বুধবার | ১৮ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত আনচেলত্তির চুক্তি বাড়াতে যাচ্ছে ব্রাজিল Logo কাবুলে পাকিস্তানের হামলার পর সংযম প্রদর্শনের আহ্বান চীনের Logo ঈদযাত্রা সুষ্ঠু ও সুন্দর করতে সব ইউনিটের ফোর্স নিয়োজিত থাকবে: আইজিপি Logo চাঁদপুরে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ড্যাবের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ ও ইফতার মাহফিল Logo মাদকমুক্ত কাপাসিয়া গড়ার অঙ্গীকার যুব সংগঠনের মিলনমেলায় নতুন দিগন্ত Logo চাঁদপুরে জিএম বাংলা লিমিটেডের ঈদ উপহার: অসহায় ও এতিমদের মুখে হাসি Logo বইমেলা শেষ, ঈদের আমেজ—তবুও জ্ঞানের আহ্বান অম্লান Logo বার কাউন্সিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে খুবির ৪২ শিক্ষার্থী আইনজীবী Logo ইসলামপুর গাছতলা দরবার শরীফে ইফতার মাহফিল Logo চাঁদপুরে মানবদূত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ

মা-ছেলে জোড়া খুনের সঠিক বিচার দেখতে চায় প্রবাসী মেয়ে

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৭:১৮:৪১ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর ২০২৪
  • ৭৭৬ বার পড়া হয়েছে

মা-ভাইয়ের জোড়া খুনে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে নিহত ফরিদা বেগমের মেয়ে লন্ডন প্রবাসী আনফা বেগম ইসলাম।

মঙ্গলবার দুপুরে পৌর হাছন নগর এলাকার বাস ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে মা ও ভাইয়ের হত্যার সঠিক বিচারের দাবি জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে নিহত ফরিদ বেগমের বড় মেয়ে লন্ডন প্রবাসী আনফা বেগম ইসলাম জানান, যারা নির্মমভাবে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে এসে অতিদ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করা হোক। সন্দেহভাজন প্রধান আসামি ফয়সাল এখনও পলাতক রয়েছে।তাকে গ্রেপ্তার করে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের খুঁজে বের করে মা ও ভাই হত্যার সঠিক বিচার দেখতে চান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন আনফা বেগম ইসলামের মামাতো ভাই সজিব আহমদ। এছাড়াও অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, এই ঘটনায় চলতি মাসের ২ তারিখে নিহতের মেয়ে আনফা বেগম ইসলাম বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেছেন। মামলায় তাদের বাসায় ভাড়াটে থাকা নিহত ফরিদা বেগমের খালাতো বোন নার্গিস বেগম ও তার দুই ছেলেকে আসামি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে নার্গিস বেগমের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়াও আরও তিন থেকে চারজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিহত ফরিদা বেগম, তার ছেলে এবং তাদের দু:সম্পর্কের বোনের পরিবার একই বাসায় থাকতেন। সোমবার (২৯ অক্টোবর) ভোর রাতের কোন এক সময় এই ঘটনা ঘটে। সকালে গৃহকর্মী কাজে এসে রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে প্রতিবেশী ও পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার দিন খালাতো বোনকে অজ্ঞান অবস্থায় পাওয়া গেলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।কিন্তু ওই দিন তার ছেলেরা পলাতক ছিল।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত আনচেলত্তির চুক্তি বাড়াতে যাচ্ছে ব্রাজিল

মা-ছেলে জোড়া খুনের সঠিক বিচার দেখতে চায় প্রবাসী মেয়ে

আপডেট সময় : ০৭:১৮:৪১ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর ২০২৪

মা-ভাইয়ের জোড়া খুনে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে নিহত ফরিদা বেগমের মেয়ে লন্ডন প্রবাসী আনফা বেগম ইসলাম।

মঙ্গলবার দুপুরে পৌর হাছন নগর এলাকার বাস ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে মা ও ভাইয়ের হত্যার সঠিক বিচারের দাবি জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে নিহত ফরিদ বেগমের বড় মেয়ে লন্ডন প্রবাসী আনফা বেগম ইসলাম জানান, যারা নির্মমভাবে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে এসে অতিদ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করা হোক। সন্দেহভাজন প্রধান আসামি ফয়সাল এখনও পলাতক রয়েছে।তাকে গ্রেপ্তার করে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের খুঁজে বের করে মা ও ভাই হত্যার সঠিক বিচার দেখতে চান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন আনফা বেগম ইসলামের মামাতো ভাই সজিব আহমদ। এছাড়াও অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, এই ঘটনায় চলতি মাসের ২ তারিখে নিহতের মেয়ে আনফা বেগম ইসলাম বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেছেন। মামলায় তাদের বাসায় ভাড়াটে থাকা নিহত ফরিদা বেগমের খালাতো বোন নার্গিস বেগম ও তার দুই ছেলেকে আসামি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে নার্গিস বেগমের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়াও আরও তিন থেকে চারজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিহত ফরিদা বেগম, তার ছেলে এবং তাদের দু:সম্পর্কের বোনের পরিবার একই বাসায় থাকতেন। সোমবার (২৯ অক্টোবর) ভোর রাতের কোন এক সময় এই ঘটনা ঘটে। সকালে গৃহকর্মী কাজে এসে রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে প্রতিবেশী ও পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার দিন খালাতো বোনকে অজ্ঞান অবস্থায় পাওয়া গেলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।কিন্তু ওই দিন তার ছেলেরা পলাতক ছিল।