মঙ্গলবার | ১৭ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo চাঁদপুরে জিএম বাংলা লিমিটেডের ঈদ উপহার: অসহায় ও এতিমদের মুখে হাসি Logo বইমেলা শেষ, ঈদের আমেজ—তবুও জ্ঞানের আহ্বান অম্লান Logo বার কাউন্সিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে খুবির ৪২ শিক্ষার্থী আইনজীবী Logo ইসলামপুর গাছতলা দরবার শরীফে ইফতার মাহফিল Logo চাঁদপুরে মানবদূত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ Logo চাঁদপুর বড় স্টেশন প্রধানীয়া বাড়িতে মরহুমদের রুহের মাগফিরাত কামনায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo জাবিতে জাতীয় ছাত্রশক্তির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা Logo প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সচিব পদমর্যাদায় খুবি অধ্যাপক আবদুল আওয়াল Logo বিভাগীয় পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান Logo চাঁদপুরে মানবদূত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে পথচারীদের মাঝে ইফতার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল

নান্দাইলে সংখ্যালঘু পরিবারের দোকানপাটে হামলা \ থানায় মামলা দায়ের

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ০৮:২২:০০ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮
  • ৭৬৪ বার পড়া হয়েছে

রফিকুল ইসলাম রফিক, নান্দাইল প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চন্ডীপাশা ইউনিয়নের শাইলধরা বাজারে বুধবার রাতে সংখ্যালঘু রবিদাস পরিবারের দোকানপাটে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট চালায় নিজবানাইল গ্রামের কতিপয় সন্ত্রাসীরা। জানাযায়, চন্ডীপাশা ইউনিয়নের শাইলধরা বাজারে রমেশ, সুমন রবিদাস, কুবলাল গং সংখ্যালঘু পরিবারের শাইলধরা বাজারে দখলকৃত ৮শতাংশ ভূমি স্থানীয় নিজবানাইল গ্রামের মৃত আব্দুল মমিন আকন্দের পুত্র হারুন আকন্দ, কাইয়ূম আকন্দ, খোকন আকন্দ, কাজল, রফিক আকন্দ, দুলাল, সবুজ, দেলোয়ার আকন্দ, জমসেদ খা ও ফারুক আকন্দ নিজেদের দখলে নেওয়ার জন্য দীর্ঘদিবন যাবত চেষ্টা চালিয়ে আসছে। এ নিয়ে বুধবার রাতে তারাবীর নামাজের সময় স্থানীয় এই প্রভাবশালী চক্র অজ্ঞাত ৩০/৪০জন সহ উক্ত সংখ্যালঘু পরিবারের ২০টি দোকানপাটে অতর্কিতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর চালিয়ে দোকানপাট মাটিতে মিশিয়ে দেয় এবং লুটপাট সহ কয়েক লক্ষাধিক টাকার মালামাল ক্ষতি সাধন করে। একটি ফার্ণিচারের দোকানের মালামাল মিনি ট্রাকযোগে লুটপাট করে নিয়ে যায়। উক্ত হামলার খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে সারারাত সেখানে অবস্থান গ্রহন করে। নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামরুল ইসলাম মিঞা হামলার ঘটনাটি নিশ্চিত করেন। উক্ত ঘটনায় কুবলাল রবি দাসের পুত্র সুমন রবি দাস বাদী হয়ে নান্দাইল মডেল থানায় ১০জনের নাম উল্লেখ সহ একটি এজাহার দায়ের করেন। সুমন রবি দাস জানান, “বর্তমানে তারা খুবই নিরপত্তাহীনতায় ভোগছেন। বাজারের দোকানপাট ভাঙ্গার পর যেকোন সময় আমাদের বাড়ীঘরে হামলা সহ মহিলাদের উঠিয়ে নিয়ে যাবার হুমকি দিচ্ছে আসামিরা। ” বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন নান্দাইল উপজেলা শাখার সভাপতি এডভোকেট মকবুল হোসেন সরকার সহ কার্যকরী কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, “দলবেধে প্রকাশ্যে বাজারে এধরনের হামলা সমর্থনযোগ্য নয়। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত সকল আসামিদের গ্রেফতার সহ এই সংখ্যালঘু পরিবারটির নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য দাবী জানান।” স্থানীয় মিডিয়াকর্মীরা বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ভাংচুরকৃত দোকানপাট দেখতে পান এবং সংখ্যালঘু পরিবারের সাথে কথা বলে তাদের অসহায়ত্বের কথা জানতে পারেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুরে জিএম বাংলা লিমিটেডের ঈদ উপহার: অসহায় ও এতিমদের মুখে হাসি

নান্দাইলে সংখ্যালঘু পরিবারের দোকানপাটে হামলা \ থানায় মামলা দায়ের

আপডেট সময় : ০৮:২২:০০ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮

রফিকুল ইসলাম রফিক, নান্দাইল প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চন্ডীপাশা ইউনিয়নের শাইলধরা বাজারে বুধবার রাতে সংখ্যালঘু রবিদাস পরিবারের দোকানপাটে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট চালায় নিজবানাইল গ্রামের কতিপয় সন্ত্রাসীরা। জানাযায়, চন্ডীপাশা ইউনিয়নের শাইলধরা বাজারে রমেশ, সুমন রবিদাস, কুবলাল গং সংখ্যালঘু পরিবারের শাইলধরা বাজারে দখলকৃত ৮শতাংশ ভূমি স্থানীয় নিজবানাইল গ্রামের মৃত আব্দুল মমিন আকন্দের পুত্র হারুন আকন্দ, কাইয়ূম আকন্দ, খোকন আকন্দ, কাজল, রফিক আকন্দ, দুলাল, সবুজ, দেলোয়ার আকন্দ, জমসেদ খা ও ফারুক আকন্দ নিজেদের দখলে নেওয়ার জন্য দীর্ঘদিবন যাবত চেষ্টা চালিয়ে আসছে। এ নিয়ে বুধবার রাতে তারাবীর নামাজের সময় স্থানীয় এই প্রভাবশালী চক্র অজ্ঞাত ৩০/৪০জন সহ উক্ত সংখ্যালঘু পরিবারের ২০টি দোকানপাটে অতর্কিতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর চালিয়ে দোকানপাট মাটিতে মিশিয়ে দেয় এবং লুটপাট সহ কয়েক লক্ষাধিক টাকার মালামাল ক্ষতি সাধন করে। একটি ফার্ণিচারের দোকানের মালামাল মিনি ট্রাকযোগে লুটপাট করে নিয়ে যায়। উক্ত হামলার খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে সারারাত সেখানে অবস্থান গ্রহন করে। নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামরুল ইসলাম মিঞা হামলার ঘটনাটি নিশ্চিত করেন। উক্ত ঘটনায় কুবলাল রবি দাসের পুত্র সুমন রবি দাস বাদী হয়ে নান্দাইল মডেল থানায় ১০জনের নাম উল্লেখ সহ একটি এজাহার দায়ের করেন। সুমন রবি দাস জানান, “বর্তমানে তারা খুবই নিরপত্তাহীনতায় ভোগছেন। বাজারের দোকানপাট ভাঙ্গার পর যেকোন সময় আমাদের বাড়ীঘরে হামলা সহ মহিলাদের উঠিয়ে নিয়ে যাবার হুমকি দিচ্ছে আসামিরা। ” বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন নান্দাইল উপজেলা শাখার সভাপতি এডভোকেট মকবুল হোসেন সরকার সহ কার্যকরী কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, “দলবেধে প্রকাশ্যে বাজারে এধরনের হামলা সমর্থনযোগ্য নয়। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত সকল আসামিদের গ্রেফতার সহ এই সংখ্যালঘু পরিবারটির নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য দাবী জানান।” স্থানীয় মিডিয়াকর্মীরা বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ভাংচুরকৃত দোকানপাট দেখতে পান এবং সংখ্যালঘু পরিবারের সাথে কথা বলে তাদের অসহায়ত্বের কথা জানতে পারেন।