মঙ্গলবার | ২০ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo শহিদ জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে খুবি এনটিএ ও ইউট্যাবের দোয়া Logo এবারের ভোটে রাজনৈতিক দলগুলো যদি লাইনের বাইরে চলে যায়, তাহলে তাদের চড়া মাশুল গুনতে হবে-সাতক্ষীরায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা Logo খুবিতে প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করলেন উপ-উপাচার্য Logo আজ শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী Logo জিয়াউর রহমান : এক সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ও জাতি গঠনের কারিগর Logo কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo পলাশবাড়ীর ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার, প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা! Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন -২০২৬ পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর আসনে  বিএনপি জামায়াত ভোটের  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া  জাপা Logo ‘বাঁধন’ মওলানা ভাসানী হল ইউনিটের ২০২৬ সালের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা

মেজরকে থানায় নিয়ে যাওয়া গুলশানের এসি সোহেল রানা প্রত্যাহার

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৩:৩৬ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৪
  • ৭৯৩ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর গুলশানে সেনাবাহিনীর এক মেজর পদমর্যাদার কর্মকর্তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে গুলশান জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. সোহেল রানাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) রাতে তাকে গুলশান থানা থেকে সরিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সদর দপ্তরে সংযুক্ত করার আদেশ দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মো. মাইনুল হাসান।

সোমবার রাতে গুলশান এলাকায় সেনাবাহিনীর ওই কর্মকর্তার সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়ান এসি সোহেল রানা ও তার অধীনস্থ কয়েকজন পুলিশ সদস্য। এ ঘটনার বেশ কিছু ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে।

ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বিতর্কের একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা মেজর পরিচয় দেওয়া ওই কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। পরিচয় দেওয়ার পরও এসি সোহেলের নির্দেশে তাকে গুলশান থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ওই সময় মেজরের সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

এক পুলিশ সদস্য জানান, সেনাবাহিনীর অন্যান্য সদস্যরা পরবর্তীতে থানায় গিয়ে ওই মেজরকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন। এ সময় এসি সোহেল রানা তার কাছে ক্ষমা চান। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তার মধ্যেই উত্তেজিত আচরণের কারণে এসি সোহেল তাকে থানায় নিয়ে আসেন এবং শেষমেশ ওই সেনা কর্মকর্তার কাছে হাতজোড় করে এবং পা ধরে ক্ষমা চান।

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এ ঘটনার আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে মেজরকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন পুলিশ সদস্যরা। এ সময় মেজর তার পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করেন।

কিন্তু এসি সোহেলকে বলতে শোনা যায়, “আমি কনস্টেবল না আমি এসি, গুলশান জোনের এসি।”

ভিডিওতে এসিকে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলতে শোনা যায়। পরে মেজরকে গুলশান থানায় নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

ঘটনার পর ডিএমপি কর্তৃপক্ষ এসি সোহেল রানাকে গুলশান জোন থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

এ বিষয়ে রাতে এসি সোহেলকে কয়েকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি ধরেননি, ফলে তার বক্তব্যও জানা যায়নি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

শহিদ জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে খুবি এনটিএ ও ইউট্যাবের দোয়া

মেজরকে থানায় নিয়ে যাওয়া গুলশানের এসি সোহেল রানা প্রত্যাহার

আপডেট সময় : ০৮:৩৩:৩৬ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৪

রাজধানীর গুলশানে সেনাবাহিনীর এক মেজর পদমর্যাদার কর্মকর্তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে গুলশান জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. সোহেল রানাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) রাতে তাকে গুলশান থানা থেকে সরিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সদর দপ্তরে সংযুক্ত করার আদেশ দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মো. মাইনুল হাসান।

সোমবার রাতে গুলশান এলাকায় সেনাবাহিনীর ওই কর্মকর্তার সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়ান এসি সোহেল রানা ও তার অধীনস্থ কয়েকজন পুলিশ সদস্য। এ ঘটনার বেশ কিছু ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে।

ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বিতর্কের একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা মেজর পরিচয় দেওয়া ওই কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। পরিচয় দেওয়ার পরও এসি সোহেলের নির্দেশে তাকে গুলশান থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ওই সময় মেজরের সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

এক পুলিশ সদস্য জানান, সেনাবাহিনীর অন্যান্য সদস্যরা পরবর্তীতে থানায় গিয়ে ওই মেজরকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন। এ সময় এসি সোহেল রানা তার কাছে ক্ষমা চান। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তার মধ্যেই উত্তেজিত আচরণের কারণে এসি সোহেল তাকে থানায় নিয়ে আসেন এবং শেষমেশ ওই সেনা কর্মকর্তার কাছে হাতজোড় করে এবং পা ধরে ক্ষমা চান।

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এ ঘটনার আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে মেজরকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন পুলিশ সদস্যরা। এ সময় মেজর তার পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করেন।

কিন্তু এসি সোহেলকে বলতে শোনা যায়, “আমি কনস্টেবল না আমি এসি, গুলশান জোনের এসি।”

ভিডিওতে এসিকে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলতে শোনা যায়। পরে মেজরকে গুলশান থানায় নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

ঘটনার পর ডিএমপি কর্তৃপক্ষ এসি সোহেল রানাকে গুলশান জোন থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

এ বিষয়ে রাতে এসি সোহেলকে কয়েকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি ধরেননি, ফলে তার বক্তব্যও জানা যায়নি।