শুক্রবার | ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo গণভোট উপলক্ষে চাঁদপুর ডিএনসির উদ্যোগে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo কয়রা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ Logo গাছতলা দরবার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রচারণা শুরু শাহজালাল শাহপরানের বাংলায় ওলী বিদ্বেষীদের ঠাঁই হবে না-মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ Logo নোবিপ্রবিতে ‘বর্ধিত সাদা দল’-এর আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু Logo বীরগঞ্জে আলেম সমাজের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে Logo বীরগঞ্জে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করে সংবাদ সম্মেলন Logo বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য বিকৃত করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা Logo ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন Logo নির্বাচনী নিরাপত্তায় কয়রায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সচেতনতামূলক ফুট পেট্রোলিং Logo কচুয়ার কাদলা-দরবেশগঞ্জ সমাজকল্যাণ খেলা ঘরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

মা-ছেলে জোড়া খুনের সঠিক বিচার দেখতে চায় প্রবাসী মেয়ে

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৭:১৮:৪১ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর ২০২৪
  • ৭৭৪ বার পড়া হয়েছে

মা-ভাইয়ের জোড়া খুনে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে নিহত ফরিদা বেগমের মেয়ে লন্ডন প্রবাসী আনফা বেগম ইসলাম।

মঙ্গলবার দুপুরে পৌর হাছন নগর এলাকার বাস ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে মা ও ভাইয়ের হত্যার সঠিক বিচারের দাবি জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে নিহত ফরিদ বেগমের বড় মেয়ে লন্ডন প্রবাসী আনফা বেগম ইসলাম জানান, যারা নির্মমভাবে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে এসে অতিদ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করা হোক। সন্দেহভাজন প্রধান আসামি ফয়সাল এখনও পলাতক রয়েছে।তাকে গ্রেপ্তার করে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের খুঁজে বের করে মা ও ভাই হত্যার সঠিক বিচার দেখতে চান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন আনফা বেগম ইসলামের মামাতো ভাই সজিব আহমদ। এছাড়াও অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, এই ঘটনায় চলতি মাসের ২ তারিখে নিহতের মেয়ে আনফা বেগম ইসলাম বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেছেন। মামলায় তাদের বাসায় ভাড়াটে থাকা নিহত ফরিদা বেগমের খালাতো বোন নার্গিস বেগম ও তার দুই ছেলেকে আসামি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে নার্গিস বেগমের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়াও আরও তিন থেকে চারজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিহত ফরিদা বেগম, তার ছেলে এবং তাদের দু:সম্পর্কের বোনের পরিবার একই বাসায় থাকতেন। সোমবার (২৯ অক্টোবর) ভোর রাতের কোন এক সময় এই ঘটনা ঘটে। সকালে গৃহকর্মী কাজে এসে রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে প্রতিবেশী ও পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার দিন খালাতো বোনকে অজ্ঞান অবস্থায় পাওয়া গেলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।কিন্তু ওই দিন তার ছেলেরা পলাতক ছিল।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

গণভোট উপলক্ষে চাঁদপুর ডিএনসির উদ্যোগে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

মা-ছেলে জোড়া খুনের সঠিক বিচার দেখতে চায় প্রবাসী মেয়ে

আপডেট সময় : ০৭:১৮:৪১ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর ২০২৪

মা-ভাইয়ের জোড়া খুনে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে নিহত ফরিদা বেগমের মেয়ে লন্ডন প্রবাসী আনফা বেগম ইসলাম।

মঙ্গলবার দুপুরে পৌর হাছন নগর এলাকার বাস ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে মা ও ভাইয়ের হত্যার সঠিক বিচারের দাবি জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে নিহত ফরিদ বেগমের বড় মেয়ে লন্ডন প্রবাসী আনফা বেগম ইসলাম জানান, যারা নির্মমভাবে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে এসে অতিদ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করা হোক। সন্দেহভাজন প্রধান আসামি ফয়সাল এখনও পলাতক রয়েছে।তাকে গ্রেপ্তার করে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের খুঁজে বের করে মা ও ভাই হত্যার সঠিক বিচার দেখতে চান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন আনফা বেগম ইসলামের মামাতো ভাই সজিব আহমদ। এছাড়াও অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, এই ঘটনায় চলতি মাসের ২ তারিখে নিহতের মেয়ে আনফা বেগম ইসলাম বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেছেন। মামলায় তাদের বাসায় ভাড়াটে থাকা নিহত ফরিদা বেগমের খালাতো বোন নার্গিস বেগম ও তার দুই ছেলেকে আসামি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে নার্গিস বেগমের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়াও আরও তিন থেকে চারজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিহত ফরিদা বেগম, তার ছেলে এবং তাদের দু:সম্পর্কের বোনের পরিবার একই বাসায় থাকতেন। সোমবার (২৯ অক্টোবর) ভোর রাতের কোন এক সময় এই ঘটনা ঘটে। সকালে গৃহকর্মী কাজে এসে রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে প্রতিবেশী ও পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার দিন খালাতো বোনকে অজ্ঞান অবস্থায় পাওয়া গেলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।কিন্তু ওই দিন তার ছেলেরা পলাতক ছিল।