বুধবার | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ Logo পলাশবাড়ীতে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত Logo সংসদ সদস্য নুরুল আমিন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত Logo  পলাশবাড়ী মডেল মসজিদ তিন বছরেও চালু হয়নি, জেলা প্রশাসকের নির্দেশের পরও অগ্রগতি শূন্য Logo চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের সাথে এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মতবিনিময় সভা Logo চাঁদপুরে দুই সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে জামায়াতে ইসলামীর রমজানের ফুড প্যাকেজ বিতরণ Logo খুব দ্রুতই আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাবে কয়রাবাসী – স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি Logo জীবননগরে সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা Logo শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে চাঁবিপ্রবি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo হালিশহরে বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণ দগ্ধ নয় জন

ডায়াবেটিস হলেও মিষ্টি জাতীয় ফল খাওয়া যাবে, তবে…

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১২:১১:৫২ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • ৭৯৬ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

ডায়াবেটিস হলে মিষ্টি জাতীয় ফল খাওয়া যাবে না। আমরা সাধারণত এই ধারণার সাথেই পরিচিত।
তবে এমন কথা প্রচলিত থাকলেও কথাটা একেবারেই ভুল।

আসলেই মিষ্টি জিনিসটা পুরোটাই কার্বোহাইড্রেট। কিছু ফল আছে যেগুলোতে বেশি কার্বহাইড্রেট থাকে। রক্তের সুগার লেভেল তখনই বাড়বে যখন আপনি একটা নির্দিষ্ট পরিমাণের চেয়ে বেশি কার্ব খাবেন। আর সে ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যে ফল থেকে প্রাপ্ত মোট কার্বের পরিমাণ যেন ১৫ গ্রামের বেশি না হয়।

সুতরাং ফল খাওয়ার সময় ফলে কি পরিমাণ কার্ব আছে, তার উপরই নির্ভর করছে সেই ফল আপনি কতটুকু খেতে পারবেন। আপনি যদি এমন ফল খান যাতে কার্বের পরিমাণ কম থাকে, তাহলে সুবিধা হলো বেশি ফল আপনি বেশি খেতে পারছেন এবং অন্য দিকে বেশি করে প্রোটিন জাতীয় খাবার খেতে পারবেন।

যাই হোক, লো-কার্ব বা হাই-কার্ব ফল কোন ব্যাপার না। যতক্ষণ না আপনি ১৫ গ্রামের বেশি কার্ব খাচ্ছেন ততক্ষণ রক্তে সুগার লেভেল একই থাকবে। সেক্ষেত্রে ফল খেতে কোন সমস্যা হবে না।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

ডায়াবেটিস হলেও মিষ্টি জাতীয় ফল খাওয়া যাবে, তবে…

আপডেট সময় : ১২:১১:৫২ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

ডায়াবেটিস হলে মিষ্টি জাতীয় ফল খাওয়া যাবে না। আমরা সাধারণত এই ধারণার সাথেই পরিচিত।
তবে এমন কথা প্রচলিত থাকলেও কথাটা একেবারেই ভুল।

আসলেই মিষ্টি জিনিসটা পুরোটাই কার্বোহাইড্রেট। কিছু ফল আছে যেগুলোতে বেশি কার্বহাইড্রেট থাকে। রক্তের সুগার লেভেল তখনই বাড়বে যখন আপনি একটা নির্দিষ্ট পরিমাণের চেয়ে বেশি কার্ব খাবেন। আর সে ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যে ফল থেকে প্রাপ্ত মোট কার্বের পরিমাণ যেন ১৫ গ্রামের বেশি না হয়।

সুতরাং ফল খাওয়ার সময় ফলে কি পরিমাণ কার্ব আছে, তার উপরই নির্ভর করছে সেই ফল আপনি কতটুকু খেতে পারবেন। আপনি যদি এমন ফল খান যাতে কার্বের পরিমাণ কম থাকে, তাহলে সুবিধা হলো বেশি ফল আপনি বেশি খেতে পারছেন এবং অন্য দিকে বেশি করে প্রোটিন জাতীয় খাবার খেতে পারবেন।

যাই হোক, লো-কার্ব বা হাই-কার্ব ফল কোন ব্যাপার না। যতক্ষণ না আপনি ১৫ গ্রামের বেশি কার্ব খাচ্ছেন ততক্ষণ রক্তে সুগার লেভেল একই থাকবে। সেক্ষেত্রে ফল খেতে কোন সমস্যা হবে না।