• নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৬:০৯ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৭২৬ বার পড়া হয়েছে

আমিনুর রহমান নয়ন (চুয়াডাঙ্গায়)

চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে ৮৩ বোতল ভারতীয় ব্ল্যাক হান্ট মদ ও ৩৬ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুই যুবক হয়েছেন। সোমবার (২রা ডিসেম্বর ২০২৪) সকালে দর্শনা হঠাৎপাড়া এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হলেন- দর্শনা হঠাৎপাড়ার আব্দুল মালেকের ছেলে জুবায়ের (৩০) এবং আনোয়ারপুর হঠাৎপাড়ার খোরশেদ আলমের ছেলে শিপন ইসলাম (২১)।

চুয়াডাঙ্গা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও সেনাবাহিনী দর্শনা থানার হঠাৎপাড়ায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় ৮৩ বোতল ভারতীয় ব্ল্যাক হান্ট মদ ও ৩৬ বোতল ফেন্সিডিলসহ চিহ্নিত দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।

অভিযানকালে চুয়াডাঙ্গা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক নাজমুল হোসেন খানের নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় ১২ জন স্টাফ এবং ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের লেফটেন্যান্ট আবিদ আহমেদের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর ১৬ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

এ ঘটনায় চুয়াডাঙ্গা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক নাজমুল হোসেন খান বাদী হয়ে আটক দুই যুবকের বিরুদ্ধে দর্শনা থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

আপডেট সময় : ০৩:৪৬:০৯ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৪

আমিনুর রহমান নয়ন (চুয়াডাঙ্গায়)

চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে ৮৩ বোতল ভারতীয় ব্ল্যাক হান্ট মদ ও ৩৬ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুই যুবক হয়েছেন। সোমবার (২রা ডিসেম্বর ২০২৪) সকালে দর্শনা হঠাৎপাড়া এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হলেন- দর্শনা হঠাৎপাড়ার আব্দুল মালেকের ছেলে জুবায়ের (৩০) এবং আনোয়ারপুর হঠাৎপাড়ার খোরশেদ আলমের ছেলে শিপন ইসলাম (২১)।

চুয়াডাঙ্গা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও সেনাবাহিনী দর্শনা থানার হঠাৎপাড়ায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় ৮৩ বোতল ভারতীয় ব্ল্যাক হান্ট মদ ও ৩৬ বোতল ফেন্সিডিলসহ চিহ্নিত দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।

অভিযানকালে চুয়াডাঙ্গা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক নাজমুল হোসেন খানের নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় ১২ জন স্টাফ এবং ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের লেফটেন্যান্ট আবিদ আহমেদের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর ১৬ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

এ ঘটনায় চুয়াডাঙ্গা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক নাজমুল হোসেন খান বাদী হয়ে আটক দুই যুবকের বিরুদ্ধে দর্শনা থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।