শনিবার | ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo জোট-মহাজোটের বাইরে ইসলামের একক শক্তি হাতপাখা -হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান Logo চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাহাপুর গ্রামে নবনির্মিত একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা চলছে, উপস্থিত রয়েছেন তারেক রহমান Logo চাঁদপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক যৌথ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo শহীদ হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে উত্তাল Logo কচুয়ায় কাদিরখিল সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের মাদকবিরোধী ও উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা Logo সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার যমুনা টিভির সাতক্ষীরা প্রতিনিধি Logo পথিকৃৎ শিল্পীদের শিল্পকর্ম সংরক্ষণ করা প্রয়োজন : খুবি উপাচার্য Logo ছন্দে ফিরছে ঝিনাইদহ জেলা, একযুগ পর ঝিনাইদহ পেল সফল জেলা প্রশাসক একের পর এক ঝিনাইদহ শহর দখলমুক্ত করছেন জেলা প্রশাসক, আমজনতার অভিনন্দন Logo ইবিতে বিএনপিপন্থী শিক্ষককে ঘিরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শাখা ছাত্রদলের

জঙ্গিদের বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ মার্টিন পাঁচ দিনের রিমান্ডে !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১১:৩৭:২২ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৭
  • ৭৭০ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

রাজধানীর উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া নব্য জেএমবির বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক মুশফিকুর রহমান ওরফে মুশফিক মার্টিন জেনীর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল বুধবার শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর হাকিম এ এইচ এম তোহা রিমান্ডের আদেশ দেন। বিকেলে মার্টিনকে আদালতে হাজির করে বাড্ডা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন র‌্যাবের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন।

বুধবার সকালে ঢাকার উত্তরা থেকে মুশফিকুর রহমান ওরফে মুশফিক মার্টিন জেনীকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১০। গ্রেপ্তারের পর র‌্যাব জানায়, মার্টিন জঙ্গিদের ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস তৈরি, তৈরির প্রশিক্ষণ ও তাদের কাছে সরবরহ করতেন। তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে তার প্রচুর জ্ঞান ছিল। এ জ্ঞান তিনি জঙ্গিবাদে কাজে লাগাতেন।

জানা যায়, মার্টিন বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসসি) বিভাগের ২০০৫ সালের ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন তিনি জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হন। সহপাঠী ওয়ালী জামান ও আনোয়ারের মাধ্যমে তিনি জঙ্গিবাদে যুক্ত হন। ওয়ালী জামান ও আনোয়ার গত ২০ মার্চ বাড্ডা থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন।

জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ার কারণে মার্টিন স্নাতক শেষ করতে পারেননি। মার্টিনের বাবা ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম নামকরা প্রকৌশলী ছিলেন। তারা দুই ভাই ও এক বোন। তাদের বাড়ি কুমিল্লার বুড়িচং থানার নিমসারে। ঢাকায় উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরের ১/এ রোডের ৮ নম্বর বাসায় তারা থাকতেন।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান ভূইয়া জানান, মার্টিন নব্য জেএমবির সব নাশকতার পরিকল্পনা প্রণয়ন, ঘটনাস্থল রেকি করা, রিমোট কন্ট্রোল ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস তৈরি ও স্থাপন করতেন।

র‌্যাব সূত্র জানায়, মার্টিন যেসব বিস্ফোরক তৈরি করতেন তা দিয়ে জঙ্গিরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরকারি স্থাপনায় হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল। সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া নব্য জেএমবির ১৫ সদস্য জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য জানান। তারা জানান, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য বিপুল পরিমাণ ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) ও গান পাউডার মজুদ করে রেখেছেন তারা। কীভাবে এগুলো ব্যবহার করতে হবে সে বিষয়ে জঙ্গিদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জোট-মহাজোটের বাইরে ইসলামের একক শক্তি হাতপাখা -হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান

জঙ্গিদের বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ মার্টিন পাঁচ দিনের রিমান্ডে !

আপডেট সময় : ১১:৩৭:২২ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

রাজধানীর উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া নব্য জেএমবির বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক মুশফিকুর রহমান ওরফে মুশফিক মার্টিন জেনীর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল বুধবার শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর হাকিম এ এইচ এম তোহা রিমান্ডের আদেশ দেন। বিকেলে মার্টিনকে আদালতে হাজির করে বাড্ডা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন র‌্যাবের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন।

বুধবার সকালে ঢাকার উত্তরা থেকে মুশফিকুর রহমান ওরফে মুশফিক মার্টিন জেনীকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১০। গ্রেপ্তারের পর র‌্যাব জানায়, মার্টিন জঙ্গিদের ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস তৈরি, তৈরির প্রশিক্ষণ ও তাদের কাছে সরবরহ করতেন। তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে তার প্রচুর জ্ঞান ছিল। এ জ্ঞান তিনি জঙ্গিবাদে কাজে লাগাতেন।

জানা যায়, মার্টিন বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসসি) বিভাগের ২০০৫ সালের ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন তিনি জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হন। সহপাঠী ওয়ালী জামান ও আনোয়ারের মাধ্যমে তিনি জঙ্গিবাদে যুক্ত হন। ওয়ালী জামান ও আনোয়ার গত ২০ মার্চ বাড্ডা থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন।

জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ার কারণে মার্টিন স্নাতক শেষ করতে পারেননি। মার্টিনের বাবা ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম নামকরা প্রকৌশলী ছিলেন। তারা দুই ভাই ও এক বোন। তাদের বাড়ি কুমিল্লার বুড়িচং থানার নিমসারে। ঢাকায় উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরের ১/এ রোডের ৮ নম্বর বাসায় তারা থাকতেন।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান ভূইয়া জানান, মার্টিন নব্য জেএমবির সব নাশকতার পরিকল্পনা প্রণয়ন, ঘটনাস্থল রেকি করা, রিমোট কন্ট্রোল ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস তৈরি ও স্থাপন করতেন।

র‌্যাব সূত্র জানায়, মার্টিন যেসব বিস্ফোরক তৈরি করতেন তা দিয়ে জঙ্গিরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরকারি স্থাপনায় হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল। সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া নব্য জেএমবির ১৫ সদস্য জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য জানান। তারা জানান, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য বিপুল পরিমাণ ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) ও গান পাউডার মজুদ করে রেখেছেন তারা। কীভাবে এগুলো ব্যবহার করতে হবে সে বিষয়ে জঙ্গিদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে।