মঙ্গলবার | ৩ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল Logo শতাধিক রোজাদারদের মুখে হাসি ফোটালেন বিজয়ীর ফাউন্ডার তানিয়া ইশতিয়াক খান Logo পলাশবাড়ীতে স্বামীর নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর মৃত্যু!! আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা Logo পলাশবাড়ী পৌর শহরে সড়কের গাছ চুরি চিহৃিন্ত চক্র আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী Logo এসিএস ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট চাপ্টার খুলনা ইউনিভার্সিটি’র নেতৃত্বে শাহরিয়ার-কমানিং Logo বেরোবি জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ফোরাম নেতৃত্বে রোকনুজ্জামান – মামদুদুর  Logo শ্যামনগরে প্রেসক্লাব সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন Logo যশোর বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে আসলো আওয়ামী লীগের সাবেক এমপির মরদেহ Logo জীবননগরে পবিত্র মাহে রমজান মাস উপলক্ষে সুলভ মূল্যে কৃষি পণ্য বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন Logo ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

ছেলের কবরের সামনে বাকরুদ্ধ খালেদা জিয়া !

  • আপডেট সময় : ১২:৫১:৩৫ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৫ জানুয়ারি ২০১৭
  • ৮২৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:   ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে তার কবর জিয়ারত করতে গিয়ে বাকরুদ্ধ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অপলক দৃষ্টিতে শুধু তাকিয়ে থেকেছেন কিছুক্ষণ।

সন্তান হারানোর বেদনা যে কতটা কষ্টের আর অসহনীয়, তা যেন ওই সময়ের জন্য উপলব্ধি করেছে সেখানকার প্রকৃতিও।

কবরের সামনে গিয়ে অশ্রুসিক্ত চোখে ছেলের কবর জিয়ারত করেছেন খালেদা জিয়া। পবিত্র ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করে কোকোর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন তিনি। এ সময় শোকাবহ পরিবেশ চারিদিক ভারী হয়ে ওঠে।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে আরাফাত রহমান কোকোর কবরের সামনে যান বিএনপি নেত্রী।

এ সময় তার সঙ্গে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান, উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল, ছাত্রদল সভাপতি রাজীব আহসান, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে আরাফাত রহমান কোকোর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। দুপুরে শ্রদ্ধা জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দুজনেই কোকোর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে হত দরিদ্রদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।

১৯৭০ সালে যখন মুক্তিযুদ্ধের আন্দোলন দানা বেঁধে উঠছিল, ঠিক ওই সময়ে কুমিল্লা সেনানিবাসে আরাফাত রহমান কোকো জন্ম নেন।  সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সেনানিবাসের বাড়ি থেকে খালেদা জিয়ার সঙ্গে গ্রেপ্তার হন কোকো। ২০০৮ সালের ১৭ জুলাই জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরদিন চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড যান তিনি। স্ত্রী শর্মিলা রহমান, দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে নিয়ে সেখান থেকে মালয়েশিয়ায় চলে যান কোকো। সাত বছর ধরে মালয়েশিয়ায় থাকা কোকো ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল

ছেলের কবরের সামনে বাকরুদ্ধ খালেদা জিয়া !

আপডেট সময় : ১২:৫১:৩৫ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৫ জানুয়ারি ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:   ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে তার কবর জিয়ারত করতে গিয়ে বাকরুদ্ধ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অপলক দৃষ্টিতে শুধু তাকিয়ে থেকেছেন কিছুক্ষণ।

সন্তান হারানোর বেদনা যে কতটা কষ্টের আর অসহনীয়, তা যেন ওই সময়ের জন্য উপলব্ধি করেছে সেখানকার প্রকৃতিও।

কবরের সামনে গিয়ে অশ্রুসিক্ত চোখে ছেলের কবর জিয়ারত করেছেন খালেদা জিয়া। পবিত্র ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করে কোকোর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন তিনি। এ সময় শোকাবহ পরিবেশ চারিদিক ভারী হয়ে ওঠে।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে আরাফাত রহমান কোকোর কবরের সামনে যান বিএনপি নেত্রী।

এ সময় তার সঙ্গে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান, উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল, ছাত্রদল সভাপতি রাজীব আহসান, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে আরাফাত রহমান কোকোর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। দুপুরে শ্রদ্ধা জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দুজনেই কোকোর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে হত দরিদ্রদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।

১৯৭০ সালে যখন মুক্তিযুদ্ধের আন্দোলন দানা বেঁধে উঠছিল, ঠিক ওই সময়ে কুমিল্লা সেনানিবাসে আরাফাত রহমান কোকো জন্ম নেন।  সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সেনানিবাসের বাড়ি থেকে খালেদা জিয়ার সঙ্গে গ্রেপ্তার হন কোকো। ২০০৮ সালের ১৭ জুলাই জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরদিন চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড যান তিনি। স্ত্রী শর্মিলা রহমান, দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে নিয়ে সেখান থেকে মালয়েশিয়ায় চলে যান কোকো। সাত বছর ধরে মালয়েশিয়ায় থাকা কোকো ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান।