বৃহস্পতিবার | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ Logo পলাশবাড়ীতে বিএনপির বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত Logo সংসদ সদস্য নুরুল আমিন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত Logo  পলাশবাড়ী মডেল মসজিদ তিন বছরেও চালু হয়নি, জেলা প্রশাসকের নির্দেশের পরও অগ্রগতি শূন্য Logo চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের সাথে এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মতবিনিময় সভা Logo চাঁদপুরে দুই সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে জামায়াতে ইসলামীর রমজানের ফুড প্যাকেজ বিতরণ Logo খুব দ্রুতই আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাবে কয়রাবাসী – স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি Logo জীবননগরে সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা Logo শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে চাঁবিপ্রবি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo হালিশহরে বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণ দগ্ধ নয় জন

যেখানে হয় শিশুদের কাঁদানোর উৎসব !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০২:১১:৫২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৫ মে ২০১৭
  • ৭৯৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

জাপানের রাজধানী টোকিওতে গত রবিবার হয়ে গেল ‘কাঁদানে সুমো’ নামে অন্যরকম এক উৎসব। সুমো কুস্তিগীরদের হাতে ধরিয়ে দেয়া হয় শিশুদের। তারা দুই হাতের মধ্যে নিয়ে জোরে জোরে ঝাঁকাতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত না শিশুরা উচ্চস্বরে কান্নাকাটি শুরু করে দেয়। জানা যায়, দেশটিতে প্রায় ৪০০ বছর ধরে চলে আসছে এই ব্যক্তিক্রমী চর্চা।

প্রদর্শনীতে কয়েকশ’ শিশুকে কাঁদানো হয়। যেহেতু জাপানিরা বিশ্বাস করে থাকে যে, এর মাধ্যমে শিশুর মঙ্গল হয়। এই দিন থেকে সন্তান কষ্ট সহ্য করার ক্ষমতা অর্জন করে তাদের সহ্যশক্তি বাড়লো এবং অন্যায়ের প্রতি কঠোর মনোভাব তৈরী হলো।
দু’জন কুস্তিগীর একে একে শিশুদের ধরে ঝাকিয়ে ঝাকিয়ে কাঁদাতে থাকেন। সন্তানদের এভাবে কাঁদতে দেখে অনেক বাবা-মাও কষ্টে কেঁদে ফেলেন। তারপরেও সন্তানের জন্য ভালো হবে মনে করে তারা সহ্য করে গেছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

যেখানে হয় শিশুদের কাঁদানোর উৎসব !

আপডেট সময় : ০২:১১:৫২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৫ মে ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

জাপানের রাজধানী টোকিওতে গত রবিবার হয়ে গেল ‘কাঁদানে সুমো’ নামে অন্যরকম এক উৎসব। সুমো কুস্তিগীরদের হাতে ধরিয়ে দেয়া হয় শিশুদের। তারা দুই হাতের মধ্যে নিয়ে জোরে জোরে ঝাঁকাতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত না শিশুরা উচ্চস্বরে কান্নাকাটি শুরু করে দেয়। জানা যায়, দেশটিতে প্রায় ৪০০ বছর ধরে চলে আসছে এই ব্যক্তিক্রমী চর্চা।

প্রদর্শনীতে কয়েকশ’ শিশুকে কাঁদানো হয়। যেহেতু জাপানিরা বিশ্বাস করে থাকে যে, এর মাধ্যমে শিশুর মঙ্গল হয়। এই দিন থেকে সন্তান কষ্ট সহ্য করার ক্ষমতা অর্জন করে তাদের সহ্যশক্তি বাড়লো এবং অন্যায়ের প্রতি কঠোর মনোভাব তৈরী হলো।
দু’জন কুস্তিগীর একে একে শিশুদের ধরে ঝাকিয়ে ঝাকিয়ে কাঁদাতে থাকেন। সন্তানদের এভাবে কাঁদতে দেখে অনেক বাবা-মাও কষ্টে কেঁদে ফেলেন। তারপরেও সন্তানের জন্য ভালো হবে মনে করে তারা সহ্য করে গেছেন।