শুক্রবার | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo বনাঞ্চলে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ: সুন্দরবন-এ এক জেলে আটক Logo নারী শক্তির জয়গান: বিজয়ী নারী উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোক্তা সম্মাননা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo কয়রায় অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি, ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা Logo জাবির নেত্রকোনা জেলা সমিতির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo রমজানে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কয়রা বাজার তদারকি Logo খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উদ্যোক্তা সম্মাননা প্রদান, সাংবাদিক ও সুধীজনদের সম্মানে ইফতার স্বপ্ন, সাহস ও সাফল্যের ছয় বছরে বিজয়ী নারী উন্নয়ন সংস্থার গৌরবময় ইতিহাস Logo পলাশবাড়ীতে ভুয়া মালিক সাজিয়ে ভূমি অধিগ্রহণের ১৮ লাখ উত্তোলনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন  Logo রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

যে ব্যাক্তি বর্জ্য কুড়িয়ে লাখপতি !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০১:২৪:৪৪ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১২ জুলাই ২০১৭
  • ৭৭৬ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

২৩ বছর আগে জীবনটা এত সহজ ছিল না জয়প্রকাশ চৌধুরীর। যিনি নিজেকে শান্তু হিসেবে পরিচয় দিতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। বিহারের মুঙ্গের থেকে দিল্লিতে এসেছিলেন তখন। আবর্জনা কুড়িয়ে দিনে তার আয় হতো ১৫০ রুপি। ২৩ বছরে পরে জয়প্রকাশের আয় শুনলে ভ্রু কুঁচকে যেতে বাধ্য। কারণ মাসে ১১ লাখ রুপি আয় তো চাট্টিখানি কথা নয়।

৪০ বছরের জয়প্রকাশ চৌধুরীর কর্মজীবন শুরু হয়েছিল ফলের দোকানে সহকারী হিসেবে। তখন ২০ রুপি করে দৈনিক পেতেন। এখন তার অধীনে থাকা দুইটি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রে এখন ১৬০ জন কাজ করেন। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে জয়প্রকাশ চৌধুরী বক্তৃতা দিয়েছেন কোপেনহেগেন, লুক্সেমবার্গ ও ব্রাজিলে। সেখানে তিনি নিজের জীবনেরও গল্প শুনিয়েছেন।

জয়প্রকাশ চৌধুরী বলেন, আমার শিক্ষকেরা মনে করেন পরিবেশের জন্য আমি যা করেছি তা শিক্ষিত লোকেরাও করতে পারেনি। অথচ তারাই আমার কাজকে তাচ্ছিল্যের সঙ্গে দেখেছে।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বনাঞ্চলে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ: সুন্দরবন-এ এক জেলে আটক

যে ব্যাক্তি বর্জ্য কুড়িয়ে লাখপতি !

আপডেট সময় : ০১:২৪:৪৪ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১২ জুলাই ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

২৩ বছর আগে জীবনটা এত সহজ ছিল না জয়প্রকাশ চৌধুরীর। যিনি নিজেকে শান্তু হিসেবে পরিচয় দিতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। বিহারের মুঙ্গের থেকে দিল্লিতে এসেছিলেন তখন। আবর্জনা কুড়িয়ে দিনে তার আয় হতো ১৫০ রুপি। ২৩ বছরে পরে জয়প্রকাশের আয় শুনলে ভ্রু কুঁচকে যেতে বাধ্য। কারণ মাসে ১১ লাখ রুপি আয় তো চাট্টিখানি কথা নয়।

৪০ বছরের জয়প্রকাশ চৌধুরীর কর্মজীবন শুরু হয়েছিল ফলের দোকানে সহকারী হিসেবে। তখন ২০ রুপি করে দৈনিক পেতেন। এখন তার অধীনে থাকা দুইটি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রে এখন ১৬০ জন কাজ করেন। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে জয়প্রকাশ চৌধুরী বক্তৃতা দিয়েছেন কোপেনহেগেন, লুক্সেমবার্গ ও ব্রাজিলে। সেখানে তিনি নিজের জীবনেরও গল্প শুনিয়েছেন।

জয়প্রকাশ চৌধুরী বলেন, আমার শিক্ষকেরা মনে করেন পরিবেশের জন্য আমি যা করেছি তা শিক্ষিত লোকেরাও করতে পারেনি। অথচ তারাই আমার কাজকে তাচ্ছিল্যের সঙ্গে দেখেছে।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া