শুক্রবার | ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ১১৬ আসনে ব্যালট পাঠানো হয়েছে, ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব আসনে যাবে : ইসি সচিব Logo বাঁকা ইউনিয়নে বিএনপির মহিলা সমাবেশে নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতি Logo জীবননগরে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ Logo খুবিতে প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে ব্যতিক্রমী পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি Logo চাঁদপুরে আক্কাছ আলী রেলওয়ে একাডেমিতে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ Logo শিক্ষা কোনো দল, মত বা আদর্শের বিষয় নয়; বরং এটি একটি সার্বজনীন সামাজিক দায়িত্ব। Logo এক আসনে দুই বিএনপি প্রার্থী! ফরিদগঞ্জে ভোটের সমীকরণ ওলটপালট, সুযোগ খুঁজছে জামায়াত Logo খুবিতে দুই দিনব্যাপী স্থাপত্য থিসিস প্রদর্শনী Logo চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ স্কুল অ্যান্ড কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ Logo সৌহার্দ্য আর সংস্কৃতির মেলবন্ধনে গাজীপুর জেলা সাংবাদিকদের মিলনমেলা

যে পাঁচটি সুন্নাত অমান্য করার কারণে দাম্পত্য জীবনে আপনি সুখ পাচ্ছেন না !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৬:৪০:২৫ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৭
  • ৮০৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

আমরা আমাদের দৈনন্দিনের কাজ নিয়ে এতোটাই ব্যস্ত হয়ে পড়ি যে একে অপরকে (স্বামী-স্ত্রী) সময় দিতে পারি না। সৌভাগ্যক্রমে আল্লাহ তাআলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মধ্যে একটি নিখুঁত প্রতিকৃতি মানব জাতিকে উপহার দিয়েছেন। রাসুলের (সা.) সুন্নাত অনুসরণের মাঝেই রয়েছে চূড়ান্ত সফলতা।

স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ককে পুনরায় জাগিয়ে তোলার জন্য, অথবা সুখকর করে তোলার জন্য এখানে পাঁচটি কার্যকর-শক্তিশালী নববী দিক নিদের্শনা তুলে ধরা হলো-

একে অপরের (স্বামী-স্ত্রী) সাথে হাস্যোজ্জ্বল থাকা : আমাদের রাসুল (সা.) বেশিরভাগ সময়ই হাস্যোজ্জ্বল থাকতেন। এমনকি রাসুলের (সা.) স্ত্রীরা বলতেন যে, আমরা তার থেকে বেশি হাস্যোজ্জ্বল অবয়বময় আর কাউকে দেখিনি । এটা ভুলে গেলে চলবে না যে- একটি হাসি কতটা পাওয়ারফুল হতে পারে। স্বামী-স্ত্রী সুখে এবং দুঃখে সব সময়ই এক সাথে থাকে। সুতরাং নিজেদের মুখ গোমরা না করে রেখে সদা হাস্যোজ্জ্বল রাখাই হবে উভয়ের কতর্ব্য। এছাড়াও আমাদের নবী (সা.) বলেছেন, একটি হাসিও হতে পারে সদকা। (আল-হাদিস)

একে অপরের (স্বামী-স্ত্রী) সাথে ভালো কথা বলুন : আমাদের নবী (সা.) বলেন, যে আল্লাহকে এবং শেষ দিবসকে বিশ্বাস করে সে যেন ভালো কথা বলে অথবা চুপ থাকে। (আল-হাদিস) এটা স্বামীদের কর্তব্য, বিশেষত যখন স্বামী-স্ত্রী কাছাকাছি থাকেন। সুতরাং প্রতিদিন আপনি আপনার স্ত্রীর প্রশংসা করার চেষ্টা করুন।

একে অপরের (স্বামী-স্ত্রী) ওপর রাগ করবেন না : যখন হজরত আলী (রা.) হজরত ফাতেমাকে (রা) বিবাহ করেছেন, তখন রাসূল (সা.) হজরত আলীকে (রা.) একটি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ দিয়েছেন। উপদেশটা এতোটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিলো যে, আমাদের নবী সেটাকে তিনবার বলেছেন। উপদেশটি হলো- পারিবারিক কোনো কারণে তুমি রাগ করবে না।

স্বামী-স্ত্রী একসাথে ঘুরতে বের হন : আমাদের রাসূল (সা.) স্ত্রীদের সাথে অনেক সময় কাটাতেন। তিনি এক ছাদের নিচে আলাদা আলাদা থাকতেন না। নবী (সা.) স্ত্রীকে সাথে নিয়ে হাঁটতে বের হতেন। ঘুরতে যেতেন। এমনকি বিভিন্ন কাজে তার পরামর্শও নিতেন।

স্ত্রীকে বলুন, আমি তোমাকে ভালোবাসি : আল্লাহর নবী (সা.) কখনো এটা বলতে ভয় করেননি। আমাদের ধর্মের এমনটা বলতে উৎসাহিত করা হয়েছে। কেননা এই কথা পারিবারিক অনেক সমস্যার সমাধান করে দিতে পারে।

সূত্র: প্রিয় ডটকম

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

১১৬ আসনে ব্যালট পাঠানো হয়েছে, ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব আসনে যাবে : ইসি সচিব

যে পাঁচটি সুন্নাত অমান্য করার কারণে দাম্পত্য জীবনে আপনি সুখ পাচ্ছেন না !

আপডেট সময় : ০৬:৪০:২৫ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

আমরা আমাদের দৈনন্দিনের কাজ নিয়ে এতোটাই ব্যস্ত হয়ে পড়ি যে একে অপরকে (স্বামী-স্ত্রী) সময় দিতে পারি না। সৌভাগ্যক্রমে আল্লাহ তাআলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মধ্যে একটি নিখুঁত প্রতিকৃতি মানব জাতিকে উপহার দিয়েছেন। রাসুলের (সা.) সুন্নাত অনুসরণের মাঝেই রয়েছে চূড়ান্ত সফলতা।

স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ককে পুনরায় জাগিয়ে তোলার জন্য, অথবা সুখকর করে তোলার জন্য এখানে পাঁচটি কার্যকর-শক্তিশালী নববী দিক নিদের্শনা তুলে ধরা হলো-

একে অপরের (স্বামী-স্ত্রী) সাথে হাস্যোজ্জ্বল থাকা : আমাদের রাসুল (সা.) বেশিরভাগ সময়ই হাস্যোজ্জ্বল থাকতেন। এমনকি রাসুলের (সা.) স্ত্রীরা বলতেন যে, আমরা তার থেকে বেশি হাস্যোজ্জ্বল অবয়বময় আর কাউকে দেখিনি । এটা ভুলে গেলে চলবে না যে- একটি হাসি কতটা পাওয়ারফুল হতে পারে। স্বামী-স্ত্রী সুখে এবং দুঃখে সব সময়ই এক সাথে থাকে। সুতরাং নিজেদের মুখ গোমরা না করে রেখে সদা হাস্যোজ্জ্বল রাখাই হবে উভয়ের কতর্ব্য। এছাড়াও আমাদের নবী (সা.) বলেছেন, একটি হাসিও হতে পারে সদকা। (আল-হাদিস)

একে অপরের (স্বামী-স্ত্রী) সাথে ভালো কথা বলুন : আমাদের নবী (সা.) বলেন, যে আল্লাহকে এবং শেষ দিবসকে বিশ্বাস করে সে যেন ভালো কথা বলে অথবা চুপ থাকে। (আল-হাদিস) এটা স্বামীদের কর্তব্য, বিশেষত যখন স্বামী-স্ত্রী কাছাকাছি থাকেন। সুতরাং প্রতিদিন আপনি আপনার স্ত্রীর প্রশংসা করার চেষ্টা করুন।

একে অপরের (স্বামী-স্ত্রী) ওপর রাগ করবেন না : যখন হজরত আলী (রা.) হজরত ফাতেমাকে (রা) বিবাহ করেছেন, তখন রাসূল (সা.) হজরত আলীকে (রা.) একটি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ দিয়েছেন। উপদেশটা এতোটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিলো যে, আমাদের নবী সেটাকে তিনবার বলেছেন। উপদেশটি হলো- পারিবারিক কোনো কারণে তুমি রাগ করবে না।

স্বামী-স্ত্রী একসাথে ঘুরতে বের হন : আমাদের রাসূল (সা.) স্ত্রীদের সাথে অনেক সময় কাটাতেন। তিনি এক ছাদের নিচে আলাদা আলাদা থাকতেন না। নবী (সা.) স্ত্রীকে সাথে নিয়ে হাঁটতে বের হতেন। ঘুরতে যেতেন। এমনকি বিভিন্ন কাজে তার পরামর্শও নিতেন।

স্ত্রীকে বলুন, আমি তোমাকে ভালোবাসি : আল্লাহর নবী (সা.) কখনো এটা বলতে ভয় করেননি। আমাদের ধর্মের এমনটা বলতে উৎসাহিত করা হয়েছে। কেননা এই কথা পারিবারিক অনেক সমস্যার সমাধান করে দিতে পারে।

সূত্র: প্রিয় ডটকম