রবিবার | ১৫ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo পলাশবাড়ীতে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন  Logo চাঁদপুরে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ….শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এমপি Logo কয়রা সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে বিএনপি নেতা এম এ হাসান Logo বই—একটি আত্মার আয়না, একটি সভ্যতার হৃদস্পন্দন, একটি জাতির ভবিষ্যতের স্থপতি — তৌফিক সুলতান, জ্ঞানের জগৎ গ্রন্থের লেখক Logo দরিদ্র পরিবারের মুখে হাসি ফুটাল ‘স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আলোর দিশা Logo চাঁদপুরে প্রাইভেট হসপিটাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল Logo অমর একুশে বইমেলায় খুবি শিক্ষার্থীর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘তোমার শহরে কারফিউ’ Logo বীরগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ২জন নিহত, আহত ৭ Logo কটকা ট্রাজেডিতে শহীদদের স্মরণে খুবিতে শোক দিবস পালন

কচুয়ার ভূঁইয়ারা গ্রামে বিয়ের ঘটনায় সহকারী পুলিশ সুপারের তদন্ত

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৪নং পালাখাল মডেল ইউনিয়নের ভূঁইয়ারা গ্রামে সামাজিকভাবে সম্পন্ন হওয়া একটি বিয়ের ঘটনা ঘিরে শুরু হয়েছে আইনি জটিলতা। বিষয়টি তদন্তে মাঠে নেমেছেন সহকারী পুলিশ সুপার (কচুয়া সার্কেল) আব্দুল হাই চৌধুরী।
মামলার সূত্রে জানা যায়, ভূঁইয়ারা গ্রামের প্রাইভেটকার চালক মফিজ (পিতা বশির) গত ১৮ ফেব্রুয়ারি একই গ্রামের নুরুজ্জামানের মেয়ে সাদিয়া আক্তারকে সামাজিকভাবে বিয়ে করেন। এ সময় দেনমোহর ধার্য করা হয় তিন লাখ টাকা এবং স্বর্ণালংকার বাবদ ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন ভূঁইয়ারা বাইতুল আমান জামে মসজিদের খতিব হাফেজ সফিকুল ইসলাম।
বিয়েতে বরপক্ষের মধ্যস্থতা করেন মফিজের খালাতো ভাই অহিদ, আর কনের পক্ষে উকিল দেন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মেয়ের চাচা মোয়াজ্জেম। উপস্থিত সাক্ষীদের মধ্যে ছিলেন গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মহিউদ্দিন, বরের ভাই জসিম উদ্দিন, বাবুল, আবুল কালাম ও জমির।
বিয়ের পরদিনই মফিজ শ্বশুরবাড়ি থেকে চলে যান। পরবর্তীতে তার ভাই জসিম কনের পরিবারের কাছ থেকে প্রাইভেটকার কেনার অজুহাতে এক লাখ টাকা আদায় করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। পরবর্তীতে ২৩ মে, এসএসসি পরীক্ষার সময় ভূঁইয়ারা ইউসুফের দোকানের সামনে কনে সাদিয়াকে মফিজ ও তার মা মিনরা বেগম হুমকি-ধমকি প্রদান করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
অন্যদিকে, মফিজ দাবি করেন যে, তাকে জোরপূর্বক বিয়ে পড়ানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে তিনি চাঁদপুরের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথমে তদন্ত করেন কচুয়া থানার এসআই কামরুল ইসলাম। পরবর্তীতে পুনঃতদন্তের দায়িত্ব পান সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল হাই চৌধুরী। রবিবার (২৬ অক্টোবর ২০২৫) তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে কনে সাদিয়া, তার বাবা নুরুজ্জামান, বর মফিজের বড় ভাই জসিম ও মা মিনরা বেগম, এবং বিয়ের খতিব হাফেজ শফিকুল ইসলামের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।
এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। তদন্ত শেষে সহকারী পুলিশ সুপার ঘটনাটির সত্যতা যাচাই করে প্রতিবেদন দাখিল করবেন বলে জানা গেছে।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পলাশবাড়ীতে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন 

কচুয়ার ভূঁইয়ারা গ্রামে বিয়ের ঘটনায় সহকারী পুলিশ সুপারের তদন্ত

আপডেট সময় : ০৬:৫০:০৩ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৪নং পালাখাল মডেল ইউনিয়নের ভূঁইয়ারা গ্রামে সামাজিকভাবে সম্পন্ন হওয়া একটি বিয়ের ঘটনা ঘিরে শুরু হয়েছে আইনি জটিলতা। বিষয়টি তদন্তে মাঠে নেমেছেন সহকারী পুলিশ সুপার (কচুয়া সার্কেল) আব্দুল হাই চৌধুরী।
মামলার সূত্রে জানা যায়, ভূঁইয়ারা গ্রামের প্রাইভেটকার চালক মফিজ (পিতা বশির) গত ১৮ ফেব্রুয়ারি একই গ্রামের নুরুজ্জামানের মেয়ে সাদিয়া আক্তারকে সামাজিকভাবে বিয়ে করেন। এ সময় দেনমোহর ধার্য করা হয় তিন লাখ টাকা এবং স্বর্ণালংকার বাবদ ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন ভূঁইয়ারা বাইতুল আমান জামে মসজিদের খতিব হাফেজ সফিকুল ইসলাম।
বিয়েতে বরপক্ষের মধ্যস্থতা করেন মফিজের খালাতো ভাই অহিদ, আর কনের পক্ষে উকিল দেন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মেয়ের চাচা মোয়াজ্জেম। উপস্থিত সাক্ষীদের মধ্যে ছিলেন গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মহিউদ্দিন, বরের ভাই জসিম উদ্দিন, বাবুল, আবুল কালাম ও জমির।
বিয়ের পরদিনই মফিজ শ্বশুরবাড়ি থেকে চলে যান। পরবর্তীতে তার ভাই জসিম কনের পরিবারের কাছ থেকে প্রাইভেটকার কেনার অজুহাতে এক লাখ টাকা আদায় করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। পরবর্তীতে ২৩ মে, এসএসসি পরীক্ষার সময় ভূঁইয়ারা ইউসুফের দোকানের সামনে কনে সাদিয়াকে মফিজ ও তার মা মিনরা বেগম হুমকি-ধমকি প্রদান করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
অন্যদিকে, মফিজ দাবি করেন যে, তাকে জোরপূর্বক বিয়ে পড়ানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে তিনি চাঁদপুরের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথমে তদন্ত করেন কচুয়া থানার এসআই কামরুল ইসলাম। পরবর্তীতে পুনঃতদন্তের দায়িত্ব পান সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল হাই চৌধুরী। রবিবার (২৬ অক্টোবর ২০২৫) তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে কনে সাদিয়া, তার বাবা নুরুজ্জামান, বর মফিজের বড় ভাই জসিম ও মা মিনরা বেগম, এবং বিয়ের খতিব হাফেজ শফিকুল ইসলামের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।
এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। তদন্ত শেষে সহকারী পুলিশ সুপার ঘটনাটির সত্যতা যাচাই করে প্রতিবেদন দাখিল করবেন বলে জানা গেছে।