শনিবার | ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo রাবির ‘এ’ ইউনিটের প্রথম শিফটে প্রথম অনন্ত, দ্বিতীয় শিফটে সিয়াম Logo চাঁদপুর-৩ আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী সাংবাদিক মাওলানা এএইচএম আহসান উল্লাহ চাঁদপুর পৌরসভার ১৫নং ওয়ার্ড এবং তরপুরচণ্ডী ইউনিয়নে ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন Logo বীরগঞ্জের বিএনপি’র নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ! Logo হাবিবুর রহমান ইসলামী যুব আন্দোলন চাঁদপুর জেলার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মনোনীত Logo খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারতে নোবিপ্রবির গাড়ি ব্যবহার, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ Logo ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী মন্দির নির্মাণের প্রতিশ্রুতি উপ-উপাচার্যের Logo কলারোয়ায় মিনি স্টেডিয়াম ও বাইপাস সড়ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি হাবিবুল ইসলাম হাবিবের Logo ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা Logo হাদী হত্যা বিচারের দাবিতে খুবির কেমিস্ট্রি ডিসিপ্লিনের ভিন্নধর্মী প্রতিবাদ Logo খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ : যানজট নিরসনে কার্যকরী পদক্ষেপ

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ১০:৩৬:৪৩ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১ জুন ২০১৮
  • ৭৭৬ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গা রেল বাজার থেকে একাডেমি মোড় পর্যন্ত সড়কের পাশের
নিউজ ডেস্ক: চুয়াডাঙ্গা রেল গেটে দীর্ঘ যানজটের অন্ত নেই। কয়েক দফায় সিদ্ধান্ত নেয়ার পরেও অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে অনীহা প্রকাশ করে দখলদাররা। এ স্থাপনা সমূহ উচ্ছেদে জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভায় বার বার নির্দেশনা এসেছে। আপতত ছোট ও হালকা যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে রেল গেটের পার্শ্ববর্তী আন্ডারপাসটি। তারপরেও যানজট সমস্যা নিরসন না হওয়ায় গতকাল বৃহস্পতিবার ভেঙে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে রাস্তার কোল ঘেঁষে থাকা প্রায় অর্ধ শতাধিক ছোট বড় অবৈধ স্থাপনা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফখরুল ইসলাম। এ ছাড়াও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহা. জসীম উদ্দীন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খোন্দকার ফরহাদ আহমদ দাঁড়িয়ে থেকে উচ্ছেদ অভিযান পরিদর্শন করেন। চুয়াডাঙ্গা রেল গেট-রেল বাজার হতে একাডেমি মোড় (মোজাম্মেল হক তেল পাম্প) পর্যন্ত রাস্তার অংশে থাকা সব ধরনের ছোট বড় অবৈধ স্থাপনা, ফলের দোকান, চায়ের দোকান, মুদি দোকান, মাংসের দোকান, সাইকেলের দোকান ও বেশ কয়েকটি হোটেল এসকে ভেটর দিয়ে ভেঙে গুড়িয়ে দেয়া হয়। পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে রাস্তার অন্য পাশে এবং রেল গেটের আশপাশ এলাকার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে বলে জানা যায়। অভিযানে সহায়তা করেন চুয়াডাঙ্গা সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আদম আলী, উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম, সার্ভেয়ার নজরুল ইসলাম, জেলা প্রশাসনের পেশকার আব্দুল লতিফসহ জেলা পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাবির ‘এ’ ইউনিটের প্রথম শিফটে প্রথম অনন্ত, দ্বিতীয় শিফটে সিয়াম

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ : যানজট নিরসনে কার্যকরী পদক্ষেপ

আপডেট সময় : ১০:৩৬:৪৩ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১ জুন ২০১৮

চুয়াডাঙ্গা রেল বাজার থেকে একাডেমি মোড় পর্যন্ত সড়কের পাশের
নিউজ ডেস্ক: চুয়াডাঙ্গা রেল গেটে দীর্ঘ যানজটের অন্ত নেই। কয়েক দফায় সিদ্ধান্ত নেয়ার পরেও অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে অনীহা প্রকাশ করে দখলদাররা। এ স্থাপনা সমূহ উচ্ছেদে জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভায় বার বার নির্দেশনা এসেছে। আপতত ছোট ও হালকা যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে রেল গেটের পার্শ্ববর্তী আন্ডারপাসটি। তারপরেও যানজট সমস্যা নিরসন না হওয়ায় গতকাল বৃহস্পতিবার ভেঙে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে রাস্তার কোল ঘেঁষে থাকা প্রায় অর্ধ শতাধিক ছোট বড় অবৈধ স্থাপনা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফখরুল ইসলাম। এ ছাড়াও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহা. জসীম উদ্দীন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খোন্দকার ফরহাদ আহমদ দাঁড়িয়ে থেকে উচ্ছেদ অভিযান পরিদর্শন করেন। চুয়াডাঙ্গা রেল গেট-রেল বাজার হতে একাডেমি মোড় (মোজাম্মেল হক তেল পাম্প) পর্যন্ত রাস্তার অংশে থাকা সব ধরনের ছোট বড় অবৈধ স্থাপনা, ফলের দোকান, চায়ের দোকান, মুদি দোকান, মাংসের দোকান, সাইকেলের দোকান ও বেশ কয়েকটি হোটেল এসকে ভেটর দিয়ে ভেঙে গুড়িয়ে দেয়া হয়। পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে রাস্তার অন্য পাশে এবং রেল গেটের আশপাশ এলাকার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে বলে জানা যায়। অভিযানে সহায়তা করেন চুয়াডাঙ্গা সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আদম আলী, উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম, সার্ভেয়ার নজরুল ইসলাম, জেলা প্রশাসনের পেশকার আব্দুল লতিফসহ জেলা পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।