বুধবার | ৪ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo নোবিপ্রবিতে ছাত্রী হলের নামাজ ঘরকে গণরুমে রূপান্তরের অভিযোগ Logo যমুনা রোড স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল Logo দৈনিক চাঁদপুর খবর পরিবারের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান Logo পলাশবাড়ী মহিলা ডিগ্রী কলেজে অতিরিক্ত  ফি আদায়ের অভিযোগ Logo খুবির সিরাজগঞ্জ এসোসিয়েশনের নতুন নেতৃত্বে মমিন ও সিয়াম। Logo ঝিনাইদহ স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’র নেতৃত্বে রাতুল-তৌকির Logo চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারি ক্লাবের রামাদান খাদ্য সামগ্রী বিতরণ Logo সুন্দরবন-এ বিশেষ অভিযানে জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১ সদস্য আটক, অস্ত্র-গুলিসহ উদ্ধার Logo সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অপু চৌধুরীর কৃতজ্ঞতা Logo সুন্দরবন-এ শুরু হলো গোলপাতা আহরণ মৌসুম

ভারতকে নিয়ে যে কড়া বার্তা দিলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির আবারও কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতকে কড়া বার্তা দিলেন। ইসলামাবাদে সাম্প্রতিক এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‌‌‌‘কাশ্মীর নিয়ে কোনো দিন আপস করবে না পাকিস্তান। এটি শুধু একটি আঞ্চলিক নয়, বরং আন্তর্জাতিক ইস্যু—যা কখনো ভুলে যাওয়া যাবে না।’

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে এআরওয়াই নিউজ। এইদিন রাওয়ালপিন্ডির সেনা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘হিলাল টকস’ নামক একটি আলোচনায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, অধ্যক্ষ ও শিক্ষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

এই তথ্য নিশ্চিত করেছে, পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

আসিম মুনির বলেন, ভারত দীর্ঘদিন ধরে কাশ্মীর ইস্যু ধামাচাপা দিতে চাইলেও ব্যর্থ হয়েছে। আজও এই সংকট আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বহাল রয়েছে।

এসময় তিনি ভারতের অভ্যন্তরীণ সংকট, বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়নের জন্য দেশটির বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে দায়ী করেন। তার ভাষায়, ভারতে সন্ত্রাসবাদের জন্ম হয়েছে বৈষম্য ও অন্যায় থেকেই।

এদিকে বেলুচিস্তানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, ওই অঞ্চলের অস্থিরতা বেলুচ জনগণের কারণে নয়, বরং ভারতের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের কারণে। এসময় তিনি বলেন, বেলুচিস্তানের সন্ত্রাসীরা বেলুচ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে না, তারা ভারতের ছায়া-সংগঠন। রাষ্ট্রবিরোধী কোনো প্রচার পাকিস্তান সহ্য করবে না।

এসময় আসিম মুনির পানি বণ্টন প্রসঙ্গে বলেন, ‘পানি পাকিস্তানের লাল রেখা। ভারতের একচেটিয়া আধিপত্য আমরা মেনে নেব না।’ তিনি আরও দাবি করেন, ২৪ কোটি পাকিস্তানির পানির অধিকার নিয়ে আপসের প্রশ্নই ওঠে না।

উল্লেখ্য, দেশটির আইএসপিআর-এর তথ্যমতে, এই আলোচনায় দেশের নানা প্রান্ত থেকে প্রায় ১৮০০ জন শিক্ষাবিদ, উপাচার্য, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী সরাসরি এবং ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নোবিপ্রবিতে ছাত্রী হলের নামাজ ঘরকে গণরুমে রূপান্তরের অভিযোগ

ভারতকে নিয়ে যে কড়া বার্তা দিলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

আপডেট সময় : ০৪:৪০:১২ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির আবারও কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতকে কড়া বার্তা দিলেন। ইসলামাবাদে সাম্প্রতিক এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‌‌‌‘কাশ্মীর নিয়ে কোনো দিন আপস করবে না পাকিস্তান। এটি শুধু একটি আঞ্চলিক নয়, বরং আন্তর্জাতিক ইস্যু—যা কখনো ভুলে যাওয়া যাবে না।’

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে এআরওয়াই নিউজ। এইদিন রাওয়ালপিন্ডির সেনা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘হিলাল টকস’ নামক একটি আলোচনায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, অধ্যক্ষ ও শিক্ষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

এই তথ্য নিশ্চিত করেছে, পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

আসিম মুনির বলেন, ভারত দীর্ঘদিন ধরে কাশ্মীর ইস্যু ধামাচাপা দিতে চাইলেও ব্যর্থ হয়েছে। আজও এই সংকট আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বহাল রয়েছে।

এসময় তিনি ভারতের অভ্যন্তরীণ সংকট, বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়নের জন্য দেশটির বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে দায়ী করেন। তার ভাষায়, ভারতে সন্ত্রাসবাদের জন্ম হয়েছে বৈষম্য ও অন্যায় থেকেই।

এদিকে বেলুচিস্তানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, ওই অঞ্চলের অস্থিরতা বেলুচ জনগণের কারণে নয়, বরং ভারতের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের কারণে। এসময় তিনি বলেন, বেলুচিস্তানের সন্ত্রাসীরা বেলুচ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে না, তারা ভারতের ছায়া-সংগঠন। রাষ্ট্রবিরোধী কোনো প্রচার পাকিস্তান সহ্য করবে না।

এসময় আসিম মুনির পানি বণ্টন প্রসঙ্গে বলেন, ‘পানি পাকিস্তানের লাল রেখা। ভারতের একচেটিয়া আধিপত্য আমরা মেনে নেব না।’ তিনি আরও দাবি করেন, ২৪ কোটি পাকিস্তানির পানির অধিকার নিয়ে আপসের প্রশ্নই ওঠে না।

উল্লেখ্য, দেশটির আইএসপিআর-এর তথ্যমতে, এই আলোচনায় দেশের নানা প্রান্ত থেকে প্রায় ১৮০০ জন শিক্ষাবিদ, উপাচার্য, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী সরাসরি এবং ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।