শুক্রবার | ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ১১৬ আসনে ব্যালট পাঠানো হয়েছে, ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব আসনে যাবে : ইসি সচিব Logo বাঁকা ইউনিয়নে বিএনপির মহিলা সমাবেশে নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতি Logo জীবননগরে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ Logo খুবিতে প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে ব্যতিক্রমী পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি Logo চাঁদপুরে আক্কাছ আলী রেলওয়ে একাডেমিতে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ Logo শিক্ষা কোনো দল, মত বা আদর্শের বিষয় নয়; বরং এটি একটি সার্বজনীন সামাজিক দায়িত্ব। Logo এক আসনে দুই বিএনপি প্রার্থী! ফরিদগঞ্জে ভোটের সমীকরণ ওলটপালট, সুযোগ খুঁজছে জামায়াত Logo খুবিতে দুই দিনব্যাপী স্থাপত্য থিসিস প্রদর্শনী Logo চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ স্কুল অ্যান্ড কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ Logo সৌহার্দ্য আর সংস্কৃতির মেলবন্ধনে গাজীপুর জেলা সাংবাদিকদের মিলনমেলা

মৃত্যুকালে রাসূল (সা:) যে কথাটি বারবার বলেছিলেন !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৫:২১ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৭
  • ৮১২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনের শেষ মূহুর্ত চলছে। ঠিক সে সময় একজন লোক এসে ‘সালাম’ জানিয়ে বললেন, আমি কি ভিতরে আসতে পারি। রাসূল (সাঃ) এর কন্যা ফাতিমা (রাঃ) বললেন, দুঃখিত আমার পিতা খুবই অসুস্থ। একথা বলে ফাতিমা (রাঃ) দরজা বন্ধ করে রাসূল (সাঃ) কাছে গেলেন। হযরত রাসূল (সা) বললেন, কে সেই লোক? ফাতিমা বললেন, এই প্রথম আমি তাকে দেখেছি। আমি তাকে চিনি না।

রাসুল (সাঃ) বললেন শুনো ফাতিমা, সে হচ্ছে আমাদের এই ছোট্ট জীবনের অবসানকারী ফেরেশতা আজরাইল। এটা শুনে হযরত ফাতিমার অবস্থা তখন ক্রন্দনরত বোবার মতো হয়ে গিয়েছে। রাসূল (সাঃ) বললেন, হে জিবরাঈল আমার উম্মতের কি হবে? আমার উম্মতের নাজাতের কি হবে ? জিবরাঈল (আঃ) বললেন, হে রাসুল আপনি চিন্তা করবেন না, আল্লাহ ওয়াদা করেছেন আপনার উম্মতের নাজাতের জন্যে।

মৃত্যুর ফেরেশতা ধীরে ধীরে রাসূলের কাছে এলেন জান কবজ করার জন্যে। মালাকুল মউত আজরাইল আরো কাছে এসে ধীরে ধীরে রাসূলের জান কবজ করতে থাকলেন। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা জিব্রাইলকে রাসূল বললেন ঘোঙানির সাথে, ওহ জিবরাঈল এটা কেমন বেদনাদায়ক জান কবজ করা। ফাতিমা (রাঃ) তার চোখ বন্ধ করে ফেললেন, আলী (রাঃ) তার দিকে উপুড় হয়ে বসলেন, জিবরাঈল তার মুখটা উল্টা দিকে ফিরিয়ে নিলেন।

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন, হে জিবরাঈল তুমি মুখটা উল্টা দিকে ঘুরালে কেন, আমার প্রতি তুমি বিরক্ত? জিবরাঈল বললেন, হে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) সাকারাতুল মউতের অবস্থায় আমি আপনাকে কিভাবে দেখে সহ্য করতে পারি !

ভয়াবহ ব্যাথায় রাসূল ছোট্ট একটা গোঙানি দিলেন। রাসূলুল্লাহ বললেন, হে আল্লাহ সাকারাতুল মউতটা (জান কবজের সময়) যতই ভয়াবহ হোক, সমস্যা নেই, আমাকে সকল ব্যথা দাও আমি বরণ করবো, কিন্তু আমার উম্মাতকে ব্যথা দিওনা। রাসূলের শরীরটা ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়ে আসতে লাগলো। তার পা, বুক কিছুই নড়ছে না এখন আর। রাসূলের চোখের পানির সাথে তার ঠোঁটটা কম্পিত ছিলো, তিনি কিছু বলবেন মনে হয়।

হযরত আলী (রাঃ) তার কানটা রাসূলের মুখের কাছে নিয়ে গেলো। রাসূল বললেন, নামাজ কায়েম করো এবং তোমাদের মাঝে থাকা দূর্বলদের যত্ন নিও। রাসূলের ঘরের বাইরে চলছে কান্নার আওয়াজ, সাহাবীরা একজন আরেকজনকে জড়িয়ে ধরে উচ্চস্বরে কান্নারত। হযরত আলী (রাঃ) আবার তার কানটা রাসূলের মুখের কাছে ধরলো, রাসূল চোখ ভেজা অবস্থায় বলতে থাকলেন, ইয়া উম্মাতি, ইয়া উম্মাতি, “হে আমার উম্মতেরা নামাজ, নামাজ..! নামাজ..!!!

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

১১৬ আসনে ব্যালট পাঠানো হয়েছে, ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব আসনে যাবে : ইসি সচিব

মৃত্যুকালে রাসূল (সা:) যে কথাটি বারবার বলেছিলেন !

আপডেট সময় : ০৬:৩৫:২১ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনের শেষ মূহুর্ত চলছে। ঠিক সে সময় একজন লোক এসে ‘সালাম’ জানিয়ে বললেন, আমি কি ভিতরে আসতে পারি। রাসূল (সাঃ) এর কন্যা ফাতিমা (রাঃ) বললেন, দুঃখিত আমার পিতা খুবই অসুস্থ। একথা বলে ফাতিমা (রাঃ) দরজা বন্ধ করে রাসূল (সাঃ) কাছে গেলেন। হযরত রাসূল (সা) বললেন, কে সেই লোক? ফাতিমা বললেন, এই প্রথম আমি তাকে দেখেছি। আমি তাকে চিনি না।

রাসুল (সাঃ) বললেন শুনো ফাতিমা, সে হচ্ছে আমাদের এই ছোট্ট জীবনের অবসানকারী ফেরেশতা আজরাইল। এটা শুনে হযরত ফাতিমার অবস্থা তখন ক্রন্দনরত বোবার মতো হয়ে গিয়েছে। রাসূল (সাঃ) বললেন, হে জিবরাঈল আমার উম্মতের কি হবে? আমার উম্মতের নাজাতের কি হবে ? জিবরাঈল (আঃ) বললেন, হে রাসুল আপনি চিন্তা করবেন না, আল্লাহ ওয়াদা করেছেন আপনার উম্মতের নাজাতের জন্যে।

মৃত্যুর ফেরেশতা ধীরে ধীরে রাসূলের কাছে এলেন জান কবজ করার জন্যে। মালাকুল মউত আজরাইল আরো কাছে এসে ধীরে ধীরে রাসূলের জান কবজ করতে থাকলেন। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা জিব্রাইলকে রাসূল বললেন ঘোঙানির সাথে, ওহ জিবরাঈল এটা কেমন বেদনাদায়ক জান কবজ করা। ফাতিমা (রাঃ) তার চোখ বন্ধ করে ফেললেন, আলী (রাঃ) তার দিকে উপুড় হয়ে বসলেন, জিবরাঈল তার মুখটা উল্টা দিকে ফিরিয়ে নিলেন।

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন, হে জিবরাঈল তুমি মুখটা উল্টা দিকে ঘুরালে কেন, আমার প্রতি তুমি বিরক্ত? জিবরাঈল বললেন, হে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) সাকারাতুল মউতের অবস্থায় আমি আপনাকে কিভাবে দেখে সহ্য করতে পারি !

ভয়াবহ ব্যাথায় রাসূল ছোট্ট একটা গোঙানি দিলেন। রাসূলুল্লাহ বললেন, হে আল্লাহ সাকারাতুল মউতটা (জান কবজের সময়) যতই ভয়াবহ হোক, সমস্যা নেই, আমাকে সকল ব্যথা দাও আমি বরণ করবো, কিন্তু আমার উম্মাতকে ব্যথা দিওনা। রাসূলের শরীরটা ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়ে আসতে লাগলো। তার পা, বুক কিছুই নড়ছে না এখন আর। রাসূলের চোখের পানির সাথে তার ঠোঁটটা কম্পিত ছিলো, তিনি কিছু বলবেন মনে হয়।

হযরত আলী (রাঃ) তার কানটা রাসূলের মুখের কাছে নিয়ে গেলো। রাসূল বললেন, নামাজ কায়েম করো এবং তোমাদের মাঝে থাকা দূর্বলদের যত্ন নিও। রাসূলের ঘরের বাইরে চলছে কান্নার আওয়াজ, সাহাবীরা একজন আরেকজনকে জড়িয়ে ধরে উচ্চস্বরে কান্নারত। হযরত আলী (রাঃ) আবার তার কানটা রাসূলের মুখের কাছে ধরলো, রাসূল চোখ ভেজা অবস্থায় বলতে থাকলেন, ইয়া উম্মাতি, ইয়া উম্মাতি, “হে আমার উম্মতেরা নামাজ, নামাজ..! নামাজ..!!!