1. [email protected] : amzad khan : amzad khan
  2. [email protected] : NilKontho : Anis Khan
  3. [email protected] : Nil Kontho : Nil Kontho
  4. [email protected] : Nilkontho : rahul raj
  5. [email protected] : NilKontho-news :
  6. [email protected] : M D samad : M D samad
  7. [email protected] : NilKontho : shamim islam
  8. [email protected] : Nil Kontho : Nil Kontho
  9. [email protected] : user 2024 : user 2024
  10. [email protected] : Hossin vi : Hossin vi
কোনো কাজ শুরু করলে তা শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাই : মারিয়া কনসেইসাও! | Nilkontho
১৫ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | সোমবার | ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
হোম জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি জেলার খবর আন্তর্জাতিক আইন ও অপরাধ খেলাধুলা বিনোদন স্বাস্থ্য তথ্য ও প্রযুক্তি লাইফষ্টাইল জানা অজানা শিক্ষা ইসলাম
শিরোনাম :
সমালোচনায় কিচ্ছু যায় আসে না, অভ্যস্ত হয়ে গেছি, বললেন প্রধানমন্ত্রী ৩ হাজার বাংলাদেশি কর্মী নেবে ইউরোপের চার দেশ জেলখানায় থাকা আসামিদের বিরাট অংশ মাদকে আসক্ত, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৬ মাসে ১২৯ জনের আত্মহত্যা মালয়েশিয়ায় পার্লারের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, বাংলাদেশিসহ আটক ৫৬ পুরুষ প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করুন সরকারকে শিক্ষার্থীদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম সালমানের হাত ধরে ক্যামেরাবন্দি ঐশ্বরিয়া! অবসরের কথা ভাবছেন না মেসি বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার সিগারেটের মূল্যবৃদ্ধিতে ‘বিগ পুশ’ দরকার: আতিউর রহমান প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নিয়ে কোরআনের আহ্বান কমিউনিটি ক্লিনিক এখন সারাবিশ্বে সমাদৃত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জায়োনিষ্ট বা ইহুদিবাদী শব্দ সংবলিত পোস্ট সরিয়ে ফেলবে মেটা দুপুরের খাবারে সুস্বাদু ডিম-আলুর পাতুরি, যেভাবে রাঁধবেন ‘এখন অস্থির সময় চলছে, সস্তা গান করা সম্ভব না’ মধ্য রাতে পাওয়া তিন শিশুর সন্ধান চায় পুলিশ সিরাজগঞ্জে পানি কমলেও ভেরেছে দুর্ভোগ মেহেরপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে আটক ১ নাফনদী থেকে এক দিনে দুই মরদেহ উদ্ধার

কোনো কাজ শুরু করলে তা শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাই : মারিয়া কনসেইসাও!

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ৪৩ মোট দেখা:

নিউজ ডেস্ক:

অসীম ধৈর্য, মনোবল বা সাহস, কৃচ্ছ্র, বুদ্ধি ইত্যাদির মাধ্যমে যিনি বড় হয়েছেন তিনি হলেন মারিয়া কনসেইসাও। তার পুরো নাম মারিয়া কনসেইসাও ডা: কসতা ফেরেইরা। তিনি বিশ্বে কেবিন ক্রু, দৌড়বিদ, এভারেস্ট জয়ী ইত্যাদি হিসেবেও পরিচিত। পেয়েছেন বর্ষসেরা নারী পুরস্কার। বিশ্ব রেকর্ড ভেঙেছেন ম্যারাথনে। তিনি একজন বড় মাপের সংগঠকও। বিশ্বে তার এতসব বড় বড় পরিচিতি থাকা সত্ত্বেও নিজেকে তিনি অনেক সময় শ্রমিক ও ভিক্ষুক ইত্যাদিও মনে করেন। অথচ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছেন একবার-দু’বার নয়, ছয়বার।
নিজেকে ভিক্ষুক ও শ্রমিক ইত্যাদি ভাবারও কারণ আছে। পর্তুগালের সিন্ট্রা শহরের এডেলেডায় ১৯৬২ সালের ১৩ মার্চ জন্ম নেয়া কনসেইসাওকে দত্তক হিসেবে দেয়া হয় এক পরিচ্ছন্নতা কর্মীর কাছে। নাম মারিয়া ক্রিস্টিনা মেতস। পালক বা দত্তক হিসেবে দেয়ার কারণ কনসেইসাওয়ের মায়ের অসুস্থ হয়ে পড়া। ক্রিস্টিনার ছিল ছয় সন্তান। তাদের সাথে বেশ ভালোভাবে কেটে যায় শৈশব। বলা যেতে পারে, মায়ের ভূমিকা নিয়েছেন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ক্রিস্টিনাও। ক্রিস্টিনা মনে করতেন, যে ছয়জনকে খাওয়াতে পারে, সে সাতজনকেও পারে। এ দিকে কনসেইসার প্রায় ৯ বছর বয়সে মারা যান তার দত্তক মা। তার পরও তার দেখভালের দায়িত্ব ও কর্তব্যে যেন এতটুকু ছেদ পড়েনি। এবার ভরণপোষণের ভার নেন সৎবোন। নানা কারণে ভালো পড়ালেখা করার সুযোগ হয়নি তার। হয়তো জীবনের নানা স্তরে নানা সমস্যায় পড়ার কারণে কনসেইসাও নিজেকে কখনো ভিক্ষুক আবার কখনো শ্রমিক ভেবেছেন।
মারিয়া কনসেইসাও সব সময় মনে করতেন, সৎমা আর সৎবোন যদি আমাকে লালনপালন করে বড় করতে পারে, তবে আমিও দরিদ্র, ছিন্নমূল মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারব। তিনি মনে করতেন, এই শ্রেণীর মানুষের নানা ধরনের সেবা করা যায় দাতব্য প্রতিষ্ঠান খোলার মাধ্যমে। এ জন্য শুধু নিজ দেশের ভেতর নয়, আরো অনেক দেশ ঘুরে সেসব দেশের মানুষের জীবনযাত্রা সম্বন্ধে ধারণা নিতে হয়েছে। অর্থাৎ তার মনের আশা পূরণ হয়। প্রায় ১৩ বছর আগে কনসেইসাও ঢাকায় এসেছিলেন এমিরটেস এয়ারলাইনসের কেবিন ক্রু হিসেবে। এটা ছিল তার যাত্রাবিরতি। সেই সময়ে তিনি ঘুরে দেখেন এ দেশের এতিমখানা, হাসপাতাল ইত্যাদি। একটি হাসপাতালের পরিবেশ, স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি দেখে তার খুবই খারাপ লাগে। তিনি মনে করেন, এখানে যদি কিছু দিন অবস্থান করা যায়, তবে এ সংক্রান্ত আরো অনেক বিষয় জানা যেতে পারে। কিছিুদন পর অবশ্য তার নিউজিল্যান্ডে যাওয়ার কথা ছিল। তিনি সেই ভ্রমণ বাতিল করেন। মনোযোগ দেন অনুদান জোগাড়ের দিকে। নেমে পড়েন মাঠে। তার পাশে এসে দাঁড়ান অনেকেই। ফলে অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই জোগাড় হয়ে গেল প্রচুর খাবার ও পোশাক। তিনি তা নিয়ে চলে যান উল্লিখিত হাসপাতালটিতে। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা নিতে পারবে না জানায়। তাতে তার মনে তেমন কষ্ট হয়নি। কারণ জোগাড় করা সামগ্রী নিয়ে হাজির হন এতিমখানা, বস্তি ইত্যাদি দরিদ্র এলাকায়। তিনি উপলব্ধি করেন, এখানকার মানুষের দিন কাটে খেয়ে না খেয়ে। অথচ তাদের মধ্যে লুকিয়ে আছে সম্ভাবনা ও প্রতিভা। তিনি বলেন, সব সম্ভাবনা যে করেই হোক, কাজে লাগাতে হবে। আর তা হলেই আমাদের মিশন সফল হবে। সে জন্য অনুদান সংগ্রহ করতে থাকেন দুবাই থেকে। এগিয়ে আসে এমিরেটস এয়ারলাইনসও। আর এতে সাধারণ মানুষ তো রয়েছেই। ফলে এ ব্যাপারে তাকে আর পিছে তাকাতে হয়নি। সার্বিক প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় ‘ঢাকা প্রজেক্ট’ নামে একটি ফাউন্ডেশনের যাত্রা শুরু হয় ২০০৫ সালের দিকে। পরবর্তীকালে এর নাম পাল্টে রাখা হয় মারিয়া ক্রিস্টিনা ফাউন্ডেশন (যে ক্রিস্টিনার কাছে তিনি দত্তক যান)। ঢাকার দক্ষিণখানে একের পর এক গড়ে তোলা হয় বিদ্যালয়, ক্লিনিক, দোকান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ইত্যাদি। অল্প কয়েক দিনের মধ্যে ছাত্রছাত্রীও হয়ে যায় চেখে পড়ার মতো। এখন ভালো ফলাফলও করছে তারা। পড়ানো হয় ব্যাচ সিস্টেমে। পুরনো শিক্ষার্থীরা পড়ছে দেশ-বিদেশের নানা নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে, যা না দেখলে বিশ্বাস হওয়ার কথা নয়। এক সময়ের সুবিধাবঞ্চিতরা এখন বুঝতে পারছে শিক্ষার গুরুত্ব। তাদের সন্তানেরাও যেতে চায় বিদ্যালয়ে। আছে বয়স্কদের জন্যও শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ। অনেকে ইংরেজি শিখছেন। ভালো ফল পাচ্ছেন। তারা পাচ্ছেন দৈনন্দিন কাজের নানামুখী প্রশিক্ষণ। অনেকে নানা কাজে দুবাই গিয়ে ভালো ফলাফল দেখিয়েছেন। মারিয়া কনসেইসাও বলেছেন, ‘আমি কল্পনাও করতে পারিনি যে, এক সময়ে বড় পরিবর্তন আনবে আমার নেয়া ছোট উদ্যোগ। যারা কাজের ক্ষেত্রে আমার পাশে আছেন, তাদেরও অবদান আছে এসবে। কখনো কোনো কাজ শুরু করলে তা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি প্রচেষ্টা চালিয়ে যাই। যেমন অনেক বছর আগে আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, বাংলাদেশের কিছু দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াব। আর ভালো কিছু করতে হলে তার পেছনে দায়বদ্ধতা আছে কি না তা ভাবলেও চলবে না বলে আমি মনে করি।’
কিছু দিন আগেও তিনি ঢাকায় এসে ফিরে যান সংযুক্ত আরব আমিরাতে। তিনি মনে করেন, যদিও পর্তুগিজ তার (কনসেইসাওর) জন্মভূমি, তবুও বাংলাদেশও তার কাছে এর চেয়ে কোনো অংশে কম নয়।
খেলাসহ নানা কারণে বিভিন্ন দেশে গেলে সেখানেও আমার তহবিল সংগ্রহের কাজ চলে।’ বাংলাদেশের পথশিশুদের অর্থ বা তহবিল সংগ্রহ করতে মারিয়া কনসেইসাও সাত মহাদেশে ম্যারাথনে অংশ নেন। অর্থাৎ যেখানেই গিয়েছেন, সেখানেই তহবিল সংগ্রহের প্রচেষ্টা চালিয়েছেন।

এই পোস্ট শেয়ার করুন:

এই বিভাগের আরো খবর

নামাযের সময়

সেহরির শেষ সময় - ভোর ৩:৫৮
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা ৬:৫৯
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:০৩
  • ১২:১৪
  • ৪:৪৯
  • ৬:৫৯
  • ৮:২৩
  • ৫:২৫

বিগত মাসের খবরগুলি

শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১