বুধবার | ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহে প্রতারক চক্রের বেপরোয়া তান্ডব, চাকরীর প্রলোভনে ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর বিপাকে ভুক্তভোগী পরিবার, থানায় অভিযোগ দায়ের Logo সাতক্ষীরায় ইয়াবা, অবৈধ অর্থ ও অস্ত্রসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ইয়াসিন আরাফাতসহ  গ্রেফতার- ৩ Logo নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৫ নেতা কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার Logo ইরান বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের Logo কোর্স ফি বৃদ্ধি ও ছাত্র প্রতিনিধি ইস্যুতে খুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ Logo নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা Logo ঝিনাইদহে চাকরীর প্রলোভন দেখিয়ে ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র, বিপাকে ভুক্তভোগী পরিবার, থানায় অভিযোগ দায়ের Logo শেরপুরে সেবার আলোর উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ Logo সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে ছাত্রদলের উদ্যোগে ক্যাম্পাসে ঘড়ি স্থাপন Logo চাঁদপুর কাচ্চি ডাইন ব্রাঞ্চে র‌্যাফেল জয়ীদের হাতে আনন্দের পুরস্কার”

মওলানা ভাসানীর ১৩৬তম জন্মবার্ষিকী আজ!

  • আপডেট সময় : ০২:৪৬:৩৮ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৬
  • ৮৯৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৩৬তম জন্মবার্ষিকী সোমবার। ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর তিনি সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ এবং ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

মওলানা ভাসানী ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের অন্যতম তৃণমূল রাজনীতিবিদ ও গণ-আন্দোলনের নায়ক, যিনি জীবদ্দশায় ১৯৪৭-এ সৃষ্ট পাকিস্তান ও ১৯৭১-এ প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি বাংলাদেশের মানুষের কাছে ‘মজলুম জননেতা’ হিসেবেই বেশি পরিচিত।

তিনি রাজনৈতিক জীবনের বেশির ভাগ সময় মাওপন্থি কমিউনিস্ট তথা বামধারা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার অনুসারীদের অনেকে এ জন্য তাকে ‘লাল মওলানা’ নামেও ডাকতেন। তিনি ছিলেন একজন দূরদর্শী নেতা এবং পঞ্চাশের দশকেই নিশ্চিত হয়েছিলেন যে পাকিস্তানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ একটি অচল রাষ্ট্রকাঠামো। ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দের কাগমারী সম্মেলনে তিনি পাকিস্তানের পশ্চিমা শাসকদের `ওয়ালাইকুমুসসালাম` বলে সর্বপ্রথম পূর্ব পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতার ইঙ্গিত দেন।

মওলানা ভাসানী সারাটা জীবন কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য ব্যয় করেছেন। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের জীবনে কখনো কোথাও মাথা নত করেননি। আপসহীন থেকেছেন নিজের আদর্শের প্রতি। জাতীয়তাবাদী চেতনাকে ধারণ করে মেহনতি মানুষের মুক্তির সংগ্রামে ছিলেন অবিচল। শুধু ব্রিটিশ নয়, পাকিস্তান স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে তিনি জীবনপণ লড়াই চালিয়েছেন। এই সকল লড়াই-সংগ্রামের জন্য জেল, জুলুম, হুলিয়াসহ নানা নির্যাতনের শিকার হন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার অবদান অবিস্মরণীয়।

মওলানা ভাসানীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্য রয়েছে ভাসানীর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, আলোচনা সভা, প্রদীপ প্রজ্বালন, লালনগীতি ও কবিতাপাঠ।

মওলানা ভাসানীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ আসাদ পরিষদ তার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা সভা, কবিতাপাঠ, লালনগীতি ও ১৩৬টি প্রদীপ প্রজ্বালন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। বেলা ৩টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তনে এই প্রদীপ প্রজ্বালন অনুষ্ঠিত হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহে প্রতারক চক্রের বেপরোয়া তান্ডব, চাকরীর প্রলোভনে ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর বিপাকে ভুক্তভোগী পরিবার, থানায় অভিযোগ দায়ের

মওলানা ভাসানীর ১৩৬তম জন্মবার্ষিকী আজ!

আপডেট সময় : ০২:৪৬:৩৮ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৬

নিউজ ডেস্ক:

মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৩৬তম জন্মবার্ষিকী সোমবার। ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর তিনি সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ এবং ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

মওলানা ভাসানী ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের অন্যতম তৃণমূল রাজনীতিবিদ ও গণ-আন্দোলনের নায়ক, যিনি জীবদ্দশায় ১৯৪৭-এ সৃষ্ট পাকিস্তান ও ১৯৭১-এ প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি বাংলাদেশের মানুষের কাছে ‘মজলুম জননেতা’ হিসেবেই বেশি পরিচিত।

তিনি রাজনৈতিক জীবনের বেশির ভাগ সময় মাওপন্থি কমিউনিস্ট তথা বামধারা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার অনুসারীদের অনেকে এ জন্য তাকে ‘লাল মওলানা’ নামেও ডাকতেন। তিনি ছিলেন একজন দূরদর্শী নেতা এবং পঞ্চাশের দশকেই নিশ্চিত হয়েছিলেন যে পাকিস্তানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ একটি অচল রাষ্ট্রকাঠামো। ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দের কাগমারী সম্মেলনে তিনি পাকিস্তানের পশ্চিমা শাসকদের `ওয়ালাইকুমুসসালাম` বলে সর্বপ্রথম পূর্ব পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতার ইঙ্গিত দেন।

মওলানা ভাসানী সারাটা জীবন কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য ব্যয় করেছেন। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের জীবনে কখনো কোথাও মাথা নত করেননি। আপসহীন থেকেছেন নিজের আদর্শের প্রতি। জাতীয়তাবাদী চেতনাকে ধারণ করে মেহনতি মানুষের মুক্তির সংগ্রামে ছিলেন অবিচল। শুধু ব্রিটিশ নয়, পাকিস্তান স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে তিনি জীবনপণ লড়াই চালিয়েছেন। এই সকল লড়াই-সংগ্রামের জন্য জেল, জুলুম, হুলিয়াসহ নানা নির্যাতনের শিকার হন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার অবদান অবিস্মরণীয়।

মওলানা ভাসানীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্য রয়েছে ভাসানীর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, আলোচনা সভা, প্রদীপ প্রজ্বালন, লালনগীতি ও কবিতাপাঠ।

মওলানা ভাসানীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ আসাদ পরিষদ তার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা সভা, কবিতাপাঠ, লালনগীতি ও ১৩৬টি প্রদীপ প্রজ্বালন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। বেলা ৩টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তনে এই প্রদীপ প্রজ্বালন অনুষ্ঠিত হবে।