রবিবার | ৩০ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা Logo খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo টেকনাফে বিজিবির অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন সন্ত্রাসী আটক Logo মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর আটক: Logo সাতক্ষীরা-০২ এ ধানের শীষের জয়ে নতুন অধ্যায়—বিএনপির একতাবদ্ধ ঘোষণা Logo বুটেক্স অ্যালামনাই ইউএসএ-এর আত্মপ্রকাশ: যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের মিলনমেলা ও কমিটি গঠন Logo বুটেক্সের প্রথম সমাবর্তন আগামী ২৭ ডিসেম্বর Logo রাবিতে ইলা মিত্রকে নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo নোবিপ্রবিতে গবেষণা, বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ

যেখানে হয় শিশুদের কাঁদানোর উৎসব !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০২:১১:৫২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৫ মে ২০১৭
  • ৭৭৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

জাপানের রাজধানী টোকিওতে গত রবিবার হয়ে গেল ‘কাঁদানে সুমো’ নামে অন্যরকম এক উৎসব। সুমো কুস্তিগীরদের হাতে ধরিয়ে দেয়া হয় শিশুদের। তারা দুই হাতের মধ্যে নিয়ে জোরে জোরে ঝাঁকাতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত না শিশুরা উচ্চস্বরে কান্নাকাটি শুরু করে দেয়। জানা যায়, দেশটিতে প্রায় ৪০০ বছর ধরে চলে আসছে এই ব্যক্তিক্রমী চর্চা।

প্রদর্শনীতে কয়েকশ’ শিশুকে কাঁদানো হয়। যেহেতু জাপানিরা বিশ্বাস করে থাকে যে, এর মাধ্যমে শিশুর মঙ্গল হয়। এই দিন থেকে সন্তান কষ্ট সহ্য করার ক্ষমতা অর্জন করে তাদের সহ্যশক্তি বাড়লো এবং অন্যায়ের প্রতি কঠোর মনোভাব তৈরী হলো।
দু’জন কুস্তিগীর একে একে শিশুদের ধরে ঝাকিয়ে ঝাকিয়ে কাঁদাতে থাকেন। সন্তানদের এভাবে কাঁদতে দেখে অনেক বাবা-মাও কষ্টে কেঁদে ফেলেন। তারপরেও সন্তানের জন্য ভালো হবে মনে করে তারা সহ্য করে গেছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা

যেখানে হয় শিশুদের কাঁদানোর উৎসব !

আপডেট সময় : ০২:১১:৫২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৫ মে ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

জাপানের রাজধানী টোকিওতে গত রবিবার হয়ে গেল ‘কাঁদানে সুমো’ নামে অন্যরকম এক উৎসব। সুমো কুস্তিগীরদের হাতে ধরিয়ে দেয়া হয় শিশুদের। তারা দুই হাতের মধ্যে নিয়ে জোরে জোরে ঝাঁকাতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত না শিশুরা উচ্চস্বরে কান্নাকাটি শুরু করে দেয়। জানা যায়, দেশটিতে প্রায় ৪০০ বছর ধরে চলে আসছে এই ব্যক্তিক্রমী চর্চা।

প্রদর্শনীতে কয়েকশ’ শিশুকে কাঁদানো হয়। যেহেতু জাপানিরা বিশ্বাস করে থাকে যে, এর মাধ্যমে শিশুর মঙ্গল হয়। এই দিন থেকে সন্তান কষ্ট সহ্য করার ক্ষমতা অর্জন করে তাদের সহ্যশক্তি বাড়লো এবং অন্যায়ের প্রতি কঠোর মনোভাব তৈরী হলো।
দু’জন কুস্তিগীর একে একে শিশুদের ধরে ঝাকিয়ে ঝাকিয়ে কাঁদাতে থাকেন। সন্তানদের এভাবে কাঁদতে দেখে অনেক বাবা-মাও কষ্টে কেঁদে ফেলেন। তারপরেও সন্তানের জন্য ভালো হবে মনে করে তারা সহ্য করে গেছেন।