রবিবার | ৩০ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা Logo খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo টেকনাফে বিজিবির অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন সন্ত্রাসী আটক Logo মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর আটক: Logo সাতক্ষীরা-০২ এ ধানের শীষের জয়ে নতুন অধ্যায়—বিএনপির একতাবদ্ধ ঘোষণা Logo বুটেক্স অ্যালামনাই ইউএসএ-এর আত্মপ্রকাশ: যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের মিলনমেলা ও কমিটি গঠন Logo বুটেক্সের প্রথম সমাবর্তন আগামী ২৭ ডিসেম্বর Logo রাবিতে ইলা মিত্রকে নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo নোবিপ্রবিতে গবেষণা, বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ

মাশরুমের উপকারিতাগুলো !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০২:০২:৪২ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২০ জুন ২০১৭
  • ৭৭৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

মাশরুম খেতে খুব ভালোবাসেন? প্রায়ই দোকান থেকে মাশরুম কিনে এনে খান? তাহলে জেনে নিন মাশরুমের উপকারিতাগুলো কী কী..

১) মাশরুমে খুব কম পরিমানে কোলেস্টেরল , ফ্যাট এবং কার্বোহাইড্রেট রয়েছে। মাশরুমে যে ফাইবার থাকে, তা আমাদের শীররে কোলেস্টেরলের মাত্র কম রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া, যে কোলেস্টেরল হজম হয়ে যায়, তা ক্ষয় করতেও সাহায্য করে।

২) অ্যানিমিয়ার রোগীদের রক্তে আয়রনের পরিমান খুব কুমে যায়। এর ফলে মানসিক অবসাদ , মাথার যন্ত্রণা এবং হজমের সমস্যা দেখা দেয়। মাশরুমে প্রচুর পরিমানে আয়রন থাকে। যা অ্যানিমিয়ার সমস্যা দূর করে।
৩) স্তন ক্যানসার এবং প্রস্টেট ক্যানসার প্রতিরোধ করতে মাশরুমের কোনও তুলনাই নেই।
৪) প্রোটিন, ভিটামিন এবং মিনারেলে ভরপুর মাশরুম ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। এতে প্রচুর পরিমানে জল এবং ফাইবার থাকে।
৫) প্রচুর পরিমানে ক্যালশিয়াম থাকার জন্য মাশরুম আমাদের হাড়ের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। গাঁটের ব্যথা কমাতে এবং হাড়ের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করতে মাশরুমের জুড়ি মেলা ভার।
৬) সব্জিতে ভিটামিন ডি পাওয়া এখন খুবই দুষ্কর। মাশরুমে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ডি রয়েছে। তাই শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণে যখনই সময় পাবেন, মাশরুম খাবেন।
৭) আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় মাশরুম।
৮) রক্তচাপের ভারসাম্য বজায় রেখে হার্ট অ্যাটাক , স্ট্রোক প্রভৃতি প্রতিরোধ করে মাশরুম।
৯) ওজন কমিয়ে পেশীবহুল শরীর তৈরি করতে সাহায্য করে মাশরুম।
তবে মাশরুম কেনার আগে কয়েকটা জিনিস অবশ্যই মাথায় রাখবেন। সব মাশরুম ভোজ্য বা খাবার উপযোগী নয়।  প্রকৃতিতে বহু রকমের মাশরুম জন্মে। তার মধ্যে মাত্র ৩৫ রকমের মাশরুম পুষ্টিকর এবং খাবার যোগ্য।
তাছাড়া তাজা মাশরুম ২৪ ঘন্টার বেশি টাটকা থাকে না, ফ্রিজে রাখলেও সর্বোচ্চ ৭২ ঘন্টা বা ৩ দিন, এর মধেই খেয়ে ফেলতে হবে। প্রথম দিনেই খাওয়া সবচেয়ে ভাল। বাজারে কৌটায় ভরা যে সব মাশরুম পাওয়া যায়, সেগুলো সাইট্রিক্ এসিড এবং লবনের সংমিশ্রনে প্রসেস করা তাই এগুলো তুলনামুলক ঠান্ডা জায়গা বা ফ্রিজে অনেকদিন রাখা যায়।  যদি আপনি ভালো করে না জানেন যে, কোন মাশরুম খাওয়ার উপযোগী আর কোনটা নয়, তাহলে কিনবেন না।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা

মাশরুমের উপকারিতাগুলো !

আপডেট সময় : ০২:০২:৪২ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২০ জুন ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

মাশরুম খেতে খুব ভালোবাসেন? প্রায়ই দোকান থেকে মাশরুম কিনে এনে খান? তাহলে জেনে নিন মাশরুমের উপকারিতাগুলো কী কী..

১) মাশরুমে খুব কম পরিমানে কোলেস্টেরল , ফ্যাট এবং কার্বোহাইড্রেট রয়েছে। মাশরুমে যে ফাইবার থাকে, তা আমাদের শীররে কোলেস্টেরলের মাত্র কম রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া, যে কোলেস্টেরল হজম হয়ে যায়, তা ক্ষয় করতেও সাহায্য করে।

২) অ্যানিমিয়ার রোগীদের রক্তে আয়রনের পরিমান খুব কুমে যায়। এর ফলে মানসিক অবসাদ , মাথার যন্ত্রণা এবং হজমের সমস্যা দেখা দেয়। মাশরুমে প্রচুর পরিমানে আয়রন থাকে। যা অ্যানিমিয়ার সমস্যা দূর করে।
৩) স্তন ক্যানসার এবং প্রস্টেট ক্যানসার প্রতিরোধ করতে মাশরুমের কোনও তুলনাই নেই।
৪) প্রোটিন, ভিটামিন এবং মিনারেলে ভরপুর মাশরুম ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। এতে প্রচুর পরিমানে জল এবং ফাইবার থাকে।
৫) প্রচুর পরিমানে ক্যালশিয়াম থাকার জন্য মাশরুম আমাদের হাড়ের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। গাঁটের ব্যথা কমাতে এবং হাড়ের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করতে মাশরুমের জুড়ি মেলা ভার।
৬) সব্জিতে ভিটামিন ডি পাওয়া এখন খুবই দুষ্কর। মাশরুমে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ডি রয়েছে। তাই শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণে যখনই সময় পাবেন, মাশরুম খাবেন।
৭) আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় মাশরুম।
৮) রক্তচাপের ভারসাম্য বজায় রেখে হার্ট অ্যাটাক , স্ট্রোক প্রভৃতি প্রতিরোধ করে মাশরুম।
৯) ওজন কমিয়ে পেশীবহুল শরীর তৈরি করতে সাহায্য করে মাশরুম।
তবে মাশরুম কেনার আগে কয়েকটা জিনিস অবশ্যই মাথায় রাখবেন। সব মাশরুম ভোজ্য বা খাবার উপযোগী নয়।  প্রকৃতিতে বহু রকমের মাশরুম জন্মে। তার মধ্যে মাত্র ৩৫ রকমের মাশরুম পুষ্টিকর এবং খাবার যোগ্য।
তাছাড়া তাজা মাশরুম ২৪ ঘন্টার বেশি টাটকা থাকে না, ফ্রিজে রাখলেও সর্বোচ্চ ৭২ ঘন্টা বা ৩ দিন, এর মধেই খেয়ে ফেলতে হবে। প্রথম দিনেই খাওয়া সবচেয়ে ভাল। বাজারে কৌটায় ভরা যে সব মাশরুম পাওয়া যায়, সেগুলো সাইট্রিক্ এসিড এবং লবনের সংমিশ্রনে প্রসেস করা তাই এগুলো তুলনামুলক ঠান্ডা জায়গা বা ফ্রিজে অনেকদিন রাখা যায়।  যদি আপনি ভালো করে না জানেন যে, কোন মাশরুম খাওয়ার উপযোগী আর কোনটা নয়, তাহলে কিনবেন না।