সোমবার | ২৩ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ঈদে পর্যটকদের ঢল: জমজমাট চাঁদপুর, মুখর ‘মিনি কক্সবাজার Logo চাঁদপুর জেলা কারাগারে ঈদুল ফিতর উদযাপন: বন্দিদের জন্য দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজন Logo ঈদের আনন্দে শৈশবের পুনর্মিলন—বন্ধুত্বের বন্ধন অটুট থাকুক চিরকাল Logo চাঁদপুরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঈদের জামাতে মুসল্লিদের ঢল Logo চাঁদপুরে জাকের পার্টির ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত, শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া Logo ঈদের সকালে মিরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু Logo সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo যেখানে হৃদয় মেলে হৃদয়ে: ঈদের আলোয় সাম্যের কাব্য Logo নীলকন্ঠ ডট কম সম্পাদকের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা Logo চাঁদপুরে হুইল চেয়ার, ট্রাইসাইকেল ও হিয়ারিং এইড বিতরণ

পদ্মার পানি বাড়েনি, বরং কমেছে : পাউবো

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৫:৩৪ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট ২০২৪
  • ৭৭৫ বার পড়া হয়েছে

বিহার ও ঝাড়খণ্ডে বন্যা পরিস্থিতির কারণে ফারাক্কা ব্যারেজের সব গেট খুলে দিয়েছে ভারত। তবে এখন পর্যন্ত এর প্রভাব পড়েনি রাজবাড়ীর পদ্মা নদীতে। সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ১৫ ঘণ্টায় জেলার তিনটি গেজস্টেশন পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি বাড়েনি; বরং কমেছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পওর বিভাগ) উপসহকারী প্রকৌশলী মো. হাফিজুর রহমান জানান, গত ১৫ ঘণ্টায় পাংশার সেনগ্রাম গেজস্টেশন পয়েন্ট ও সদরের মহেন্দ্রপুর গেজস্টেশন পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি বাড়েনি। তবে গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া গেজস্টেশন পয়েন্টে পানি ৮ সেন্টিমিটার কমেছে।

তিনি বলেন, সেনগ্রাম গেজস্টেশন পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৫২ সেন্টিমিটার। সেখনে পানি ৯ দশমিক ০৭ সেন্টিমিটারে প্রবাহিত হচ্ছে। মহেন্দ্রপুর গেজস্টেশন পয়েন্টে পানির বিপৎসীমার ৯ দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার। সেখনে পানি ৮ দশমিক ১১ সেন্টিমিটারে প্রবাহিত হচ্ছে। আর দৌলতদিয়া গেজস্টেশন পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ৮ দশমিক ২০ সেন্টিমিটার। সেখানে পানি ৬ দশমিক ৯০ সেন্টিমিটারে প্রবাহিত হচ্ছে। অর্থাৎ জেলার তিনটি গেজস্টেশন পয়েন্টেই পদ্মা নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

মো. হাফিজুর রহমান আরো বলেন, ফারাক্কা ব্যারেজের পানি রাজবাড়ীর পদ্মা নদীতে আসতে ২ থেকে ৩ দিন সময় লাগতে পারে। তবে পানি খুব বেশি বাড়ার আশঙ্কা নেই।

পানি বাড়লে রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট, মিজানপুর, খানগঞ্জ, কালুখালীর রতনদিয়া, হরিণবাড়িয়া, পাংশার বাহাদুরপুর, হাবাসপুর ও গোয়ালন্দের দেবগ্রাম এবং দৌলতদিয়া ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হতে পারে। তবে পানি রাজবাড়ী শহর রক্ষার বেড়িবাঁধ পাড় হওয়ার আশঙ্কা নেই। কারণ পানি বেড়িবাঁধ পাড় হতে গেলে নদীতে অন্তত ১৭ ফিট পানি বাড়তে হবে। এত পরিমাণ পানি বাড়ার কোনো আশঙ্কা নেই। তাই জেলাবাসীকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন পাউবোর ওই কর্মকর্তা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদে পর্যটকদের ঢল: জমজমাট চাঁদপুর, মুখর ‘মিনি কক্সবাজার

পদ্মার পানি বাড়েনি, বরং কমেছে : পাউবো

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:৩৪ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট ২০২৪

বিহার ও ঝাড়খণ্ডে বন্যা পরিস্থিতির কারণে ফারাক্কা ব্যারেজের সব গেট খুলে দিয়েছে ভারত। তবে এখন পর্যন্ত এর প্রভাব পড়েনি রাজবাড়ীর পদ্মা নদীতে। সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ১৫ ঘণ্টায় জেলার তিনটি গেজস্টেশন পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি বাড়েনি; বরং কমেছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পওর বিভাগ) উপসহকারী প্রকৌশলী মো. হাফিজুর রহমান জানান, গত ১৫ ঘণ্টায় পাংশার সেনগ্রাম গেজস্টেশন পয়েন্ট ও সদরের মহেন্দ্রপুর গেজস্টেশন পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি বাড়েনি। তবে গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া গেজস্টেশন পয়েন্টে পানি ৮ সেন্টিমিটার কমেছে।

তিনি বলেন, সেনগ্রাম গেজস্টেশন পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৫২ সেন্টিমিটার। সেখনে পানি ৯ দশমিক ০৭ সেন্টিমিটারে প্রবাহিত হচ্ছে। মহেন্দ্রপুর গেজস্টেশন পয়েন্টে পানির বিপৎসীমার ৯ দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার। সেখনে পানি ৮ দশমিক ১১ সেন্টিমিটারে প্রবাহিত হচ্ছে। আর দৌলতদিয়া গেজস্টেশন পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ৮ দশমিক ২০ সেন্টিমিটার। সেখানে পানি ৬ দশমিক ৯০ সেন্টিমিটারে প্রবাহিত হচ্ছে। অর্থাৎ জেলার তিনটি গেজস্টেশন পয়েন্টেই পদ্মা নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

মো. হাফিজুর রহমান আরো বলেন, ফারাক্কা ব্যারেজের পানি রাজবাড়ীর পদ্মা নদীতে আসতে ২ থেকে ৩ দিন সময় লাগতে পারে। তবে পানি খুব বেশি বাড়ার আশঙ্কা নেই।

পানি বাড়লে রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট, মিজানপুর, খানগঞ্জ, কালুখালীর রতনদিয়া, হরিণবাড়িয়া, পাংশার বাহাদুরপুর, হাবাসপুর ও গোয়ালন্দের দেবগ্রাম এবং দৌলতদিয়া ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হতে পারে। তবে পানি রাজবাড়ী শহর রক্ষার বেড়িবাঁধ পাড় হওয়ার আশঙ্কা নেই। কারণ পানি বেড়িবাঁধ পাড় হতে গেলে নদীতে অন্তত ১৭ ফিট পানি বাড়তে হবে। এত পরিমাণ পানি বাড়ার কোনো আশঙ্কা নেই। তাই জেলাবাসীকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন পাউবোর ওই কর্মকর্তা।