চুয়াডাঙ্গায় মোটরসাইকেল আটকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১২:২০:৫৪ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ৭২২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চুয়াডাঙ্গায় মোটরসাইকেলসহ টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় দু’জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। গতকাল রোববার সন্ধ্যার পর সদর হাসপাতাল এলাকা থেকে ওই দুজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনগণ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জামিল হোসেন বাদী হয়ে দুইজনের নাম উল্লেখসহ কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। জামিল হোসেন ডিঙ্গেদাহ শংকরচন্দ্র গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে। আটককৃতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার শেকড়াতলা পাড়ার মুনসুর আলীর ছেলে খালিদ হোসেন (৪২) ও গোপিনাথপুর গ্রামের রুহুল কুদ্দুসের ছেলে কাইফ (২২)।

ছিনতাই চক্রের হাতে পাড়া ওই যুবক জামিল হোসেন অভিযোগ করেন, গতকাল দুপুর ১২টার পর নিজের মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি যাচ্ছিলেন। চুয়াডাঙ্গা জেলা গণগ্রন্থাগারের পাশের সড়কে পৌঁছালে পূর্বে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি তাকে ড্রেগার ধরে নামিয়ে নেন। পরে জামিলের কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করে ওই ছিনতাইকারীরা। টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে একটা মেয়ে নিয়ে এসে ভিডিও ধারণ করে রাখে।

পরে মোটরসাইকেল রেখে টাকা নিয়ে আসতে বলে। বিকেলের দিকে কাইফ নামে ওই যুবক জামিলকে ফোন দিয়ে টাকা নিয়ে সদর হাসপাতালের মধ্যে একটি চায়ের দোকানের পাশে যেতে বলে। জামিল সদর হাসপাতালের মধ্যে গেল তাকে গালিগালাজ করতে থাকে ওই ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা। এক পর্যায়ে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি বুঝতে পেরে ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যদের আটক করার চেষ্টা করেন। এসময় কয়েকজন পালিয়ে গেলেও কাইফ ও খালিদকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

মোটরসাইকেল ছিনতাই চক্রের দু’জনকে আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, এ ঘটনায় আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, আটককৃতদের সংশ্লিষ্ট মামলায় আগামীকাল (আজ) আদালতে প্রেরণ করা হবে। একইসঙ্গে তাদেরকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চুয়াডাঙ্গায় মোটরসাইকেল আটকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি

আপডেট সময় : ১২:২০:৫৪ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চুয়াডাঙ্গায় মোটরসাইকেলসহ টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় দু’জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। গতকাল রোববার সন্ধ্যার পর সদর হাসপাতাল এলাকা থেকে ওই দুজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনগণ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জামিল হোসেন বাদী হয়ে দুইজনের নাম উল্লেখসহ কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। জামিল হোসেন ডিঙ্গেদাহ শংকরচন্দ্র গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে। আটককৃতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার শেকড়াতলা পাড়ার মুনসুর আলীর ছেলে খালিদ হোসেন (৪২) ও গোপিনাথপুর গ্রামের রুহুল কুদ্দুসের ছেলে কাইফ (২২)।

ছিনতাই চক্রের হাতে পাড়া ওই যুবক জামিল হোসেন অভিযোগ করেন, গতকাল দুপুর ১২টার পর নিজের মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি যাচ্ছিলেন। চুয়াডাঙ্গা জেলা গণগ্রন্থাগারের পাশের সড়কে পৌঁছালে পূর্বে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি তাকে ড্রেগার ধরে নামিয়ে নেন। পরে জামিলের কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করে ওই ছিনতাইকারীরা। টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে একটা মেয়ে নিয়ে এসে ভিডিও ধারণ করে রাখে।

পরে মোটরসাইকেল রেখে টাকা নিয়ে আসতে বলে। বিকেলের দিকে কাইফ নামে ওই যুবক জামিলকে ফোন দিয়ে টাকা নিয়ে সদর হাসপাতালের মধ্যে একটি চায়ের দোকানের পাশে যেতে বলে। জামিল সদর হাসপাতালের মধ্যে গেল তাকে গালিগালাজ করতে থাকে ওই ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা। এক পর্যায়ে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি বুঝতে পেরে ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যদের আটক করার চেষ্টা করেন। এসময় কয়েকজন পালিয়ে গেলেও কাইফ ও খালিদকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

মোটরসাইকেল ছিনতাই চক্রের দু’জনকে আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, এ ঘটনায় আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, আটককৃতদের সংশ্লিষ্ট মামলায় আগামীকাল (আজ) আদালতে প্রেরণ করা হবে। একইসঙ্গে তাদেরকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে।