প্রক্রিয়াজাত মাংসে বাড়তে পারে ‘হাঁপানি’

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৬:২৮:১৯ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০১৬
  • ৭৮৮ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

প্রক্রিয়াজাত মাংস খাওয়ায় হাঁপানি উপসর্গ মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। সপ্তাহে চারদিন প্রক্রিয়াজাত মাংস খাওয়াও বিপদজনক।

সম্প্রতি গবেষণা বিষয়ক জার্নাল টোরেক্সে এ বিষয়ক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। গবেষণায় ফ্রান্সের এক হাজার লোক অংশ নেয়।

গবেষকদের মতে, এই গোশত খাওয়ার ফলে আমাদের শ্বাসনালীতে প্রকোপ বেড়ে যায়। কারণ এই সব গোশত দীর্ঘদিন সংরক্ষণে নাইট্রাইট নামক যে প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয় তা শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এর প্রভাবেই আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা হয়।

তবে বিষয়টি নিয়ে আরও গবেষণার দরকার বলে মন্তব্য করেছেন গবেষকরা। তাদের মতে, সপ্তাহে একই ধরনের খাবার বেশি খাওয়ার চেয়ে সুস্থ থাকতে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ করা উচিৎ।

গবেষকরা প্রক্রিয়াজাত গোশত অধিকহারে গ্রহণে ক্যান্সারের মতো মরণরোগে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়ে অনেক আগেই মন্তব্য করেছেন।

এবার শ্বাসকষ্ট থেকে বাঁচতেও প্রক্রিয়াজাত গোশত থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।

ট্যাগস :

প্রক্রিয়াজাত মাংসে বাড়তে পারে ‘হাঁপানি’

আপডেট সময় : ০৬:২৮:১৯ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০১৬

নিউজ ডেস্ক:

প্রক্রিয়াজাত মাংস খাওয়ায় হাঁপানি উপসর্গ মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। সপ্তাহে চারদিন প্রক্রিয়াজাত মাংস খাওয়াও বিপদজনক।

সম্প্রতি গবেষণা বিষয়ক জার্নাল টোরেক্সে এ বিষয়ক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। গবেষণায় ফ্রান্সের এক হাজার লোক অংশ নেয়।

গবেষকদের মতে, এই গোশত খাওয়ার ফলে আমাদের শ্বাসনালীতে প্রকোপ বেড়ে যায়। কারণ এই সব গোশত দীর্ঘদিন সংরক্ষণে নাইট্রাইট নামক যে প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয় তা শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এর প্রভাবেই আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা হয়।

তবে বিষয়টি নিয়ে আরও গবেষণার দরকার বলে মন্তব্য করেছেন গবেষকরা। তাদের মতে, সপ্তাহে একই ধরনের খাবার বেশি খাওয়ার চেয়ে সুস্থ থাকতে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ করা উচিৎ।

গবেষকরা প্রক্রিয়াজাত গোশত অধিকহারে গ্রহণে ক্যান্সারের মতো মরণরোগে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়ে অনেক আগেই মন্তব্য করেছেন।

এবার শ্বাসকষ্ট থেকে বাঁচতেও প্রক্রিয়াজাত গোশত থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।