বৃহস্পতিবার | ৫ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo নোবিপ্রবিতে ছাত্রী হলের নামাজ ঘরকে গণরুমে রূপান্তরের অভিযোগ Logo যমুনা রোড স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল Logo দৈনিক চাঁদপুর খবর পরিবারের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান Logo পলাশবাড়ী মহিলা ডিগ্রী কলেজে অতিরিক্ত  ফি আদায়ের অভিযোগ Logo খুবির সিরাজগঞ্জ এসোসিয়েশনের নতুন নেতৃত্বে মমিন ও সিয়াম। Logo ঝিনাইদহ স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’র নেতৃত্বে রাতুল-তৌকির Logo চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারি ক্লাবের রামাদান খাদ্য সামগ্রী বিতরণ Logo সুন্দরবন-এ বিশেষ অভিযানে জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১ সদস্য আটক, অস্ত্র-গুলিসহ উদ্ধার Logo সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অপু চৌধুরীর কৃতজ্ঞতা Logo সুন্দরবন-এ শুরু হলো গোলপাতা আহরণ মৌসুম

ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে জবি শিবির সেক্রেটারিকে মারতে আসলেন সোহরাওয়ার্দী ছাত্রদল

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১০:১১:৫৪ অপরাহ্ণ, শনিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২৫
  • ৮২১ বার পড়া হয়েছে

জবি প্রতিনিধি,

সূত্রাপুর থানায় সভা চলাকালীন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারিকে( রিয়াজুল ইসলাম) ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে হট্টগোল সৃষ্টি করেছেন সোহরাওয়ার্দী কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জসিম উদ্দিন। পরবর্তীতে নিজের ভুল বুঝতে পেরে শাখা শিবির সেক্রেটারির নিকট ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। শনিবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সূত্রাপুর থানায় আয়োজিত এক নাগরিক সভা চলাকালীন এই ঘটনা ঘটে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সূত্রাপুর থানা পুলিশের আহ্বানে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে সভা চলছিল। সভা চলাকালীন উপস্থিত জবি শিবির সেক্রেটারি রিয়াজুল ইসলামকে জেরা করতে থাকেন সোহরাওয়ার্দী কলেজে শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জসিম উদ্দিন। এ সময় সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা চেয়ার ভাঙচুর করতে থাকেন ও মারতে তেড়ে আসেন। পরে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে জবি শাখা শিবির সেক্রেটারিকে রিয়াজুল ইসলামকে সরিয়ে ওসির কক্ষে নিয়ে আসেন।

এ জবি শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, আমার সঙ্গে জবি ছাত্রলীগের সভাপতি-সেক্রেটারির একটা ছবি দেখিয়ে তারা তেড়ে আসে। ছবিটা আমি যখন জবি আবৃত্তি সংসদের সেক্রেটারি ছিলাম তখনকার। আমি জীবনে ছাত্রলীগ করিনি। কোনো মিছিল, মিটিং, শো-ডাউন কিছুই করিনি। কিন্ত তারা একটা ছবি দেখিয়ে কোনো কিছু যাচাই-বাছাই না করে তারা হঠাৎ এগ্রেসিভ হয় তিনজন মিলে হামলা করার জন্য আগায়ে আসে। পেছনে তাদের লোকজন চেয়ার ছোড়াছুড়ি করতে থাকে। পুলিশের একটা টিম আমাকে ব্যারিকেড দিয়ে আটকে রাখে যেন আমার উপর হামলা না করে।

তিনি আরো বলেন, আমার সঙ্গে স্থানীয় একজন মুরুব্বি ছিলো, তাকেও মারতে আসে। পুলিশও বলছিলো যে, তারা আশঙ্কা করছিল মুরুব্বির উপরও হামলা করতে পারে। এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে। তারা আমাকে চেনে। তারা জবি ছাত্রদলের সাথে যোগাযোগ না করে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।

এ ঘটনা উদ্দেশ্য প্রণোদিত কিনা জানতে চাইলে জবি শিবির সেক্রেটারি রিয়াজুল বলেন, আমাদের ক্যাম্পাসে সবার সাথে আমরা বন্ধুভাবাপন্ন আছি। হঠাৎ করে বাইরের কেউ থেকে এসে ঝামেলা করছে।

উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে। তবে আমরা ঐদিকে যাবো না। আমরা ভুল বোঝাবুঝি হিসেবে নেবো। এটাকেকেন্দ্র করে কোনো স্থিতিশীল না হয় তার আহ্বান জানাচ্ছি।
সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, আমি বিষয়টি বুঝতে পারিনি। পূর্বের একটি ছবিকে কেন্দ্র করে ভুল বোঝাবুঝি হয়ে গেছে। এটার জন্য আমি দুঃখিত।

সূত্রাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, সভা চলাকালীন শাখা শিবিরের সেক্রেটারির একটি ছবিকে কেন্দ্র করে সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হট্টগোল সৃষ্টি করে। বিশৃঙ্খলা এড়াতে তাৎক্ষণিক আমরা শিবিরিরে সেক্রেটারিকে ব্যারিকেড দিয়ে আমার কক্ষে নিয়ে আসি। ছাত্রদল সভাপতি জসিম উদ্দিন নিজের ভুল বুঝতে পারায় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহায়তায় বিষয়টি মিমাংসা করা হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নোবিপ্রবিতে ছাত্রী হলের নামাজ ঘরকে গণরুমে রূপান্তরের অভিযোগ

ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে জবি শিবির সেক্রেটারিকে মারতে আসলেন সোহরাওয়ার্দী ছাত্রদল

আপডেট সময় : ১০:১১:৫৪ অপরাহ্ণ, শনিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২৫

জবি প্রতিনিধি,

সূত্রাপুর থানায় সভা চলাকালীন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারিকে( রিয়াজুল ইসলাম) ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে হট্টগোল সৃষ্টি করেছেন সোহরাওয়ার্দী কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জসিম উদ্দিন। পরবর্তীতে নিজের ভুল বুঝতে পেরে শাখা শিবির সেক্রেটারির নিকট ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। শনিবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সূত্রাপুর থানায় আয়োজিত এক নাগরিক সভা চলাকালীন এই ঘটনা ঘটে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সূত্রাপুর থানা পুলিশের আহ্বানে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে সভা চলছিল। সভা চলাকালীন উপস্থিত জবি শিবির সেক্রেটারি রিয়াজুল ইসলামকে জেরা করতে থাকেন সোহরাওয়ার্দী কলেজে শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জসিম উদ্দিন। এ সময় সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা চেয়ার ভাঙচুর করতে থাকেন ও মারতে তেড়ে আসেন। পরে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে জবি শাখা শিবির সেক্রেটারিকে রিয়াজুল ইসলামকে সরিয়ে ওসির কক্ষে নিয়ে আসেন।

এ জবি শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, আমার সঙ্গে জবি ছাত্রলীগের সভাপতি-সেক্রেটারির একটা ছবি দেখিয়ে তারা তেড়ে আসে। ছবিটা আমি যখন জবি আবৃত্তি সংসদের সেক্রেটারি ছিলাম তখনকার। আমি জীবনে ছাত্রলীগ করিনি। কোনো মিছিল, মিটিং, শো-ডাউন কিছুই করিনি। কিন্ত তারা একটা ছবি দেখিয়ে কোনো কিছু যাচাই-বাছাই না করে তারা হঠাৎ এগ্রেসিভ হয় তিনজন মিলে হামলা করার জন্য আগায়ে আসে। পেছনে তাদের লোকজন চেয়ার ছোড়াছুড়ি করতে থাকে। পুলিশের একটা টিম আমাকে ব্যারিকেড দিয়ে আটকে রাখে যেন আমার উপর হামলা না করে।

তিনি আরো বলেন, আমার সঙ্গে স্থানীয় একজন মুরুব্বি ছিলো, তাকেও মারতে আসে। পুলিশও বলছিলো যে, তারা আশঙ্কা করছিল মুরুব্বির উপরও হামলা করতে পারে। এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে। তারা আমাকে চেনে। তারা জবি ছাত্রদলের সাথে যোগাযোগ না করে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।

এ ঘটনা উদ্দেশ্য প্রণোদিত কিনা জানতে চাইলে জবি শিবির সেক্রেটারি রিয়াজুল বলেন, আমাদের ক্যাম্পাসে সবার সাথে আমরা বন্ধুভাবাপন্ন আছি। হঠাৎ করে বাইরের কেউ থেকে এসে ঝামেলা করছে।

উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে। তবে আমরা ঐদিকে যাবো না। আমরা ভুল বোঝাবুঝি হিসেবে নেবো। এটাকেকেন্দ্র করে কোনো স্থিতিশীল না হয় তার আহ্বান জানাচ্ছি।
সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, আমি বিষয়টি বুঝতে পারিনি। পূর্বের একটি ছবিকে কেন্দ্র করে ভুল বোঝাবুঝি হয়ে গেছে। এটার জন্য আমি দুঃখিত।

সূত্রাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, সভা চলাকালীন শাখা শিবিরের সেক্রেটারির একটি ছবিকে কেন্দ্র করে সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হট্টগোল সৃষ্টি করে। বিশৃঙ্খলা এড়াতে তাৎক্ষণিক আমরা শিবিরিরে সেক্রেটারিকে ব্যারিকেড দিয়ে আমার কক্ষে নিয়ে আসি। ছাত্রদল সভাপতি জসিম উদ্দিন নিজের ভুল বুঝতে পারায় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহায়তায় বিষয়টি মিমাংসা করা হয়।