রবিবার | ১৫ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo পলাশবাড়ীতে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন  Logo চাঁদপুরে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ….শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এমপি Logo কয়রা সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে বিএনপি নেতা এম এ হাসান Logo বই—একটি আত্মার আয়না, একটি সভ্যতার হৃদস্পন্দন, একটি জাতির ভবিষ্যতের স্থপতি — তৌফিক সুলতান, জ্ঞানের জগৎ গ্রন্থের লেখক Logo দরিদ্র পরিবারের মুখে হাসি ফুটাল ‘স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আলোর দিশা Logo চাঁদপুরে প্রাইভেট হসপিটাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল Logo অমর একুশে বইমেলায় খুবি শিক্ষার্থীর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘তোমার শহরে কারফিউ’ Logo বীরগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ২জন নিহত, আহত ৭ Logo কটকা ট্রাজেডিতে শহীদদের স্মরণে খুবিতে শোক দিবস পালন

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায়; খালেদা জিয়ার খালাসের রায় বহাল

  • নীলকন্ঠ অনলাইন নীলকন্ঠ অনলাইন
  • আপডেট সময় : ০১:৩৯:০৯ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫
  • ৭৬৯ বার পড়া হয়েছে

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া খালাসের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

সোমবার (৩ মার্চ) সকালে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত আপিল বিভাগের বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের কারাদণ্ড থেকে খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আপিল বিভাগে আবেদন করে। এই আবেদনের শুনানির জন্য ২ মার্চ দিন ধার্য করা হলেও, দুদকের আবেদন সংক্রান্ত শুনানি পিছিয়ে ৩ মার্চ নতুন তারিখ ধার্য করা হয়। আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর আজ রায় ঘোষিত হয়।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার অভিযোগ দায়ের করা হয়, যেখানে খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানসহ ৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, খালেদা জিয়া এবং তার দলীয় নেতৃবৃন্দ অবৈধভাবে ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। প্রথমে বিশেষ আদালত এই মামলায় খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছিল।

২০১৮ সালের অক্টোবরে বিশেষ আদালত জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন এবং অন্য তিন আসামিকেও একই মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেন। একই সাথে প্রত্যেককে ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা এবং কাকরাইলে অবস্থিত ট্রাস্টের জমি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এরপর খালেদা জিয়া ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন। ২০১৯ সালে হাইকোর্ট সেই মামলায় খালেদা জিয়াকে খালাস দেন, কারণ আদালত প্রমাণের অভাবে তার বিরুদ্ধে দণ্ডাদেশের সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পলাশবাড়ীতে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন 

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায়; খালেদা জিয়ার খালাসের রায় বহাল

আপডেট সময় : ০১:৩৯:০৯ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া খালাসের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

সোমবার (৩ মার্চ) সকালে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত আপিল বিভাগের বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের কারাদণ্ড থেকে খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আপিল বিভাগে আবেদন করে। এই আবেদনের শুনানির জন্য ২ মার্চ দিন ধার্য করা হলেও, দুদকের আবেদন সংক্রান্ত শুনানি পিছিয়ে ৩ মার্চ নতুন তারিখ ধার্য করা হয়। আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর আজ রায় ঘোষিত হয়।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার অভিযোগ দায়ের করা হয়, যেখানে খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানসহ ৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, খালেদা জিয়া এবং তার দলীয় নেতৃবৃন্দ অবৈধভাবে ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। প্রথমে বিশেষ আদালত এই মামলায় খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছিল।

২০১৮ সালের অক্টোবরে বিশেষ আদালত জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন এবং অন্য তিন আসামিকেও একই মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেন। একই সাথে প্রত্যেককে ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা এবং কাকরাইলে অবস্থিত ট্রাস্টের জমি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এরপর খালেদা জিয়া ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন। ২০১৯ সালে হাইকোর্ট সেই মামলায় খালেদা জিয়াকে খালাস দেন, কারণ আদালত প্রমাণের অভাবে তার বিরুদ্ধে দণ্ডাদেশের সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি।