বন্যার প্রভাব নেই ঢাকার সবজির বাজারে

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৪:৩৪ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০২৪
  • ৭২৮ বার পড়া হয়েছে

আবহাওয়া গুমোট। তাই ছুটির দিনে রাজধানীর সবজির বাজারে আড়মোড়া ভাঙলো কিছুটা দেরিতে। ক্রেতাদের আনাগোনা তুলনামূলক কম। তবে রাতে পর্যাপ্ত ট্রাক আসায় কারওয়ান বাজারে সবজির যোগানে তেমন প্রভাব নেই।

জানা গেলো, যেসব এলাকায় বন্যা হচ্ছে, সেখান থেকে ঢাকায় সবজি আসে খুব কম। তাই বেশিরভাগ পণ্য বিকোচ্ছে আগের দরেই। তবে হুট করে ১শ’ টাকা ছাড়িয়েছে বেগুনের কেজি। ঝাঁজ বেড়েছে কাঁচামরিচের দামে। এ নিয়ে ব্যবসায়ীরা বললেন, বাজারে বন্যার প্রভাব না থাকলেও টানা বৃষ্টির ধাক্কা আছে।

এই টানা বৃষ্টিতে সবজির উৎপাদন নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক। আগে থেকেই বেড়েছে উৎপাদন ব্যয়। ফলে গ্রীষ্মকালীন সবজি আবাদের পর মুনাফা হবে কি না, তা ভেবেই দিশেহারা চাষীরা। চাঁদাবাজি নিয়ে পর্যবেক্ষণ আছে তাদেরও।

চাষীরা বলছেন, বন্যা আক্রান্ত এলাকায় পানি নেমে যাবার পর দ্রুত প্রণোদনা দিলে সহসাই ঘুরে দাঁড়াতে পারবে কৃষক।

এদিকে, দেশের উত্তরে সবজির সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার মহাস্থান হাটে গত ৭ দিনে সবজির সরবরাহ কমেছে। ফলে পাইকারি হিসাবে বেশিরভাগ পণ্যের দর দাঁড়াচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। তবে ব্যবসায়ীরা জানালেন, চাঁদাবাজি নিয়ে স্বস্তি ফিরেছে। কমেছে পরিবহন খরচও।

সপ্তাহের ব্যবধানে ঢাকার বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৬৫ থেকে ১৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারগুলোতে সোনালি মুরগিও ২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সোনালি হাইব্রিড ২০০ টাকা, দেশি মুরগি ৫০০ টাকা, লেয়ার লাল মুরগি ২৯০ টাকা ও সাদা লেয়ার ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া, গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৬৫০ থেকে ৭৮০ টাকা, খাসির মাংস প্রতি কেজি ১ হাজার ১৫০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বন্যার প্রভাব নেই ঢাকার সবজির বাজারে

আপডেট সময় : ০৩:৪৪:৩৪ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০২৪

আবহাওয়া গুমোট। তাই ছুটির দিনে রাজধানীর সবজির বাজারে আড়মোড়া ভাঙলো কিছুটা দেরিতে। ক্রেতাদের আনাগোনা তুলনামূলক কম। তবে রাতে পর্যাপ্ত ট্রাক আসায় কারওয়ান বাজারে সবজির যোগানে তেমন প্রভাব নেই।

জানা গেলো, যেসব এলাকায় বন্যা হচ্ছে, সেখান থেকে ঢাকায় সবজি আসে খুব কম। তাই বেশিরভাগ পণ্য বিকোচ্ছে আগের দরেই। তবে হুট করে ১শ’ টাকা ছাড়িয়েছে বেগুনের কেজি। ঝাঁজ বেড়েছে কাঁচামরিচের দামে। এ নিয়ে ব্যবসায়ীরা বললেন, বাজারে বন্যার প্রভাব না থাকলেও টানা বৃষ্টির ধাক্কা আছে।

এই টানা বৃষ্টিতে সবজির উৎপাদন নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক। আগে থেকেই বেড়েছে উৎপাদন ব্যয়। ফলে গ্রীষ্মকালীন সবজি আবাদের পর মুনাফা হবে কি না, তা ভেবেই দিশেহারা চাষীরা। চাঁদাবাজি নিয়ে পর্যবেক্ষণ আছে তাদেরও।

চাষীরা বলছেন, বন্যা আক্রান্ত এলাকায় পানি নেমে যাবার পর দ্রুত প্রণোদনা দিলে সহসাই ঘুরে দাঁড়াতে পারবে কৃষক।

এদিকে, দেশের উত্তরে সবজির সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার মহাস্থান হাটে গত ৭ দিনে সবজির সরবরাহ কমেছে। ফলে পাইকারি হিসাবে বেশিরভাগ পণ্যের দর দাঁড়াচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। তবে ব্যবসায়ীরা জানালেন, চাঁদাবাজি নিয়ে স্বস্তি ফিরেছে। কমেছে পরিবহন খরচও।

সপ্তাহের ব্যবধানে ঢাকার বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৬৫ থেকে ১৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারগুলোতে সোনালি মুরগিও ২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সোনালি হাইব্রিড ২০০ টাকা, দেশি মুরগি ৫০০ টাকা, লেয়ার লাল মুরগি ২৯০ টাকা ও সাদা লেয়ার ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া, গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৬৫০ থেকে ৭৮০ টাকা, খাসির মাংস প্রতি কেজি ১ হাজার ১৫০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।