বৃহস্পতিবার | ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক সম্ভাবনার উন্নতি হয়েছে: বিশ্বব্যাংক Logo আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন চাঁদপুর-২ আসনে লেবার পার্টির নাসিমা নাজনীন সরকার Logo আমরা বিএনপি পরিবারের উদ্যোগে সাতক্ষীরার ৯নং ওয়ার্ডে তারেক রহমানের ৮ দফা রাষ্ট্র বিনির্মাণ কর্মসূচির লিফলেট বিতরণ Logo আবেদনের শর্ত পূরণ ছাড়াই খুবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি Logo দায়মুক্তি আইনের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জে প্রতিবাদ, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ক্যাবের Logo চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহে প্রতারক চক্রের বেপরোয়া তান্ডব, চাকরীর প্রলোভনে ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর বিপাকে ভুক্তভোগী পরিবার, থানায় অভিযোগ দায়ের Logo সাতক্ষীরায় ইয়াবা, অবৈধ অর্থ ও অস্ত্রসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ইয়াসিন আরাফাতসহ  গ্রেফতার- ৩ Logo নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৫ নেতা কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার Logo ইরান বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের Logo কোর্স ফি বৃদ্ধি ও ছাত্র প্রতিনিধি ইস্যুতে খুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

যেসব লক্ষণে বুঝবেন শরীরে ভিটামিন ডি-র অভাব

  • নীলকন্ঠ অনলাইন নীলকন্ঠ অনলাইন
  • আপডেট সময় : ১১:৩২:৪১ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫
  • ৮১৩ বার পড়া হয়েছে
হাড়ের বৃদ্ধি এবং সুস্থতার জন্য ভিটামিন ডি প্রয়োজন। যদি ত্বক পর্যাপ্ত সূর্যালোক না পায়, তবে শরীরে ভিটামিন ডি এর অভাব দেখা দিতে পারে। এছাড়া ডায়েটে ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার  পর্যাপ্ত পরিমাণে না রাখলেও ভুগতে পারেন ভিটামিন ডি এর ঘাটতিতে। আবার নির্দিষ্ট অসুখেও কারণেও শরীরের এটি শোষণ করার ক্ষমতা কমে যেতে পারে। কারণ যাই হোক, ভিটামিন ডি কমে গেলে কিছু লক্ষণে সেটা প্রকাশ পায়। জেনে নিন লক্ষণগুলো কী কী। 

১। ভিটামিন ডি কমে গেলে ভীষণ ক্লান্ত লাগে। যদিও ক্লান্ত লাগার অনেক কারণই থাকতে পারে। তবে এর মধ্যে একটি হতে পারে ভিটামিন ডি এর ঘাটতি।

২। হাড় এবং জয়েন্টে ব্যথা ভিটামিন ডি কমে যাওয়ার অন্যতম লক্ষণ। ভিটামিন ডি শরীরকে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সহায়তা করে। ভিটামিনটির অভাবে তাই দুর্বল হয়ে পড়ে হাড়।

৩। ভিটামিন ডি এর অভাব পেশী ব্যথার কারণ হতে পারে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘস্থায়ী ব্যথায় আক্রান্ত ৭১ শতাংশ লোকের ভিটামিন ডি প্রয়োজনের তুলনায় কম।

৪। ভিটামিন ডি এর অভাবজনিত কারণে হাড় ক্ষয় হয়ে যেতে পারে। ভিটামিন ডি যৌগগুলোর উৎপাদন বাড়ায় যা ক্ষত নিরাময় প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নতুন ত্বক গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

৫। অপর্যাপ্ত ভিটামিন ডি এর কারণে দেরিতে ক্ষত নিরাময় হতে পারে।

৬। বিষণ্ণতা বা হঠাৎ মেজাজ পরিবর্তন হওয়ার কারণ হতে পারে অপর্যাপ্ত ভিটামিন ডি। ভিটামিন ডি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এতে শরীরের নিজস্ব প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী হয় ও ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া থেকে আমাদের বাঁচাতে সাহায্য করে। ভিটামিন ডি সরাসরি কোষের সাথে যোগাযোগ করে যেগুলো সংক্রমণ মোকাবেলার জন্য কাজ করে। এই ভিটামিনের অভাব হলে তাই ঘন ঘন অসুস্থ হয়ে পড়ার প্রবণতা দেখা দিতে পারে।

কোন কোন খাবারে পাবেন ভিটামিন ডি
কিছু মাছ, মাছের যকৃতের তেল, ডিমের কুসুম, দুগ্ধজাত খাবার এবং কমলার রসে মেলে ভিটামিন ডি। এছাড়া মাশরুম কিংবা ওটসেও পাওয়া যায় ভিটামিনটি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক সম্ভাবনার উন্নতি হয়েছে: বিশ্বব্যাংক

যেসব লক্ষণে বুঝবেন শরীরে ভিটামিন ডি-র অভাব

আপডেট সময় : ১১:৩২:৪১ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫
হাড়ের বৃদ্ধি এবং সুস্থতার জন্য ভিটামিন ডি প্রয়োজন। যদি ত্বক পর্যাপ্ত সূর্যালোক না পায়, তবে শরীরে ভিটামিন ডি এর অভাব দেখা দিতে পারে। এছাড়া ডায়েটে ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার  পর্যাপ্ত পরিমাণে না রাখলেও ভুগতে পারেন ভিটামিন ডি এর ঘাটতিতে। আবার নির্দিষ্ট অসুখেও কারণেও শরীরের এটি শোষণ করার ক্ষমতা কমে যেতে পারে। কারণ যাই হোক, ভিটামিন ডি কমে গেলে কিছু লক্ষণে সেটা প্রকাশ পায়। জেনে নিন লক্ষণগুলো কী কী। 

১। ভিটামিন ডি কমে গেলে ভীষণ ক্লান্ত লাগে। যদিও ক্লান্ত লাগার অনেক কারণই থাকতে পারে। তবে এর মধ্যে একটি হতে পারে ভিটামিন ডি এর ঘাটতি।

২। হাড় এবং জয়েন্টে ব্যথা ভিটামিন ডি কমে যাওয়ার অন্যতম লক্ষণ। ভিটামিন ডি শরীরকে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সহায়তা করে। ভিটামিনটির অভাবে তাই দুর্বল হয়ে পড়ে হাড়।

৩। ভিটামিন ডি এর অভাব পেশী ব্যথার কারণ হতে পারে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘস্থায়ী ব্যথায় আক্রান্ত ৭১ শতাংশ লোকের ভিটামিন ডি প্রয়োজনের তুলনায় কম।

৪। ভিটামিন ডি এর অভাবজনিত কারণে হাড় ক্ষয় হয়ে যেতে পারে। ভিটামিন ডি যৌগগুলোর উৎপাদন বাড়ায় যা ক্ষত নিরাময় প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নতুন ত্বক গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

৫। অপর্যাপ্ত ভিটামিন ডি এর কারণে দেরিতে ক্ষত নিরাময় হতে পারে।

৬। বিষণ্ণতা বা হঠাৎ মেজাজ পরিবর্তন হওয়ার কারণ হতে পারে অপর্যাপ্ত ভিটামিন ডি। ভিটামিন ডি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এতে শরীরের নিজস্ব প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী হয় ও ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া থেকে আমাদের বাঁচাতে সাহায্য করে। ভিটামিন ডি সরাসরি কোষের সাথে যোগাযোগ করে যেগুলো সংক্রমণ মোকাবেলার জন্য কাজ করে। এই ভিটামিনের অভাব হলে তাই ঘন ঘন অসুস্থ হয়ে পড়ার প্রবণতা দেখা দিতে পারে।

কোন কোন খাবারে পাবেন ভিটামিন ডি
কিছু মাছ, মাছের যকৃতের তেল, ডিমের কুসুম, দুগ্ধজাত খাবার এবং কমলার রসে মেলে ভিটামিন ডি। এছাড়া মাশরুম কিংবা ওটসেও পাওয়া যায় ভিটামিনটি।