সোমবার | ২ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল Logo শতাধিক রোজাদারদের মুখে হাসি ফোটালেন বিজয়ীর ফাউন্ডার তানিয়া ইশতিয়াক খান Logo পলাশবাড়ীতে স্বামীর নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর মৃত্যু!! আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা Logo পলাশবাড়ী পৌর শহরে সড়কের গাছ চুরি চিহৃিন্ত চক্র আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী Logo এসিএস ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট চাপ্টার খুলনা ইউনিভার্সিটি’র নেতৃত্বে শাহরিয়ার-কমানিং Logo বেরোবি জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ফোরাম নেতৃত্বে রোকনুজ্জামান – মামদুদুর  Logo শ্যামনগরে প্রেসক্লাব সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন Logo যশোর বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে আসলো আওয়ামী লীগের সাবেক এমপির মরদেহ Logo জীবননগরে পবিত্র মাহে রমজান মাস উপলক্ষে সুলভ মূল্যে কৃষি পণ্য বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন Logo ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

যেসব লক্ষণে বুঝবেন শরীরে ভিটামিন ডি-র অভাব

  • নীলকন্ঠ অনলাইন নীলকন্ঠ অনলাইন
  • আপডেট সময় : ১১:৩২:৪১ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫
  • ৮৩৯ বার পড়া হয়েছে
হাড়ের বৃদ্ধি এবং সুস্থতার জন্য ভিটামিন ডি প্রয়োজন। যদি ত্বক পর্যাপ্ত সূর্যালোক না পায়, তবে শরীরে ভিটামিন ডি এর অভাব দেখা দিতে পারে। এছাড়া ডায়েটে ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার  পর্যাপ্ত পরিমাণে না রাখলেও ভুগতে পারেন ভিটামিন ডি এর ঘাটতিতে। আবার নির্দিষ্ট অসুখেও কারণেও শরীরের এটি শোষণ করার ক্ষমতা কমে যেতে পারে। কারণ যাই হোক, ভিটামিন ডি কমে গেলে কিছু লক্ষণে সেটা প্রকাশ পায়। জেনে নিন লক্ষণগুলো কী কী। 

১। ভিটামিন ডি কমে গেলে ভীষণ ক্লান্ত লাগে। যদিও ক্লান্ত লাগার অনেক কারণই থাকতে পারে। তবে এর মধ্যে একটি হতে পারে ভিটামিন ডি এর ঘাটতি।

২। হাড় এবং জয়েন্টে ব্যথা ভিটামিন ডি কমে যাওয়ার অন্যতম লক্ষণ। ভিটামিন ডি শরীরকে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সহায়তা করে। ভিটামিনটির অভাবে তাই দুর্বল হয়ে পড়ে হাড়।

৩। ভিটামিন ডি এর অভাব পেশী ব্যথার কারণ হতে পারে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘস্থায়ী ব্যথায় আক্রান্ত ৭১ শতাংশ লোকের ভিটামিন ডি প্রয়োজনের তুলনায় কম।

৪। ভিটামিন ডি এর অভাবজনিত কারণে হাড় ক্ষয় হয়ে যেতে পারে। ভিটামিন ডি যৌগগুলোর উৎপাদন বাড়ায় যা ক্ষত নিরাময় প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নতুন ত্বক গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

৫। অপর্যাপ্ত ভিটামিন ডি এর কারণে দেরিতে ক্ষত নিরাময় হতে পারে।

৬। বিষণ্ণতা বা হঠাৎ মেজাজ পরিবর্তন হওয়ার কারণ হতে পারে অপর্যাপ্ত ভিটামিন ডি। ভিটামিন ডি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এতে শরীরের নিজস্ব প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী হয় ও ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া থেকে আমাদের বাঁচাতে সাহায্য করে। ভিটামিন ডি সরাসরি কোষের সাথে যোগাযোগ করে যেগুলো সংক্রমণ মোকাবেলার জন্য কাজ করে। এই ভিটামিনের অভাব হলে তাই ঘন ঘন অসুস্থ হয়ে পড়ার প্রবণতা দেখা দিতে পারে।

কোন কোন খাবারে পাবেন ভিটামিন ডি
কিছু মাছ, মাছের যকৃতের তেল, ডিমের কুসুম, দুগ্ধজাত খাবার এবং কমলার রসে মেলে ভিটামিন ডি। এছাড়া মাশরুম কিংবা ওটসেও পাওয়া যায় ভিটামিনটি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল

যেসব লক্ষণে বুঝবেন শরীরে ভিটামিন ডি-র অভাব

আপডেট সময় : ১১:৩২:৪১ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫
হাড়ের বৃদ্ধি এবং সুস্থতার জন্য ভিটামিন ডি প্রয়োজন। যদি ত্বক পর্যাপ্ত সূর্যালোক না পায়, তবে শরীরে ভিটামিন ডি এর অভাব দেখা দিতে পারে। এছাড়া ডায়েটে ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার  পর্যাপ্ত পরিমাণে না রাখলেও ভুগতে পারেন ভিটামিন ডি এর ঘাটতিতে। আবার নির্দিষ্ট অসুখেও কারণেও শরীরের এটি শোষণ করার ক্ষমতা কমে যেতে পারে। কারণ যাই হোক, ভিটামিন ডি কমে গেলে কিছু লক্ষণে সেটা প্রকাশ পায়। জেনে নিন লক্ষণগুলো কী কী। 

১। ভিটামিন ডি কমে গেলে ভীষণ ক্লান্ত লাগে। যদিও ক্লান্ত লাগার অনেক কারণই থাকতে পারে। তবে এর মধ্যে একটি হতে পারে ভিটামিন ডি এর ঘাটতি।

২। হাড় এবং জয়েন্টে ব্যথা ভিটামিন ডি কমে যাওয়ার অন্যতম লক্ষণ। ভিটামিন ডি শরীরকে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সহায়তা করে। ভিটামিনটির অভাবে তাই দুর্বল হয়ে পড়ে হাড়।

৩। ভিটামিন ডি এর অভাব পেশী ব্যথার কারণ হতে পারে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘস্থায়ী ব্যথায় আক্রান্ত ৭১ শতাংশ লোকের ভিটামিন ডি প্রয়োজনের তুলনায় কম।

৪। ভিটামিন ডি এর অভাবজনিত কারণে হাড় ক্ষয় হয়ে যেতে পারে। ভিটামিন ডি যৌগগুলোর উৎপাদন বাড়ায় যা ক্ষত নিরাময় প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নতুন ত্বক গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

৫। অপর্যাপ্ত ভিটামিন ডি এর কারণে দেরিতে ক্ষত নিরাময় হতে পারে।

৬। বিষণ্ণতা বা হঠাৎ মেজাজ পরিবর্তন হওয়ার কারণ হতে পারে অপর্যাপ্ত ভিটামিন ডি। ভিটামিন ডি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এতে শরীরের নিজস্ব প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী হয় ও ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া থেকে আমাদের বাঁচাতে সাহায্য করে। ভিটামিন ডি সরাসরি কোষের সাথে যোগাযোগ করে যেগুলো সংক্রমণ মোকাবেলার জন্য কাজ করে। এই ভিটামিনের অভাব হলে তাই ঘন ঘন অসুস্থ হয়ে পড়ার প্রবণতা দেখা দিতে পারে।

কোন কোন খাবারে পাবেন ভিটামিন ডি
কিছু মাছ, মাছের যকৃতের তেল, ডিমের কুসুম, দুগ্ধজাত খাবার এবং কমলার রসে মেলে ভিটামিন ডি। এছাড়া মাশরুম কিংবা ওটসেও পাওয়া যায় ভিটামিনটি।