মঙ্গলবার | ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo চাঁদপুর জেলা কারাগারে গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সম্ভাবনা নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে জাবিতে ছাত্রশক্তির ক্যাম্পেইন শুরু Logo মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার ডিএনসি: চাঁদপুরে আলোচনা সভা ও গণভোট সচেতনতা কার্যক্রম Logo শেরপুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদের উদ্যোগে স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত Logo খালাসের সময় ১৪ কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় তেল ঘাটতির অভিযোগে দুদকের অভিযান Logo হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য হতে হবে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে শীর্ষে পৌঁছানো-জেলা প্রশাসক, চাঁদপুর Logo সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির উদ্যোগে ৫নং ওয়ার্ডে ধানের শীষের প্রার্থীর নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত Logo সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে দিনভর গণসংযোগ সুন্নীয়তের দাবি নিয়ে আসছি, মোমবাতিতে ভোট চাই -মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ  Logo লেডি দেহলভী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ ক্রীড়া চর্চা শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে-অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উজালা রানী চাকমা।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের কক্সবাজার- টেকনাফ সড়ক অবরোধ”

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৬:২০:২৮ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৮ আগস্ট ২০২৫
  • ৮৬২ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজার প্রতিনিধি, 

কক্সবাজার- টেকনাফ সড়কের উখিয়ায় অবরোধ করে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরিচ্যুত হোস্ট শিক্ষকরা।

সোমবার (১৮ আগস্ট) সকাল থেকে হোস্ট শিক্ষক ও উখিয়া-টেকনাফবাসীর ব্যানারে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এর ফলে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যেতে দেওয়া হয়নি দেশি-বিদেশি সংস্থার কর্মরতদের।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছেন।

এ সময় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরি হারানো আন্দোলনরত স্থানীয় শিক্ষকরা ব্যানার নিয়ে সড়ক অবরোধ করে স্লোগান দিতে থাকেন।

আন্দোলনকারী শিক্ষকরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘অবিলম্বে চাকরিতে পুনর্বহালের ব্যবস্থা না হলে আন্দোলন আরও ব্যাপক আকার ধারণ করবে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা সড়ক অবরোধ ও অনশন চালিয়ে যাবেন বলেও ঘোষণা দেন।’

অবরোধের কারণে সকাল থেকেই ব্যস্ত এই মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। কোটবাজার এলাকায় যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাকসহ শত শত গাড়ি আটকা পড়ে।

শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা মানবিক সংস্থার অধীনে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত ছিলেন। হঠাৎ তাদের বিনা কারণে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ফলে জীবিকা হারিয়ে তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে আছেন।

অর্থসংকটের কারণে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিক্ষা প্রকল্পে কর্মরত স্থানীয় প্রায় এক হাজার ২০০ জন হোস্ট শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা হয়। গত তিন মাস ধরে চাকরি ফিরে পেতে আন্দোলন করছেন তারা।

বিক্ষোভকারীরা বলছেন, বেতন বাড়ানোর দাবি করায় তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়। তবে রোহিঙ্গা শিক্ষকরা এখনো দায়িত্বে বহাল রয়েছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুর জেলা কারাগারে গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের কক্সবাজার- টেকনাফ সড়ক অবরোধ”

আপডেট সময় : ০৬:২০:২৮ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৮ আগস্ট ২০২৫

কক্সবাজার প্রতিনিধি, 

কক্সবাজার- টেকনাফ সড়কের উখিয়ায় অবরোধ করে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরিচ্যুত হোস্ট শিক্ষকরা।

সোমবার (১৮ আগস্ট) সকাল থেকে হোস্ট শিক্ষক ও উখিয়া-টেকনাফবাসীর ব্যানারে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এর ফলে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যেতে দেওয়া হয়নি দেশি-বিদেশি সংস্থার কর্মরতদের।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছেন।

এ সময় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরি হারানো আন্দোলনরত স্থানীয় শিক্ষকরা ব্যানার নিয়ে সড়ক অবরোধ করে স্লোগান দিতে থাকেন।

আন্দোলনকারী শিক্ষকরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘অবিলম্বে চাকরিতে পুনর্বহালের ব্যবস্থা না হলে আন্দোলন আরও ব্যাপক আকার ধারণ করবে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা সড়ক অবরোধ ও অনশন চালিয়ে যাবেন বলেও ঘোষণা দেন।’

অবরোধের কারণে সকাল থেকেই ব্যস্ত এই মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। কোটবাজার এলাকায় যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাকসহ শত শত গাড়ি আটকা পড়ে।

শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা মানবিক সংস্থার অধীনে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত ছিলেন। হঠাৎ তাদের বিনা কারণে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ফলে জীবিকা হারিয়ে তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে আছেন।

অর্থসংকটের কারণে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিক্ষা প্রকল্পে কর্মরত স্থানীয় প্রায় এক হাজার ২০০ জন হোস্ট শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা হয়। গত তিন মাস ধরে চাকরি ফিরে পেতে আন্দোলন করছেন তারা।

বিক্ষোভকারীরা বলছেন, বেতন বাড়ানোর দাবি করায় তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়। তবে রোহিঙ্গা শিক্ষকরা এখনো দায়িত্বে বহাল রয়েছেন।