শনিবার | ২৯ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা Logo খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo টেকনাফে বিজিবির অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন সন্ত্রাসী আটক Logo মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর আটক: Logo সাতক্ষীরা-০২ এ ধানের শীষের জয়ে নতুন অধ্যায়—বিএনপির একতাবদ্ধ ঘোষণা Logo বুটেক্স অ্যালামনাই ইউএসএ-এর আত্মপ্রকাশ: যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের মিলনমেলা ও কমিটি গঠন Logo বুটেক্সের প্রথম সমাবর্তন আগামী ২৭ ডিসেম্বর Logo রাবিতে ইলা মিত্রকে নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo নোবিপ্রবিতে গবেষণা, বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ

রমজানে বুক জ্বালাপোড়া ?

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০২:৪১:৫৬ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১২ জুন ২০১৭
  • ৭৭৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

যাদের পেপটিক আলসার বা গ্যাস্ট্রিক আছে বা যারা বুক জ্বালাপোড়ায় ভুগছেন তারা কি রোজা রাখতে পারবেন? দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার ফলে পেপটিক আলসারজনিত জটিলতা কি বেড়ে যেতে পারে?

সাধারণত অভুক্ত অবস্থায় পাকস্থলীতে অ্যাসিড এবং পেপটিক রস কম নিঃসৃত হয়, কিন্তু খাবারের গন্ধ বা খাদ্যচিন্তা এগুলোর নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়। রমজান মাসে খাদ্য গ্রহণের সময়সূচির আকস্মিক পরিবর্তন, ঘুমের ব্যাঘাত, পানি না খাওয়া ও অতিরিক্ত তেল মসলাযুক্ত খাবার আপনার বুক জ্বালাপোড়া বাড়িয়ে দিতে পারে। এ থেকে আপনাকে বাঁচাতে পারে খানিকটা বাড়তি সচেতনতা।

* ধূমপান, অ্যালকোহল পরিত্যাগ করার এটাই শ্রেষ্ঠ সময়।

* আঁশযুক্ত শর্করা যেমন লাল আটা, ঢেঁকি ছাঁটা চাল, শাকসবজি খান, তবে সঙ্গে প্রচুর পানি খাবেন নতুবা অন্ত্রে বায়ু তৈরির পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।

* চিড়া, দই, ছোলা, আলু উপকারী।

* চর্বিবিহীন মাংস উপকারী।

* ডুব তেলে ভাজা যে কোনো খাবার আপনার বিপদ ডেকে আনতে পারে।

* ইফতার ও সেহরিতে ফল খাবেন। বিশেষ করে কলা ও খেজুর অত্যন্ত উপকারী। তবে ফলের রস বুক জ্বালাপোড়া বাড়িয়ে দিতে পারে।

* পানিশূন্যতা এড়াতে ইফতার থেকে রাতে শোয়ার আগ পর্যন্ত ১০-১২ গ্লাস ও সেহরিতে দু-তিন গ্লাস পানি পান করুন। পাশাপাশি বিভিন্ন শরবত খেতে পারেন। চা-কফি প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়িয়ে পানিশূন্যতা তৈরি করতে পারে। তাই এগুলো কম পান করুন, বিশেষ করে সেহরিতে তো নয়ই।

* কোনো খাবার একসঙ্গে বেশি খাবেন না। সেহরির পরিমাণ হবে আপনার দুপুরের খাবারের পরিমাণ, রাতের খাবারের পরিমাণ একই থাকবে। ইফতার বা সেহরি খেয়ে সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়বেন না বা ব্যায়াম করবেন না।

* ওজন যেন না বেড়ে যায়।

* যারা আগে থেকেই পেপটিক আলসারে ভুগছেন তারা পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা অব্যাহত রাখুন। বিশেষ করে সেহরিতে অবশ্যই অ্যান্টি-আলসার ওষুধ খাবেন।

* ব্যথার ওষুধ এড়িয়ে চলুন।

ওপরের নিয়মগুলো সঠিকভাবে মেনে চললে বুক জ্বালাপোড়া এবং আলসার নিয়ন্ত্রণে রেখে নির্বিঘ্নে রোজা রাখুন। ভালো থাকুন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা

রমজানে বুক জ্বালাপোড়া ?

আপডেট সময় : ০২:৪১:৫৬ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১২ জুন ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

যাদের পেপটিক আলসার বা গ্যাস্ট্রিক আছে বা যারা বুক জ্বালাপোড়ায় ভুগছেন তারা কি রোজা রাখতে পারবেন? দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার ফলে পেপটিক আলসারজনিত জটিলতা কি বেড়ে যেতে পারে?

সাধারণত অভুক্ত অবস্থায় পাকস্থলীতে অ্যাসিড এবং পেপটিক রস কম নিঃসৃত হয়, কিন্তু খাবারের গন্ধ বা খাদ্যচিন্তা এগুলোর নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়। রমজান মাসে খাদ্য গ্রহণের সময়সূচির আকস্মিক পরিবর্তন, ঘুমের ব্যাঘাত, পানি না খাওয়া ও অতিরিক্ত তেল মসলাযুক্ত খাবার আপনার বুক জ্বালাপোড়া বাড়িয়ে দিতে পারে। এ থেকে আপনাকে বাঁচাতে পারে খানিকটা বাড়তি সচেতনতা।

* ধূমপান, অ্যালকোহল পরিত্যাগ করার এটাই শ্রেষ্ঠ সময়।

* আঁশযুক্ত শর্করা যেমন লাল আটা, ঢেঁকি ছাঁটা চাল, শাকসবজি খান, তবে সঙ্গে প্রচুর পানি খাবেন নতুবা অন্ত্রে বায়ু তৈরির পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।

* চিড়া, দই, ছোলা, আলু উপকারী।

* চর্বিবিহীন মাংস উপকারী।

* ডুব তেলে ভাজা যে কোনো খাবার আপনার বিপদ ডেকে আনতে পারে।

* ইফতার ও সেহরিতে ফল খাবেন। বিশেষ করে কলা ও খেজুর অত্যন্ত উপকারী। তবে ফলের রস বুক জ্বালাপোড়া বাড়িয়ে দিতে পারে।

* পানিশূন্যতা এড়াতে ইফতার থেকে রাতে শোয়ার আগ পর্যন্ত ১০-১২ গ্লাস ও সেহরিতে দু-তিন গ্লাস পানি পান করুন। পাশাপাশি বিভিন্ন শরবত খেতে পারেন। চা-কফি প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়িয়ে পানিশূন্যতা তৈরি করতে পারে। তাই এগুলো কম পান করুন, বিশেষ করে সেহরিতে তো নয়ই।

* কোনো খাবার একসঙ্গে বেশি খাবেন না। সেহরির পরিমাণ হবে আপনার দুপুরের খাবারের পরিমাণ, রাতের খাবারের পরিমাণ একই থাকবে। ইফতার বা সেহরি খেয়ে সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়বেন না বা ব্যায়াম করবেন না।

* ওজন যেন না বেড়ে যায়।

* যারা আগে থেকেই পেপটিক আলসারে ভুগছেন তারা পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা অব্যাহত রাখুন। বিশেষ করে সেহরিতে অবশ্যই অ্যান্টি-আলসার ওষুধ খাবেন।

* ব্যথার ওষুধ এড়িয়ে চলুন।

ওপরের নিয়মগুলো সঠিকভাবে মেনে চললে বুক জ্বালাপোড়া এবং আলসার নিয়ন্ত্রণে রেখে নির্বিঘ্নে রোজা রাখুন। ভালো থাকুন।