বৃহস্পতিবার | ১৯ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন মানবদূত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আহ্বায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম আকাশ Logo ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন পাক্ষিক চাঁদনগরের সম্পাদক সাবিত্রী রানী ঘোষ Logo শতাধিক অসহায় মানুষের মাঝে যমুনা রোড স্পোর্টিং ক্লাবের ঈদ উপহার বিতরণ Logo ইফতার মাহফিল থেকে সামাজিক জাগরণ: মাদকবিরোধী আন্দোলনে কাপাসিয়ার ঐক্য Logo ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত আনচেলত্তির চুক্তি বাড়াতে যাচ্ছে ব্রাজিল Logo কাবুলে পাকিস্তানের হামলার পর সংযম প্রদর্শনের আহ্বান চীনের Logo ঈদযাত্রা সুষ্ঠু ও সুন্দর করতে সব ইউনিটের ফোর্স নিয়োজিত থাকবে: আইজিপি Logo চাঁদপুরে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ড্যাবের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ ও ইফতার মাহফিল Logo মাদকমুক্ত কাপাসিয়া গড়ার অঙ্গীকার যুব সংগঠনের মিলনমেলায় নতুন দিগন্ত Logo চাঁদপুরে জিএম বাংলা লিমিটেডের ঈদ উপহার: অসহায় ও এতিমদের মুখে হাসি

হরিণাকুন্ডুতে সাড়ে ৩৭ কোটি টাকার সড়ক নির্মাণে ভেল্কিবাজী, কাজ শেষ হওয়ার আগেই সাড়ে ৩৭ কোটি টাকার বিল ঠিকাদারের পেটে !

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ১১:০৩:৪২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৩ জুলাই ২০১৮
  • ৭৮৮ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার,ঝিনাইদহঃ ঝিনাইদহ থেকে হরিণাকুন্ডু ভায়া ভালকী বাজার রাস্তার কাজ শেষ হওয়ার আগেই ৩৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার বিল তুলে নেওয়া হয়েছে। অথচ গত ৩০ জুনের আগে কাজটি শেষ করার কথা ছিল। অভিযোগ রয়েছে, সওজ কর্মকর্তাদের যোগসাজসে কাজটি শুরু থেকেই অনিয়ম আর দুর্নীতির মাধ্যমে করা হয়েছে। ফলে সপ্তাহ পার হতে না হতেই রাস্তার একাধিক স্থানে ফাটল ও রাস্তার এক সাইট দেবে গেছে। এ সব ছবি গ্রামবাসির ফেসবুক ওয়ালে ভাইরাল হলে তড়িঘড়ি করে মেরামত করা হয়। সরেজমিন দেখা গেছে, তিন দিন আগে যেনতেন ভাবে ২১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বৃহৎ এই সড়কটির কাজ শেষ করা হয়েছে। এখনো কাপাশহাটিয়া হাজী আরশাদ আলী কলেজের কাছে একটি ব্রীজ অসম্পন্ন রয়েছে। সাইটে মালামাল পড়ে রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার হরিণাকুন্ডুু উপজেলার মোড় এলাকায় কার্পেটিংয়ের কাজ করা হচ্ছিল। এ অবস্থায় গত ৩০ জুনের আগেই আর্থিক সুবিধা নিয়ে তড়িঘড়ি করে ঠিকাদারকে বিল পরিশোধ করা চরম অন্যায় ও দুর্নীতি বলে অনেকে মনে করছেন। ঝিনাইদহ সড়ক বিভাগের সদ্য বদলী হওয়া নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম মোয়াজ্জেম হোসেন দাবি করেছেন, চূড়ান্ত বিল প্রদান করা হলেও চেক এখনও ঠিকাদারকে হস্তান্তর করা হয়নি। সরেজমিন দেখা গেছে, সড়কের কালভার্টসহ সোল্ডারে মাটি ভরাট এবং রোড মার্কিংয়ের কাজ চলছে। নারী শ্রমিকরা মাটি কেটে সোল্ডারে দিচ্ছেন। সিডিউল মোতাবেক ঠিকাদারকে অন্য স্থান থেকে মাটি এনে সড়কের সোল্ডারে দেয়া কথা। এ কাজের জন্য কয়েক কোটি টাকা সিডিউলে ধরা রয়েছে। দেখা যায় সড়কের কাপাসাটিয়া (ডাকপার) খালের ওপর প্রায় ২০ মিটার লম্বা এবং ১০ মিটার প্রস্থ বড় কালভার্ট নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি। ঝিনাইদহ সার্কিট হাউসের কাছে রাস্তা ও বেড় দেবে গেছে। রাস্তা নির্মানে বেহাল চিত্র দেখে মানুষ হা-হুতাশ করছে। ঝিনাইদহ সওজ বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে হরিণাকুন্ডুু উপজেলা শহরের মোড় পর্যন্ত প্রায় ২১ কিলোমিটার সড়ক মেরামত ও সংস্কারের জন্য দরপত্র আহŸান করা হয়। সড়কটি নির্মাণ করতে এডিবির বরাদ্দ থেকে ৪২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়। র‌্যাব আরসি ও মেসার্স জহিরুল ইসলামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি করতে যৌথভাবে নির্বাচিত হয়। সিডিউল মোতাবেক সড়কটির ১২ ফুটের জায়গায় ১৮ ফুট প্রশস্তকরণসহ পিচ কার্পেটিংয়ের সঙ্গে ১৭টি ছোট এবং একটি বড় কালভার্ট নির্মাণ করার কথা। সেই সঙ্গে সড়কের দু’ধারের সোল্ডারে ৩ ফুট প্রশস্ত করে মাটি ভরাট করে রোড মার্কিং চেক (এক ধরনের পিলার) দেয়ার কথা। পৃথক ৩টি প্যাকেজে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজটি শেষ করার জন্য নির্বাচিত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করা হয়। প্রাপ্ত তথ্যমতে গত বছরের মে মাসে কাজটি শুরু করা হয়। প্রথম থেকেই ব্যাপক অনিয়ম ধরা পড়ে। নি¤œমানের ইট-বালু খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে এমন অভিযোগে ওই বছরের ৮ আগস্ট হরিণাকুন্ডুর মথুরাপুর গ্রামবাসি কাজটি বন্ধ করে দেয়। হরিণাকুন্ডুর তৎকালীন ইউএনও মনিরা পারভিন ও কাপাশহাটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মশিয়ার রহমান জোয়ারদারের মধ্যস্থতায় কাজটি শুরু করেন ঠিকাদারের লোকজন। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে কাজটি শেষ করার কথা থাকলেও সময় বাড়িয়ে ২০১৮ সালের ৩০ জুন করা হয়। তারপরও বর্ধিত সময়েও কাজটি শেষ হয়নি। এ জন্য ঠিকাদারকে শাস্তির মুখোমুখি না করে উপরন্ত তাকে বিধি বহির্ভুত ভাবে কাজ শেষের আগেই বিল দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই রাস্তার দায়িত্বে থাকা এসও ঝিনাইদহ সড়ক বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, গত ৩০ জুন চূড়ান্ত বিল বাবাদ ৩৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা ঠিকাদারকে পরিশোধ দেখানো হয়েছে। মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে এ ধরনের কাজ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। একই বিভাগের এসডি তানভীর আহমেদ বলেন, কাজ শেষ না হলেও টেকনিক্যাল কারণে ঠিকাদারকে চূড়ান্ত বিল প্রদান করা হয়েছে। এর জন্য চাপে পড়েছেন তারা। অভিযোগ করা হয়েছে যথা সময়ে কাজটি শেষ না হলেও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠনের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। বরং গোপনে খাতাপত্রে কাজ সমাপ্ত দেখিয়ে চূড়ান্ত বিল উত্তোলন করা হয়েছে। এছাড়া গত জুনে ৫০ হাজারের নিচে ডিপিএম দেখিয়ে ৩৪টি, এক লাখের নিচে দেখিয়ে ৪০ টি ও ৫ লাখের কম দেখিয়ে ৪টি আরএফকিউ টেন্ডার করে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই কাজের সাথে ঝিনাইদহ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী, এসডি ও কয়েকজন উপসহকারী প্রকৌশলী জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। খুলনার মোজাহার এন্টার প্রাইজের নামে পাথরকুচি, ইট ও বালি সাপ্লাইয়ের কাজ দেখিয়ে ৪০ লাখ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন মানবদূত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আহ্বায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম আকাশ

হরিণাকুন্ডুতে সাড়ে ৩৭ কোটি টাকার সড়ক নির্মাণে ভেল্কিবাজী, কাজ শেষ হওয়ার আগেই সাড়ে ৩৭ কোটি টাকার বিল ঠিকাদারের পেটে !

আপডেট সময় : ১১:০৩:৪২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৩ জুলাই ২০১৮

স্টাফ রিপোর্টার,ঝিনাইদহঃ ঝিনাইদহ থেকে হরিণাকুন্ডু ভায়া ভালকী বাজার রাস্তার কাজ শেষ হওয়ার আগেই ৩৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার বিল তুলে নেওয়া হয়েছে। অথচ গত ৩০ জুনের আগে কাজটি শেষ করার কথা ছিল। অভিযোগ রয়েছে, সওজ কর্মকর্তাদের যোগসাজসে কাজটি শুরু থেকেই অনিয়ম আর দুর্নীতির মাধ্যমে করা হয়েছে। ফলে সপ্তাহ পার হতে না হতেই রাস্তার একাধিক স্থানে ফাটল ও রাস্তার এক সাইট দেবে গেছে। এ সব ছবি গ্রামবাসির ফেসবুক ওয়ালে ভাইরাল হলে তড়িঘড়ি করে মেরামত করা হয়। সরেজমিন দেখা গেছে, তিন দিন আগে যেনতেন ভাবে ২১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বৃহৎ এই সড়কটির কাজ শেষ করা হয়েছে। এখনো কাপাশহাটিয়া হাজী আরশাদ আলী কলেজের কাছে একটি ব্রীজ অসম্পন্ন রয়েছে। সাইটে মালামাল পড়ে রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার হরিণাকুন্ডুু উপজেলার মোড় এলাকায় কার্পেটিংয়ের কাজ করা হচ্ছিল। এ অবস্থায় গত ৩০ জুনের আগেই আর্থিক সুবিধা নিয়ে তড়িঘড়ি করে ঠিকাদারকে বিল পরিশোধ করা চরম অন্যায় ও দুর্নীতি বলে অনেকে মনে করছেন। ঝিনাইদহ সড়ক বিভাগের সদ্য বদলী হওয়া নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম মোয়াজ্জেম হোসেন দাবি করেছেন, চূড়ান্ত বিল প্রদান করা হলেও চেক এখনও ঠিকাদারকে হস্তান্তর করা হয়নি। সরেজমিন দেখা গেছে, সড়কের কালভার্টসহ সোল্ডারে মাটি ভরাট এবং রোড মার্কিংয়ের কাজ চলছে। নারী শ্রমিকরা মাটি কেটে সোল্ডারে দিচ্ছেন। সিডিউল মোতাবেক ঠিকাদারকে অন্য স্থান থেকে মাটি এনে সড়কের সোল্ডারে দেয়া কথা। এ কাজের জন্য কয়েক কোটি টাকা সিডিউলে ধরা রয়েছে। দেখা যায় সড়কের কাপাসাটিয়া (ডাকপার) খালের ওপর প্রায় ২০ মিটার লম্বা এবং ১০ মিটার প্রস্থ বড় কালভার্ট নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি। ঝিনাইদহ সার্কিট হাউসের কাছে রাস্তা ও বেড় দেবে গেছে। রাস্তা নির্মানে বেহাল চিত্র দেখে মানুষ হা-হুতাশ করছে। ঝিনাইদহ সওজ বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে হরিণাকুন্ডুু উপজেলা শহরের মোড় পর্যন্ত প্রায় ২১ কিলোমিটার সড়ক মেরামত ও সংস্কারের জন্য দরপত্র আহŸান করা হয়। সড়কটি নির্মাণ করতে এডিবির বরাদ্দ থেকে ৪২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়। র‌্যাব আরসি ও মেসার্স জহিরুল ইসলামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি করতে যৌথভাবে নির্বাচিত হয়। সিডিউল মোতাবেক সড়কটির ১২ ফুটের জায়গায় ১৮ ফুট প্রশস্তকরণসহ পিচ কার্পেটিংয়ের সঙ্গে ১৭টি ছোট এবং একটি বড় কালভার্ট নির্মাণ করার কথা। সেই সঙ্গে সড়কের দু’ধারের সোল্ডারে ৩ ফুট প্রশস্ত করে মাটি ভরাট করে রোড মার্কিং চেক (এক ধরনের পিলার) দেয়ার কথা। পৃথক ৩টি প্যাকেজে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজটি শেষ করার জন্য নির্বাচিত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করা হয়। প্রাপ্ত তথ্যমতে গত বছরের মে মাসে কাজটি শুরু করা হয়। প্রথম থেকেই ব্যাপক অনিয়ম ধরা পড়ে। নি¤œমানের ইট-বালু খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে এমন অভিযোগে ওই বছরের ৮ আগস্ট হরিণাকুন্ডুর মথুরাপুর গ্রামবাসি কাজটি বন্ধ করে দেয়। হরিণাকুন্ডুর তৎকালীন ইউএনও মনিরা পারভিন ও কাপাশহাটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মশিয়ার রহমান জোয়ারদারের মধ্যস্থতায় কাজটি শুরু করেন ঠিকাদারের লোকজন। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে কাজটি শেষ করার কথা থাকলেও সময় বাড়িয়ে ২০১৮ সালের ৩০ জুন করা হয়। তারপরও বর্ধিত সময়েও কাজটি শেষ হয়নি। এ জন্য ঠিকাদারকে শাস্তির মুখোমুখি না করে উপরন্ত তাকে বিধি বহির্ভুত ভাবে কাজ শেষের আগেই বিল দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই রাস্তার দায়িত্বে থাকা এসও ঝিনাইদহ সড়ক বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, গত ৩০ জুন চূড়ান্ত বিল বাবাদ ৩৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা ঠিকাদারকে পরিশোধ দেখানো হয়েছে। মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে এ ধরনের কাজ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। একই বিভাগের এসডি তানভীর আহমেদ বলেন, কাজ শেষ না হলেও টেকনিক্যাল কারণে ঠিকাদারকে চূড়ান্ত বিল প্রদান করা হয়েছে। এর জন্য চাপে পড়েছেন তারা। অভিযোগ করা হয়েছে যথা সময়ে কাজটি শেষ না হলেও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠনের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। বরং গোপনে খাতাপত্রে কাজ সমাপ্ত দেখিয়ে চূড়ান্ত বিল উত্তোলন করা হয়েছে। এছাড়া গত জুনে ৫০ হাজারের নিচে ডিপিএম দেখিয়ে ৩৪টি, এক লাখের নিচে দেখিয়ে ৪০ টি ও ৫ লাখের কম দেখিয়ে ৪টি আরএফকিউ টেন্ডার করে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই কাজের সাথে ঝিনাইদহ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী, এসডি ও কয়েকজন উপসহকারী প্রকৌশলী জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। খুলনার মোজাহার এন্টার প্রাইজের নামে পাথরকুচি, ইট ও বালি সাপ্লাইয়ের কাজ দেখিয়ে ৪০ লাখ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।