মঙ্গলবার | ২০ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo শহিদ জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে খুবি এনটিএ ও ইউট্যাবের দোয়া Logo এবারের ভোটে রাজনৈতিক দলগুলো যদি লাইনের বাইরে চলে যায়, তাহলে তাদের চড়া মাশুল গুনতে হবে-সাতক্ষীরায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা Logo খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করলেন উপ-উপাচার্য Logo আজ শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী Logo জিয়াউর রহমান : এক সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ও জাতি গঠনের কারিগর Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে  বিএনপি জামায়াত ভোটের  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া  জাপা Logo ‘বাঁধন’ মওলানা ভাসানী হল ইউনিটের ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা

নান্দাইলে মুক্তিযোদ্ধার কবর ভাংচুর ঘটনার ১২দিন পার হলেও আসামীরা অধরা !

  • আপডেট সময় : ১০:৫৬:১১ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ১১ জুন ২০১৮
  • ৭৮৮ বার পড়া হয়েছে

 

নান্দাইল প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের নান্দাইলে মরহুম সেনা সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদেরের কবরের টাইলস ভাংচুর ও পরিবারের সদস্যদের উপর হামলার ঘটনার ১২ দিন পার হলেও মামলার আসামীরা অধরা রয়েছে। এনিয়ে নান্দাইল উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সদস্যদের মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। রোববার (১০ই জুন) নান্দাইল উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমিটির সভাপতি মো. শাহ আলম ভূইয়া, সহ-সভাপতি ঝরুন পাল, সাধারন সম্পাদক কাদের ভূইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, চন্ডীপাশা ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমিটির আহ্বায়ক ফারুক, সাধারন সম্পাদক কামরুল সহ ১৫ জনের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সান্তনা প্রদান করেন। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কমিটির সদস্যরা জানান, মুক্তিযোদ্ধার ইতিহাস ও চেতনাকে মুছে ফেলতে মুক্তিযোদ্ধার কবর ভাংচুর করে মুক্তিযোদ্ধাকে যে অবমাননা করা হয়েছে তার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন জানিয়ে অবিলম্বে আসামীদের গ্রেফতার সহ তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন। পরে মুক্তিযোদ্ধা মরহুম সেনা সদস্য আব্দুল কাদেরের জন্য বিশেষ মোনজাত করা হয়। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৩০শে মে) রাতে মরহুম সেনা সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদেরের কবরের টাইলস ভাংচুর সহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের মারধর করে একই গ্রামের জালাল উদ্দিনের পুত্র জহিুরুল ইসলাম ও তাজুল ইসলাম গং। তারা স্থানীয়ভাবে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত বলে জানাগেছে। উক্ত হামলার ঘটনায় মৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মো. শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে জালাল উদ্দিন, জহিরুল ইসলাম, তাজুল ইসলাম নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত ৪/৫জনের নামে নান্দাইল মডেল থানায় বৃহস্পতিবার একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। এলাকার ইউপি সদস্য মো. বাবলু মিয়া ও এলাকাবাসী জানান, “হামলাকারী জালাল উদ্দিনের ছেলেরা এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, মাদক ও মোটর সাইকেল চোরাকারবারীর সাথে জড়িত।” বিবাদীদের বাড়িতে তাদের না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি তবে মহিলারা বলেন, কবরের জায়গায় তাদের অংশ রয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

শহিদ জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে খুবি এনটিএ ও ইউট্যাবের দোয়া

নান্দাইলে মুক্তিযোদ্ধার কবর ভাংচুর ঘটনার ১২দিন পার হলেও আসামীরা অধরা !

আপডেট সময় : ১০:৫৬:১১ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ১১ জুন ২০১৮

 

নান্দাইল প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের নান্দাইলে মরহুম সেনা সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদেরের কবরের টাইলস ভাংচুর ও পরিবারের সদস্যদের উপর হামলার ঘটনার ১২ দিন পার হলেও মামলার আসামীরা অধরা রয়েছে। এনিয়ে নান্দাইল উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সদস্যদের মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। রোববার (১০ই জুন) নান্দাইল উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমিটির সভাপতি মো. শাহ আলম ভূইয়া, সহ-সভাপতি ঝরুন পাল, সাধারন সম্পাদক কাদের ভূইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, চন্ডীপাশা ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমিটির আহ্বায়ক ফারুক, সাধারন সম্পাদক কামরুল সহ ১৫ জনের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সান্তনা প্রদান করেন। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কমিটির সদস্যরা জানান, মুক্তিযোদ্ধার ইতিহাস ও চেতনাকে মুছে ফেলতে মুক্তিযোদ্ধার কবর ভাংচুর করে মুক্তিযোদ্ধাকে যে অবমাননা করা হয়েছে তার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন জানিয়ে অবিলম্বে আসামীদের গ্রেফতার সহ তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন। পরে মুক্তিযোদ্ধা মরহুম সেনা সদস্য আব্দুল কাদেরের জন্য বিশেষ মোনজাত করা হয়। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৩০শে মে) রাতে মরহুম সেনা সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদেরের কবরের টাইলস ভাংচুর সহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের মারধর করে একই গ্রামের জালাল উদ্দিনের পুত্র জহিুরুল ইসলাম ও তাজুল ইসলাম গং। তারা স্থানীয়ভাবে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত বলে জানাগেছে। উক্ত হামলার ঘটনায় মৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মো. শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে জালাল উদ্দিন, জহিরুল ইসলাম, তাজুল ইসলাম নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত ৪/৫জনের নামে নান্দাইল মডেল থানায় বৃহস্পতিবার একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। এলাকার ইউপি সদস্য মো. বাবলু মিয়া ও এলাকাবাসী জানান, “হামলাকারী জালাল উদ্দিনের ছেলেরা এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, মাদক ও মোটর সাইকেল চোরাকারবারীর সাথে জড়িত।” বিবাদীদের বাড়িতে তাদের না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি তবে মহিলারা বলেন, কবরের জায়গায় তাদের অংশ রয়েছে।