মঙ্গলবার | ১৭ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo চাঁদপুরে জিএম বাংলা লিমিটেডের ঈদ উপহার: অসহায় ও এতিমদের মুখে হাসি Logo বইমেলা শেষ, ঈদের আমেজ—তবুও জ্ঞানের আহ্বান অম্লান Logo বার কাউন্সিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে খুবির ৪২ শিক্ষার্থী আইনজীবী Logo ইসলামপুর গাছতলা দরবার শরীফে ইফতার মাহফিল Logo চাঁদপুরে মানবদূত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ Logo চাঁদপুর বড় স্টেশন প্রধানীয়া বাড়িতে মরহুমদের রুহের মাগফিরাত কামনায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo জাবিতে জাতীয় ছাত্রশক্তির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা Logo প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সচিব পদমর্যাদায় খুবি অধ্যাপক আবদুল আওয়াল Logo বিভাগীয় পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান Logo চাঁদপুরে মানবদূত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে পথচারীদের মাঝে ইফতার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল

আমরা কি বাবা-মা হারা একজন দরিদ্র আয়েশার দায়িত্ব নিতে পারি না ?

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ০৮:৩০:১৮ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২১ মে ২০১৮
  • ৭৮৩ বার পড়া হয়েছে

মু.ওয়াছীঊদ্দিন,লক্ষীপুর প্রতিনিধিঃ- লক্ষীপুর সদর উপজেলার ঝাউডগী গ্রামেরই মেয়ে আয়শা আক্তার। ঝাউডগী মোহাম্মদীয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে এ বছর জিপিএ ৪.১৫ পেয়ে দাখিল পাশ করেছে। এটি তার মাদ্রাসার সর্বোচ্ছ রেজাল্ট। নানান প্রতিকুলতা পেরিয়ে দাখিল পাশ করা আয়েশা উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন দেখছে। দরিদ্র আয়েশার বাবা মা কেউ বেঁচে নেই। পিতা মাতা হীন মেয়েটি নানীর কাছে থেকে পড়াশুনা করছে। নানীও দারিদ্রতার কষাঘাতে জর্জরিত। টিনের দোচালা ঘরে নাতনী আয়েশাকে নিয়ে অর্ধাহারে অনাহারে থাকেন নানী।

আয়েশার বয়স যখন মাত্র দুই তখনই সে তার বাবা আঃ রহিমকে হারায়। মা ছকিনা বেগম মারা যায় গত ডিসেম্বরে। বাবা হারানো ও মায়ের মৃত্যু শোক নিয়ে সদ্য দাখিল পাশ করা এই মেয়েটি এখন উচ্চ শিক্ষা নিতে চায়। কিন্তুু এই উচ্চ শিক্ষা নেওয়ার প্রধান অন্তরায় দারিদ্রতা। গ্রাম থেকে ৭-৮ কিঃ মিঃ দূরের ভবানীগঞ্জ কলেজ অথবা মাদ্রাসায় সে ভর্তি হতে চায়। ভর্তির জন্য যে খরচ সে টাকাও নেই তার কাছে। ভর্তি পরবর্তী প্রতিদিনের যাতায়াত ভাড়া ও অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ ক্রয়ের খরচ নিয়ে সে চিন্তায় আছে।

পড়া-শুনার খরচ চালাতে না পারলে এই মেধাবী মেয়েটিকেও হয়তো অল্প বয়সে বিয়ের পিড়িতে বসতে হবে এই আশংকা এলাকার স্থানীয় সচেতন মহলের। তাই প্রতিবেশী, স্থানীয় প্রশাসন ও দানশীল ব্যক্তিরা উক্ত মেয়ের পড়াশুনার খরচে এগিয়ে আসলে মেয়েটি তার স্বপ্ন প‚রণ করে দেশ ও জাতির কল্যাণ করতে পারবে বলে জানালেন তার শিক্ষক মাস্টার আবু তাহের। তিনি আরো বলেন, আমরা এ সমাজের মানুষেরা কি বাবা-মা হারা একজন আয়েশার শিক্ষার দায়িত্ব নিতে পারিনা?

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুরে জিএম বাংলা লিমিটেডের ঈদ উপহার: অসহায় ও এতিমদের মুখে হাসি

আমরা কি বাবা-মা হারা একজন দরিদ্র আয়েশার দায়িত্ব নিতে পারি না ?

আপডেট সময় : ০৮:৩০:১৮ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২১ মে ২০১৮

মু.ওয়াছীঊদ্দিন,লক্ষীপুর প্রতিনিধিঃ- লক্ষীপুর সদর উপজেলার ঝাউডগী গ্রামেরই মেয়ে আয়শা আক্তার। ঝাউডগী মোহাম্মদীয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে এ বছর জিপিএ ৪.১৫ পেয়ে দাখিল পাশ করেছে। এটি তার মাদ্রাসার সর্বোচ্ছ রেজাল্ট। নানান প্রতিকুলতা পেরিয়ে দাখিল পাশ করা আয়েশা উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন দেখছে। দরিদ্র আয়েশার বাবা মা কেউ বেঁচে নেই। পিতা মাতা হীন মেয়েটি নানীর কাছে থেকে পড়াশুনা করছে। নানীও দারিদ্রতার কষাঘাতে জর্জরিত। টিনের দোচালা ঘরে নাতনী আয়েশাকে নিয়ে অর্ধাহারে অনাহারে থাকেন নানী।

আয়েশার বয়স যখন মাত্র দুই তখনই সে তার বাবা আঃ রহিমকে হারায়। মা ছকিনা বেগম মারা যায় গত ডিসেম্বরে। বাবা হারানো ও মায়ের মৃত্যু শোক নিয়ে সদ্য দাখিল পাশ করা এই মেয়েটি এখন উচ্চ শিক্ষা নিতে চায়। কিন্তুু এই উচ্চ শিক্ষা নেওয়ার প্রধান অন্তরায় দারিদ্রতা। গ্রাম থেকে ৭-৮ কিঃ মিঃ দূরের ভবানীগঞ্জ কলেজ অথবা মাদ্রাসায় সে ভর্তি হতে চায়। ভর্তির জন্য যে খরচ সে টাকাও নেই তার কাছে। ভর্তি পরবর্তী প্রতিদিনের যাতায়াত ভাড়া ও অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ ক্রয়ের খরচ নিয়ে সে চিন্তায় আছে।

পড়া-শুনার খরচ চালাতে না পারলে এই মেধাবী মেয়েটিকেও হয়তো অল্প বয়সে বিয়ের পিড়িতে বসতে হবে এই আশংকা এলাকার স্থানীয় সচেতন মহলের। তাই প্রতিবেশী, স্থানীয় প্রশাসন ও দানশীল ব্যক্তিরা উক্ত মেয়ের পড়াশুনার খরচে এগিয়ে আসলে মেয়েটি তার স্বপ্ন প‚রণ করে দেশ ও জাতির কল্যাণ করতে পারবে বলে জানালেন তার শিক্ষক মাস্টার আবু তাহের। তিনি আরো বলেন, আমরা এ সমাজের মানুষেরা কি বাবা-মা হারা একজন আয়েশার শিক্ষার দায়িত্ব নিতে পারিনা?