বাতিল হলো বিদ্যুৎ-জ্বালানির বিশেষ বিধান আইন

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০২:৩২:০৯ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৪
  • ৭২৬ বার পড়া হয়েছে

‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০’ বাতিল করা হয়েছে। উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদনের পর গত বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতি এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারি করেন।

এর আগে, গত ২০ নভেম্বর উপদেষ্টা পরিষদ ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ জারির প্রস্তাব নীতিগত ও চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেয়। তবে আইনটি বাতিল হলেও এর অধীনে সম্পাদিত বিদ্যুৎ উৎপাদন চুক্তিগুলো বহাল থাকবে।

২০১০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রণীত এই আইনটির অধীনে বিভিন্ন কার্যক্রমে অর্থ লুটপাট ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। আইনটির ধারা-৬ অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন চুক্তি নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানানো হয়, এ আইনটি বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার প্রতীক হয়ে উঠেছিল, যা জনমনে বিরূপ ধারণা সৃষ্টি করেছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এসে আইনটি স্থগিত করে। পরে, গত ১৪ নভেম্বর হাইকোর্ট আইনটির ধারা-৬(২) ও ধারা-৯ অবৈধ ঘোষণা করেন। এর প্রেক্ষিতেই আইনটি রহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

আইনের বাতিল হওয়া সত্ত্বেও এর অধীনে হওয়া চুক্তিগুলো বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা আইনি এবং প্রশাসনিকভাবে পরবর্তী সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাতিল হলো বিদ্যুৎ-জ্বালানির বিশেষ বিধান আইন

আপডেট সময় : ০২:৩২:০৯ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৪

‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০’ বাতিল করা হয়েছে। উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদনের পর গত বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতি এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারি করেন।

এর আগে, গত ২০ নভেম্বর উপদেষ্টা পরিষদ ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ জারির প্রস্তাব নীতিগত ও চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেয়। তবে আইনটি বাতিল হলেও এর অধীনে সম্পাদিত বিদ্যুৎ উৎপাদন চুক্তিগুলো বহাল থাকবে।

২০১০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রণীত এই আইনটির অধীনে বিভিন্ন কার্যক্রমে অর্থ লুটপাট ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। আইনটির ধারা-৬ অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন চুক্তি নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানানো হয়, এ আইনটি বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার প্রতীক হয়ে উঠেছিল, যা জনমনে বিরূপ ধারণা সৃষ্টি করেছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এসে আইনটি স্থগিত করে। পরে, গত ১৪ নভেম্বর হাইকোর্ট আইনটির ধারা-৬(২) ও ধারা-৯ অবৈধ ঘোষণা করেন। এর প্রেক্ষিতেই আইনটি রহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

আইনের বাতিল হওয়া সত্ত্বেও এর অধীনে হওয়া চুক্তিগুলো বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা আইনি এবং প্রশাসনিকভাবে পরবর্তী সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।