শনিবার | ২৯ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা Logo খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo টেকনাফে বিজিবির অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন সন্ত্রাসী আটক Logo মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর আটক: Logo সাতক্ষীরা-০২ এ ধানের শীষের জয়ে নতুন অধ্যায়—বিএনপির একতাবদ্ধ ঘোষণা Logo বুটেক্স অ্যালামনাই ইউএসএ-এর আত্মপ্রকাশ: যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের মিলনমেলা ও কমিটি গঠন Logo বুটেক্সের প্রথম সমাবর্তন আগামী ২৭ ডিসেম্বর Logo রাবিতে ইলা মিত্রকে নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo নোবিপ্রবিতে গবেষণা, বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ

ধর্ষণ রুখতে ভারতীয় নারী ইঞ্জিনিয়ারের অভিনব আবিষ্কার! (ভিডিও)

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০১:২৬:১৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০১৭
  • ৭৮৮ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

ভারতে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে প্রায় প্রত্যেকদিন। কখনও সেই ঘটনায় অভিযোগ দায়ের হয়, কখনও হয় না। এই নিকৃষ্টতম অপরাধের অপরাধীদের শাস্তি দিয়েও এমন ঘটনা থামানো যায়নি। তাই ধর্ষণ রোধে এবার এক অভিনব উদ্যোগ নিলেন এক ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার মনীষা মোহন।

বর্তমানে ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজিতে গবেষণা করছেন মনীষা। সেখানেই তিনি এক বিশেষ ধরনের সেন্সর তৈরি করেছেন, যা ধর্ষণ কিংবা শ্লীলতাহানির মত ঘটনা রুখতে পারবে।

অনেক সময়েই আক্রমণের শিকার হলে কোনও মহিলা পরিচিতদের ফোন করার মত পরিস্থিতিতে থাকেন না। অথবা আক্রমণকারীকে প্রত্যাঘাত করার মত অবস্থায় থাকেন না। কিন্তু অজ্ঞান অবস্থাতে আক্রমণ করলেও এই সেন্সর কাজ করবে এবং অন্যদের কাছে খবর পৌঁছে দেবে। এই সেন্সর পোশাকের সঙ্গেই লাগানো থাকবে।

দুটি মোডে কাজ করতে পারবে এই সেন্সর। একটি হল প্যাসিভ মোড, যেখানে, নির্যাতিতা নিজেই একটি বাটন প্রেস করলে পরিচিতদের কাছে ফোন চলে যাবে। আর একটি হল অ্যাকটিভ মোড। যাতে, ওই সেন্সর নিজেই সিগন্যাল খুঁজে নেবে।

উদাহরণস্বরূপ মনীষা জানিয়েছেন, যদি কোনও মহিলার পোশাক খোলা হয়, তাহলে মেসেজ যাবে আত্মীয় কিংবা বন্ধুদের কাছে। ওই ঘটনায় মহিলার অনুমতি রয়েছে কিনা তা জিজ্ঞাসা করার অপশন রয়েছে। কিন্তু ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে রিপ্লাই না এলেই জোরে অ্যালার্ম বাজতে শুরু করবে। যদি নির্যাতিতা নিজে একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে অ্যালার্ম না থামান, তাহলে সেটি থামবে না। বন্ধুদের কাছে নির্যাতিতার অবস্থানও পৌঁছে যাবে, গুগল ম্যাপের সাহায্যে তাকে খুঁজে নেওয়া যাবে।

চেন্নাই ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করেছেন মনীষা। সেইসময় তাঁদের সন্ধে সাড়ে ৬টার পর ক্যাম্পাসে থাকতে দেওয়া হত না। তাই তিনি মনে করেন, ঘরের মধ্যে মেয়েদের বন্ধ করে না রেখে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো উচিৎ। এই সেন্সরের মাধ্যমে প্রতিবন্ধীরাই সুরক্ষিত থাকবেন বলে মনে করেন তিনি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা

ধর্ষণ রুখতে ভারতীয় নারী ইঞ্জিনিয়ারের অভিনব আবিষ্কার! (ভিডিও)

আপডেট সময় : ০১:২৬:১৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

ভারতে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে প্রায় প্রত্যেকদিন। কখনও সেই ঘটনায় অভিযোগ দায়ের হয়, কখনও হয় না। এই নিকৃষ্টতম অপরাধের অপরাধীদের শাস্তি দিয়েও এমন ঘটনা থামানো যায়নি। তাই ধর্ষণ রোধে এবার এক অভিনব উদ্যোগ নিলেন এক ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার মনীষা মোহন।

বর্তমানে ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজিতে গবেষণা করছেন মনীষা। সেখানেই তিনি এক বিশেষ ধরনের সেন্সর তৈরি করেছেন, যা ধর্ষণ কিংবা শ্লীলতাহানির মত ঘটনা রুখতে পারবে।

অনেক সময়েই আক্রমণের শিকার হলে কোনও মহিলা পরিচিতদের ফোন করার মত পরিস্থিতিতে থাকেন না। অথবা আক্রমণকারীকে প্রত্যাঘাত করার মত অবস্থায় থাকেন না। কিন্তু অজ্ঞান অবস্থাতে আক্রমণ করলেও এই সেন্সর কাজ করবে এবং অন্যদের কাছে খবর পৌঁছে দেবে। এই সেন্সর পোশাকের সঙ্গেই লাগানো থাকবে।

দুটি মোডে কাজ করতে পারবে এই সেন্সর। একটি হল প্যাসিভ মোড, যেখানে, নির্যাতিতা নিজেই একটি বাটন প্রেস করলে পরিচিতদের কাছে ফোন চলে যাবে। আর একটি হল অ্যাকটিভ মোড। যাতে, ওই সেন্সর নিজেই সিগন্যাল খুঁজে নেবে।

উদাহরণস্বরূপ মনীষা জানিয়েছেন, যদি কোনও মহিলার পোশাক খোলা হয়, তাহলে মেসেজ যাবে আত্মীয় কিংবা বন্ধুদের কাছে। ওই ঘটনায় মহিলার অনুমতি রয়েছে কিনা তা জিজ্ঞাসা করার অপশন রয়েছে। কিন্তু ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে রিপ্লাই না এলেই জোরে অ্যালার্ম বাজতে শুরু করবে। যদি নির্যাতিতা নিজে একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে অ্যালার্ম না থামান, তাহলে সেটি থামবে না। বন্ধুদের কাছে নির্যাতিতার অবস্থানও পৌঁছে যাবে, গুগল ম্যাপের সাহায্যে তাকে খুঁজে নেওয়া যাবে।

চেন্নাই ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করেছেন মনীষা। সেইসময় তাঁদের সন্ধে সাড়ে ৬টার পর ক্যাম্পাসে থাকতে দেওয়া হত না। তাই তিনি মনে করেন, ঘরের মধ্যে মেয়েদের বন্ধ করে না রেখে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো উচিৎ। এই সেন্সরের মাধ্যমে প্রতিবন্ধীরাই সুরক্ষিত থাকবেন বলে মনে করেন তিনি।