বুধবার | ১৮ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন মানবদূত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আহ্বায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম আকাশ Logo ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন পাক্ষিক চাঁদনগরের সম্পাদক সাবিত্রী রানী ঘোষ Logo শতাধিক অসহায় মানুষের মাঝে যমুনা রোড স্পোর্টিং ক্লাবের ঈদ উপহার বিতরণ Logo ইফতার মাহফিল থেকে সামাজিক জাগরণ: মাদকবিরোধী আন্দোলনে কাপাসিয়ার ঐক্য Logo ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত আনচেলত্তির চুক্তি বাড়াতে যাচ্ছে ব্রাজিল Logo কাবুলে পাকিস্তানের হামলার পর সংযম প্রদর্শনের আহ্বান চীনের Logo ঈদযাত্রা সুষ্ঠু ও সুন্দর করতে সব ইউনিটের ফোর্স নিয়োজিত থাকবে: আইজিপি Logo চাঁদপুরে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ড্যাবের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ ও ইফতার মাহফিল Logo মাদকমুক্ত কাপাসিয়া গড়ার অঙ্গীকার যুব সংগঠনের মিলনমেলায় নতুন দিগন্ত Logo চাঁদপুরে জিএম বাংলা লিমিটেডের ঈদ উপহার: অসহায় ও এতিমদের মুখে হাসি

নিউজ ডেস্ক:দামুড়হুদার গোপালপুর-লক্ষীপুরে টানা বর্ষণে হাজার হাজার বিঘা

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১১:২৮:৩৯ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ৪ জুলাই ২০১৮
  • ৭৭৬ বার পড়া হয়েছে

ফসল প্লাবিত: পানি বন্দি দু’শতাধিক পরিবার
রোকনুজ্জামান রোকন: টানা বর্ষণে প্লাবিত হয়ে দামুড়হুদার গোপালপুর-লক্ষীপুরের হাজার হাজার বিঘা ফসল তলিয়ে গেছে। এছাড়াও গোপালপুরের খাল ভরাটের কারনে পানি বন্দি হয়েছে কয়েক’শ পরিবার। ফসল প্লাবিত ও পানি বন্দি হওয়ার মূল কারন হিসাবে ধরা হচ্ছে খাল ভরাট করাকে। অত্র এলাকার পানি নিষ্কাশনের একমাত্র খালটি এখন মৃত প্রায়। সরকারি খলটি সংস্কার না করার কারনে এখন যে যার মত ব্যবহার করছে এমনটিই জানালেন এলাকাবাসী। এই গ্রামের কয়েকজন চাষী চোখের পানি ফেলতে ফেলতে বলেন, আজ যদি আমাদের গ্রামের খালটি সচল থাকতো তাহলে আমাদের এত কষ্টের পরিশ্রম বিফলে যেত না। ডুবতো না আমাদের ধান, কুমড়া শাকসবজি। অন্যদিকে কয়েক দিনের টানা বর্ষণে পানি বন্দি হয়ে পড়েছে গ্রামের দুই শতাধিক পরিবার। গোপালপুর, লক্ষীপুর, ইব্রাহীমপুর কলাবাড়ী, রামনগরসহ আশপাশের গ্রামের মাঠ পরিদর্শন করে দেখা যায়, ধান, মিষ্টি কুমড়া, বেগুনসহ সকল শাকসবজি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। গোপালপুর গ্রামের বর্গাচাষী আলামিনের সাথে কথা বলে জানা যায়, গোপালপুর গ্রামের প্রায় দুই হাজার বিঘা ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। চাষী শাহিনের সাথে কথা বলে জানা যায়, এ গ্রামের প্রায় পাঁচশ’ বিঘা শাকসবজি প্লাবিত হয়েছে। তিনি আরো জানান, এ ফসলগুলো প্লাবিত হওয়ার একটাই কারন খাল দিয়ে পানি প্রবাহিত না হওয়া। গ্রামের সকল মাঠের পানি প্রবাহিত হতো এ খালের মাধ্যমে। কৃষকদের পাশাপাশি মাছ চাষীরাও পড়েছে চরম ভোগান্তিতে। বড় জেয়ালা নামক মাঠে বেশ কয়েকজন মাছ চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছে। এমতাবস্তায় পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথটি বন্ধ থাকায় মাছ চাষীরাও পড়েছে চরম বিপাকে। গতকালের ভারি বর্ষণে পুকুরের বাধ ভেঙ্গে কয়েক লাখ টাকার মাছ মাঠের মধ্যে বিলিন হয়ে গেছে। তাই গ্রামের ছোট থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সকলের প্রাণের দাবি খালটি যারা ভরাট করেছে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা এবং খালের সংস্কার করার জন্য কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন মানবদূত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আহ্বায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম আকাশ

নিউজ ডেস্ক:দামুড়হুদার গোপালপুর-লক্ষীপুরে টানা বর্ষণে হাজার হাজার বিঘা

আপডেট সময় : ১১:২৮:৩৯ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ৪ জুলাই ২০১৮

ফসল প্লাবিত: পানি বন্দি দু’শতাধিক পরিবার
রোকনুজ্জামান রোকন: টানা বর্ষণে প্লাবিত হয়ে দামুড়হুদার গোপালপুর-লক্ষীপুরের হাজার হাজার বিঘা ফসল তলিয়ে গেছে। এছাড়াও গোপালপুরের খাল ভরাটের কারনে পানি বন্দি হয়েছে কয়েক’শ পরিবার। ফসল প্লাবিত ও পানি বন্দি হওয়ার মূল কারন হিসাবে ধরা হচ্ছে খাল ভরাট করাকে। অত্র এলাকার পানি নিষ্কাশনের একমাত্র খালটি এখন মৃত প্রায়। সরকারি খলটি সংস্কার না করার কারনে এখন যে যার মত ব্যবহার করছে এমনটিই জানালেন এলাকাবাসী। এই গ্রামের কয়েকজন চাষী চোখের পানি ফেলতে ফেলতে বলেন, আজ যদি আমাদের গ্রামের খালটি সচল থাকতো তাহলে আমাদের এত কষ্টের পরিশ্রম বিফলে যেত না। ডুবতো না আমাদের ধান, কুমড়া শাকসবজি। অন্যদিকে কয়েক দিনের টানা বর্ষণে পানি বন্দি হয়ে পড়েছে গ্রামের দুই শতাধিক পরিবার। গোপালপুর, লক্ষীপুর, ইব্রাহীমপুর কলাবাড়ী, রামনগরসহ আশপাশের গ্রামের মাঠ পরিদর্শন করে দেখা যায়, ধান, মিষ্টি কুমড়া, বেগুনসহ সকল শাকসবজি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। গোপালপুর গ্রামের বর্গাচাষী আলামিনের সাথে কথা বলে জানা যায়, গোপালপুর গ্রামের প্রায় দুই হাজার বিঘা ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। চাষী শাহিনের সাথে কথা বলে জানা যায়, এ গ্রামের প্রায় পাঁচশ’ বিঘা শাকসবজি প্লাবিত হয়েছে। তিনি আরো জানান, এ ফসলগুলো প্লাবিত হওয়ার একটাই কারন খাল দিয়ে পানি প্রবাহিত না হওয়া। গ্রামের সকল মাঠের পানি প্রবাহিত হতো এ খালের মাধ্যমে। কৃষকদের পাশাপাশি মাছ চাষীরাও পড়েছে চরম ভোগান্তিতে। বড় জেয়ালা নামক মাঠে বেশ কয়েকজন মাছ চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছে। এমতাবস্তায় পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথটি বন্ধ থাকায় মাছ চাষীরাও পড়েছে চরম বিপাকে। গতকালের ভারি বর্ষণে পুকুরের বাধ ভেঙ্গে কয়েক লাখ টাকার মাছ মাঠের মধ্যে বিলিন হয়ে গেছে। তাই গ্রামের ছোট থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সকলের প্রাণের দাবি খালটি যারা ভরাট করেছে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা এবং খালের সংস্কার করার জন্য কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ।