শনিবার | ২৯ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা Logo খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo টেকনাফে বিজিবির অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন সন্ত্রাসী আটক Logo মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর আটক: Logo সাতক্ষীরা-০২ এ ধানের শীষের জয়ে নতুন অধ্যায়—বিএনপির একতাবদ্ধ ঘোষণা Logo বুটেক্স অ্যালামনাই ইউএসএ-এর আত্মপ্রকাশ: যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের মিলনমেলা ও কমিটি গঠন Logo বুটেক্সের প্রথম সমাবর্তন আগামী ২৭ ডিসেম্বর Logo রাবিতে ইলা মিত্রকে নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo নোবিপ্রবিতে গবেষণা, বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ

ছেলের কবরের সামনে বাকরুদ্ধ খালেদা জিয়া !

  • আপডেট সময় : ১২:৫১:৩৫ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৫ জানুয়ারি ২০১৭
  • ৮০৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:   ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে তার কবর জিয়ারত করতে গিয়ে বাকরুদ্ধ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অপলক দৃষ্টিতে শুধু তাকিয়ে থেকেছেন কিছুক্ষণ।

সন্তান হারানোর বেদনা যে কতটা কষ্টের আর অসহনীয়, তা যেন ওই সময়ের জন্য উপলব্ধি করেছে সেখানকার প্রকৃতিও।

কবরের সামনে গিয়ে অশ্রুসিক্ত চোখে ছেলের কবর জিয়ারত করেছেন খালেদা জিয়া। পবিত্র ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করে কোকোর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন তিনি। এ সময় শোকাবহ পরিবেশ চারিদিক ভারী হয়ে ওঠে।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে আরাফাত রহমান কোকোর কবরের সামনে যান বিএনপি নেত্রী।

এ সময় তার সঙ্গে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান, উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল, ছাত্রদল সভাপতি রাজীব আহসান, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে আরাফাত রহমান কোকোর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। দুপুরে শ্রদ্ধা জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দুজনেই কোকোর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে হত দরিদ্রদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।

১৯৭০ সালে যখন মুক্তিযুদ্ধের আন্দোলন দানা বেঁধে উঠছিল, ঠিক ওই সময়ে কুমিল্লা সেনানিবাসে আরাফাত রহমান কোকো জন্ম নেন।  সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সেনানিবাসের বাড়ি থেকে খালেদা জিয়ার সঙ্গে গ্রেপ্তার হন কোকো। ২০০৮ সালের ১৭ জুলাই জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরদিন চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড যান তিনি। স্ত্রী শর্মিলা রহমান, দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে নিয়ে সেখান থেকে মালয়েশিয়ায় চলে যান কোকো। সাত বছর ধরে মালয়েশিয়ায় থাকা কোকো ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা

ছেলের কবরের সামনে বাকরুদ্ধ খালেদা জিয়া !

আপডেট সময় : ১২:৫১:৩৫ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৫ জানুয়ারি ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:   ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে তার কবর জিয়ারত করতে গিয়ে বাকরুদ্ধ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অপলক দৃষ্টিতে শুধু তাকিয়ে থেকেছেন কিছুক্ষণ।

সন্তান হারানোর বেদনা যে কতটা কষ্টের আর অসহনীয়, তা যেন ওই সময়ের জন্য উপলব্ধি করেছে সেখানকার প্রকৃতিও।

কবরের সামনে গিয়ে অশ্রুসিক্ত চোখে ছেলের কবর জিয়ারত করেছেন খালেদা জিয়া। পবিত্র ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করে কোকোর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন তিনি। এ সময় শোকাবহ পরিবেশ চারিদিক ভারী হয়ে ওঠে।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে আরাফাত রহমান কোকোর কবরের সামনে যান বিএনপি নেত্রী।

এ সময় তার সঙ্গে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান, উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল, ছাত্রদল সভাপতি রাজীব আহসান, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে আরাফাত রহমান কোকোর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। দুপুরে শ্রদ্ধা জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দুজনেই কোকোর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে হত দরিদ্রদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।

১৯৭০ সালে যখন মুক্তিযুদ্ধের আন্দোলন দানা বেঁধে উঠছিল, ঠিক ওই সময়ে কুমিল্লা সেনানিবাসে আরাফাত রহমান কোকো জন্ম নেন।  সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সেনানিবাসের বাড়ি থেকে খালেদা জিয়ার সঙ্গে গ্রেপ্তার হন কোকো। ২০০৮ সালের ১৭ জুলাই জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরদিন চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড যান তিনি। স্ত্রী শর্মিলা রহমান, দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে নিয়ে সেখান থেকে মালয়েশিয়ায় চলে যান কোকো। সাত বছর ধরে মালয়েশিয়ায় থাকা কোকো ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান।