় করা ৫. বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জাল সনদধারী শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ভাতা-কল্যাণ ট্রাস্টের ভাতা বন্ধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জাল সনদধারীদের তালিকা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো। ৬. জাল সনদধারীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক ফৌজদারি অপরাধের মামলা দায়ের ৭. জাল সনদধারীদের নিয়োগ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ।

দীর্ঘদিন চাকরির সুবাদে এসব শিক্ষক জাল সনদে সরকার থেকে প্রায় ১৫ কোটি টাকা বেতন বাবদ উত্তোলন করেছেন। তদন্ত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই অর্থ শিক্ষকদের সরকারি কোষাগারে ফিরিয়ে দিতে হবে।

এর আগে গত ১৮ মে জাল সনদে দীর্ঘ বছর শিক্ষক-কর্মচারী পদে চাকরি করছেন, এমন ৬৭৮ জন শিক্ষককে শনাক্ত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাদের বেতন-ভাতা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়ে মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি পাঠিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে (মাউশি) বলা হয়, এতদিন যে টাকা বেতন ভাতা হিসেবে তারা গ্রহণ করেছেন, তা ফেরত আনার ব্যবস্থা করতে হবে। কিন্তু জাল সনদধারী এসব শিক্ষককে চাকরিচ্যুত ও এমপিও বন্ধের নির্দেশ দেওয়ার এক মাস পরও ওই শিক্ষকদের বেতন ও উৎসবভাতা বাবদ তাদের অনুকূলে কয়েক কোটি টাকা ছাড় করেছিল মাউশি। তবে শেষ পর্যন্ত ২০২ জনের শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল মাউশি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দেশে বর্তমানে এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় ৩৪ হাজার। এর মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২০ হাজার ৩১৬টি, কলেজ ২ হাজার ৬৬৪টি, মাদ্রাসা ৯ হাজার ২৯২টি এবং ২ হাজারের মতো কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার জন্য ২০০৫ সাল থেকে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক ‘শিক্ষক নিবন্ধন সনদ’ বাধ্যতামূলক করা হয়। বতর্মানে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন প্রায় ৪ লাখ শিক্ষক ও ১ লাখ কর্মচারী, যারা সরকারি বেতন- ভাতা পেয়ে থাকেন।

শিক্ষা পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের ২৯ জন, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ১০ জন, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১০০ জন এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ১৭ জন শিক্ষকের সনদ জাল। এর বেশির ভাগই এনটিআরসিএ এবং কম্পিউটারের জাল সনদ দিয়ে এমপিও নিয়েছেন। স্কুল-কলেজের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাল সনদে শিক্ষকদের চাকরি করার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সম্প্রতি পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) তৎপরতায় নিয়মিতই শিক্ষকদের জাল সনদ পাওয়ার ঘটনা ঘটছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সনদ, এনটিআরসিএর সনদ ও কম্পিউটার সনদ জাল করে শিক্ষকরা দীর্ঘদিন এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে সরকারি অর্থ ভোগ করছেন তারা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সচিব পদমর্যাদায় খুবি অধ্যাপক আবদুল আওয়াল

চার কলেজ শিক্ষকের এমপিও বাতিল

আপডেট সময় : ০২:৫৬:০৫ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৪

জাল সনদে চাকরি করা ২০২ জন শিক্ষকের তালিকা প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এদের মধ্যে যারা এমপিওভুক্ত (বেতন-ভাতার সরকারি অংশ) ছিলেন তাদের এমপিও বাতিল করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর জাল শিক্ষকদের এই তালিকা প্রকাশ করেছে। ওই তালিকায় চুয়াডাঙ্গা জেলার চারজন শিক্ষকের নাম পাওয়া গেছে।

তারা হলেন, চুয়াডাঙ্গা সদরের পৌর ডিগ্রি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক আশরাফুল রহমান, একই বিভাগের আরেক প্রভাষক বেগম হালিমা আক্তার, বড়শলুয়া নিউ মডেল কলেজের ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক শফিকুল ইসলাম ও জীবননগর আদর্শ ডিগ্রি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক নয়ন তারা।

মাউশি অধিদপ্তর জানিয়েছে, তালিকায় থাকা শিক্ষক-কর্মচারীদের জাল সনদের সত্যতা যাচাই করে তথ্য পাঠানো হয়েছে এবং একই চিঠিতে জাল সনদধারীদের বিরুদ্ধে মোট সাতটি বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে এ অধিদপ্তর যথাযথ প্রক্রিয়ায় কিছু ইনডেক্সধারী শিক্ষকের এমপিও সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। তালিকায় এমপিওভুক্ত ও এমপিওবিহীন শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো মন্ত্রণালয় নির্দেশিত ৭টি বিষয়ের মধ্যে কী- কী ব্যবস্থা নিয়েছে তার দফাওয়ারি জবাব দেবে। ১০ দিন কার্যদিবসের মধ্যে এই জবাব অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্দেশিত ৭ দফা দফা নির্দেশনা হলো- ১. জাল সনদধারী শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও বন্ধ এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে চাকরিচ্যুত করা ২. অবৈধভাবে গ্রহণকৃত বেতন ভাতা সরকারি কোষাগারে ফেরৎ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ ৩. যারা অবসরে গেছেন তাদের অবসরের সুবিধা প্রাপ্তি বাতিল করা ৪. যারা স্বেচ্ছায় অবসর নিয়েছেন তাদের আপত্তির টাকা অধ্যক্ষ-প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে আদায় করা ৫. বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জাল সনদধারী শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ভাতা-কল্যাণ ট্রাস্টের ভাতা বন্ধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জাল সনদধারীদের তালিকা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো। ৬. জাল সনদধারীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক ফৌজদারি অপরাধের মামলা দায়ের ৭. জাল সনদধারীদের নিয়োগ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ।

দীর্ঘদিন চাকরির সুবাদে এসব শিক্ষক জাল সনদে সরকার থেকে প্রায় ১৫ কোটি টাকা বেতন বাবদ উত্তোলন করেছেন। তদন্ত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই অর্থ শিক্ষকদের সরকারি কোষাগারে ফিরিয়ে দিতে হবে।

এর আগে গত ১৮ মে জাল সনদে দীর্ঘ বছর শিক্ষক-কর্মচারী পদে চাকরি করছেন, এমন ৬৭৮ জন শিক্ষককে শনাক্ত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাদের বেতন-ভাতা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়ে মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি পাঠিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে (মাউশি) বলা হয়, এতদিন যে টাকা বেতন ভাতা হিসেবে তারা গ্রহণ করেছেন, তা ফেরত আনার ব্যবস্থা করতে হবে। কিন্তু জাল সনদধারী এসব শিক্ষককে চাকরিচ্যুত ও এমপিও বন্ধের নির্দেশ দেওয়ার এক মাস পরও ওই শিক্ষকদের বেতন ও উৎসবভাতা বাবদ তাদের অনুকূলে কয়েক কোটি টাকা ছাড় করেছিল মাউশি। তবে শেষ পর্যন্ত ২০২ জনের শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল মাউশি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দেশে বর্তমানে এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় ৩৪ হাজার। এর মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২০ হাজার ৩১৬টি, কলেজ ২ হাজার ৬৬৪টি, মাদ্রাসা ৯ হাজার ২৯২টি এবং ২ হাজারের মতো কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার জন্য ২০০৫ সাল থেকে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক ‘শিক্ষক নিবন্ধন সনদ’ বাধ্যতামূলক করা হয়। বতর্মানে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন প্রায় ৪ লাখ শিক্ষক ও ১ লাখ কর্মচারী, যারা সরকারি বেতন- ভাতা পেয়ে থাকেন।

শিক্ষা পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের ২৯ জন, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ১০ জন, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১০০ জন এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ১৭ জন শিক্ষকের সনদ জাল। এর বেশির ভাগই এনটিআরসিএ এবং কম্পিউটারের জাল সনদ দিয়ে এমপিও নিয়েছেন। স্কুল-কলেজের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাল সনদে শিক্ষকদের চাকরি করার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সম্প্রতি পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) তৎপরতায় নিয়মিতই শিক্ষকদের জাল সনদ পাওয়ার ঘটনা ঘটছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সনদ, এনটিআরসিএর সনদ ও কম্পিউটার সনদ জাল করে শিক্ষকরা দীর্ঘদিন এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে সরকারি অর্থ ভোগ করছেন তারা।