জেলায় ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান দিবসসমূহ উদযাপনে প্রস্তুতি সভা আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন।
সভায় আলোচনার মাধ্যমে জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠানমালা চূড়ান্ত করা হয়। অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ১০ জুলাই দেশের নাগরিকদের উপর অবৈধ আওয়ামী শাসন আমলের জুলুম, অত্যাচার ও জুলাই গণহত্যা নিয়ে ১০টি পোষ্টার প্রকাশ করা হবে। একই দিনে জুলাই আন্দোলনের দিনগুলোর স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে সাধারণ মানুষের ফেসবুক পোষ্ট হ্যাশট্যাগ করা হবে। ১৪ জুলাই জেলায় স্মৃতি স্তম্ভ স্থাপন করা হবে।
১৬ জুলাই শিল্পকলার মঞ্চে জুলাইয়ের গল্প বলা অনুষ্ঠান। ১৬ জুলাই শহীদদের প্রাণ হারানো স্থানটিতে ‘স্ট্রিট মেমোরী স্ট্যাম্প’ স্থাপনের কাজ শুরু। ১৮ জুলাই প্রতীকী ম্যারাথন। ১৯ জুলাই জেলার শহীদদের সংখ্যায় বৃক্ষরোপন। ২৪ জুলাই সকল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সপ্তাহব্যাপী ‘২৪ এর রঙে গ্রাফিতি ও চিত্রাংকন’ প্রতিযোগিতা, সৃজনশীল রচনা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সূচনা।
একই দিনে প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে শিশু শহীদদের স্মরণে জুলাই কেন্দ্রিক কবিতা, গান, রচনা, আবৃত্তি প্রতিযোগিতা। একই দিনে সকল বিদ্যালয়ে জুলাই ২৪ নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। ২৭ জুলাই জাতিবৈচিত্র্য দিবস হিসেবে মিউজিক্যাল ভিডিও ‘ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর গান’ অবমুক্ত। একই দিনে অবমুক্ত করা হবে আরো একটি মিউজিক্যাল ভিডিও ‘চলো ভুলে যাই’। ২৮ জুলাই রক্তদান ও মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন। ৩১ জুলাই পুরষ্কার বিতরণ। ৩২, ৩৩ এবং ৩৪ জুলাই অর্থাৎ ১, ২ এবং ৩ আগস্ট জুলাইয়ের চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। ৩৩ জুলাই অর্থাৎ ২ আগস্ট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ‘জুলাইয়ের মায়েরা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। ৩৫ জুলাই অর্থাৎ ৪ আগস্ট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম সারির যোদ্ধাদের নিয়ে অনুষ্ঠান ও সম্মাননা প্রদান।
৩৬ জুলাই শহিদ স্মৃতি স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ‘স্পট লাইট অব জুলাই হিরোস’ চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে মোনাজাত ও প্রার্থনা এবং শহিদ পরিবারের সম্মিলন আয়োজন।
সভায় গণঅভ্যুত্থান দিবসসসূহ উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আবুল হায়াত, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ মুক্তাদির আরেফীন এবং অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।






















































