সোমবার | ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করলেন উপ-উপাচার্য Logo আজ শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী Logo জিয়াউর রহমান : এক সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ও জাতি গঠনের কারিগর Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে  বিএনপি জামায়াত ভোটের  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া  জাপা Logo ‘বাঁধন’ মওলানা ভাসানী হল ইউনিটের ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা Logo পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo আমরা বিএনপি পরিবার’উদ্যোগে সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তা

রোজা রেখেই স্পেনের হয়ে মাঠ কাঁপাবেন ইয়ামাল

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৭:৩৬ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫
  • ৭৭০ বার পড়া হয়েছে
লামিনে ইয়ামাল রোজা রেখে ম্যাচ খেলতে মাঠে নামবেন! স্পেনের ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ইয়ামালই এই কীর্তি গড়তে যাচ্ছেন। স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক মার্কা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নেশনস লিগের ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে রোজ রেখে খেলবেন ইয়ামাল।যদিও এর আগে ১৭ বছর বয়সী ইয়ামাল বার্সেলোনার হয়ে রোজা রেখে খেলছেন। অন্যদিকে ফুটবল বিশ্বে এই ঘটনা নতুন কিছু নয়। অনেক মুসলিম ফুটবলাররাই রোজা রেখেই খেলতে নামেন। যদিও স্পেনের জাতীয় দলের হয়ে অতীতে কেউ কখনই রোজা রেখে খেলতে নামেনি।

যদিও ইয়ামালই স্পেন জাতীয় দলে খেলা প্রথম মুসলিম ফুটবলার নন। আদামা ত্রাওরে, আনসু ফাতি, মুনির এল হাদ্দাদিরাও ইসলাম ধর্মাবলম্বী। তবে ত্রাওরে ও ফাতি রমজান মাসে স্পেনের হয়ে কোনো৪ ম্যাচ খেলেননি। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে স্পেনের হয়ে অভিষেক হয় মুনিরের। দেশটির জার্সিতে তিনি ওই এক ম্যাচই খেলেছেন। তবে সেই সময় রমজান মাস ছিলো না।

উয়েফা নেশনস লিগ কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) নেদারল্যান্ডসের মুখোমুখি হবে স্পেন। ফিরতি লেগ রোববার (২৪ মার্চ রাতে। ইনজুরি মুক্ত থাকলে দুটি ম্যাচেই খেলবেন ইয়ামাল।

উল্লেখ্য, ইয়ামালের জন্ম স্পেনে হলেও তার বাবা মুনির নাসরাউয়ি একজন মরোক্কান মুসলিম।

ডিএজেএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ইয়ামাল জানিয়েছেন রোজা রেখে খেলতে তার কোনো সমস্যা হয় না, মনেই হবে না যে আপনি ক্ষুধার্ত। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শরীরকে পানিশূন্যতা না রাখা। ক্লাবে (বার্সায়) আমি এই বিষয় নিয়ে খুব সতর্ক ছিলাম। (ফজরের) নামাজ পড়ার জন্য আমি ভোর পাঁচটায় উঠি। এরপর ইলেক্ট্রোলাইট জাতীয় পানীয় পান করি, যা সারাদিন সারাদিন আপনার শরীরকে পানিপূর্ণ রাখবে। যখন খাওয়ার (ইফতারের) সময় হয়, আমি চিনি না খাওয়ার চেষ্টা করি। এর পরিবর্তে প্রচুর পানি পান করি। তাই সবকিছুই খুব নিয়ন্ত্রণে থাকে।

এর আগে গত বছরও মার্চের মাঝামাঝি সময়ে রমজান মাস শুরু হয়েছিলো। সেই সময় ইয়ামাল স্পেনের হয়ে দুটি ম্যাচ খেললেও রোজা রাখেননি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করলেন উপ-উপাচার্য

রোজা রেখেই স্পেনের হয়ে মাঠ কাঁপাবেন ইয়ামাল

আপডেট সময় : ০৩:৪৭:৩৬ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫
লামিনে ইয়ামাল রোজা রেখে ম্যাচ খেলতে মাঠে নামবেন! স্পেনের ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ইয়ামালই এই কীর্তি গড়তে যাচ্ছেন। স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক মার্কা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নেশনস লিগের ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে রোজ রেখে খেলবেন ইয়ামাল।যদিও এর আগে ১৭ বছর বয়সী ইয়ামাল বার্সেলোনার হয়ে রোজা রেখে খেলছেন। অন্যদিকে ফুটবল বিশ্বে এই ঘটনা নতুন কিছু নয়। অনেক মুসলিম ফুটবলাররাই রোজা রেখেই খেলতে নামেন। যদিও স্পেনের জাতীয় দলের হয়ে অতীতে কেউ কখনই রোজা রেখে খেলতে নামেনি।

যদিও ইয়ামালই স্পেন জাতীয় দলে খেলা প্রথম মুসলিম ফুটবলার নন। আদামা ত্রাওরে, আনসু ফাতি, মুনির এল হাদ্দাদিরাও ইসলাম ধর্মাবলম্বী। তবে ত্রাওরে ও ফাতি রমজান মাসে স্পেনের হয়ে কোনো৪ ম্যাচ খেলেননি। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে স্পেনের হয়ে অভিষেক হয় মুনিরের। দেশটির জার্সিতে তিনি ওই এক ম্যাচই খেলেছেন। তবে সেই সময় রমজান মাস ছিলো না।

উয়েফা নেশনস লিগ কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) নেদারল্যান্ডসের মুখোমুখি হবে স্পেন। ফিরতি লেগ রোববার (২৪ মার্চ রাতে। ইনজুরি মুক্ত থাকলে দুটি ম্যাচেই খেলবেন ইয়ামাল।

উল্লেখ্য, ইয়ামালের জন্ম স্পেনে হলেও তার বাবা মুনির নাসরাউয়ি একজন মরোক্কান মুসলিম।

ডিএজেএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ইয়ামাল জানিয়েছেন রোজা রেখে খেলতে তার কোনো সমস্যা হয় না, মনেই হবে না যে আপনি ক্ষুধার্ত। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শরীরকে পানিশূন্যতা না রাখা। ক্লাবে (বার্সায়) আমি এই বিষয় নিয়ে খুব সতর্ক ছিলাম। (ফজরের) নামাজ পড়ার জন্য আমি ভোর পাঁচটায় উঠি। এরপর ইলেক্ট্রোলাইট জাতীয় পানীয় পান করি, যা সারাদিন সারাদিন আপনার শরীরকে পানিপূর্ণ রাখবে। যখন খাওয়ার (ইফতারের) সময় হয়, আমি চিনি না খাওয়ার চেষ্টা করি। এর পরিবর্তে প্রচুর পানি পান করি। তাই সবকিছুই খুব নিয়ন্ত্রণে থাকে।

এর আগে গত বছরও মার্চের মাঝামাঝি সময়ে রমজান মাস শুরু হয়েছিলো। সেই সময় ইয়ামাল স্পেনের হয়ে দুটি ম্যাচ খেললেও রোজা রাখেননি।