পলাশবাড়ীতে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নিতির অভিযোগ।

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৬:২৯:২৪ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৪
  • ৭২৫ বার পড়া হয়েছে

বায়েজীদ পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা)  :

গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা (বিএস) খাইরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সার ও বিজ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

খাইরুল ইসলাম উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর ও হোসেনপুর ব্লক এর উপসহকারী কর্মকর্তা।
গত ২২ এপ্রিল সোমবার দুপুর ১২ টার সময় একই পরিবারের ৫জন ব্যাক্তির আইডি কার্ড ব্যবহার করে ৫টি নামে ৫কেজি করে ২৫কেজি বর্ষালি ধানের বিজ ও ৫টি নামে ১০কেজি ডেপ ১০কেজি পটার্স (এমওপি) ১০০কেজি সার উত্তলন করেন এবং উত্তলন কৃত সার ও বিজ বেঙুলিয়া হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক মোঃ রতন মিয়ার যোগসাজশে বড়ো শিমুলতলা রোডস্থ একটি দোকানে বিক্রির সময় সাংবাদিকের নজরে আসে।
বেঙুলিয়া হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক রতন মিয়া বলেন,আমি বাহক মাত্র এখানে আমার কিছুই নেই। খাইরুল ইসলাম বিএস এর বাড়ি আমার বাড়ি পাশাপাশি হওয়ায় তিনি মাঝে মধ্যে আমার মাধ্যমে এভাবে সার ও বিজ বিক্রি করেন। তিনি আরও বলেন কাশিয়াবাড়ী রোডস্থ একটি দোকানে বিজ গুলো বিএস আমাকে রাখতে বলেছে আর সার ২বস্তা ১হাজার ৭’শত টাকায় বড়ো শিমুলতলা রোডস্থ দোকানে বিক্রি করতে বলেছে।
এবিষয়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা (বিএস) খাইরুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি এখন এ বিষয়ে কিছু বলতে পারবো না।
আমার স্যার ঢাকা ট্রেনিংএ আছে তিনি আসলে তার সাথে কথা বলে তার পর এ বিষয়ে কথা হবে।
উক্ত বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার ফাতেমা কাওসার মিশু’র সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, আমার এবিষয়ে কিছু জানা নেই তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পলাশবাড়ীতে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নিতির অভিযোগ।

আপডেট সময় : ০৬:২৯:২৪ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৪

বায়েজীদ পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা)  :

গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা (বিএস) খাইরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সার ও বিজ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

খাইরুল ইসলাম উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর ও হোসেনপুর ব্লক এর উপসহকারী কর্মকর্তা।
গত ২২ এপ্রিল সোমবার দুপুর ১২ টার সময় একই পরিবারের ৫জন ব্যাক্তির আইডি কার্ড ব্যবহার করে ৫টি নামে ৫কেজি করে ২৫কেজি বর্ষালি ধানের বিজ ও ৫টি নামে ১০কেজি ডেপ ১০কেজি পটার্স (এমওপি) ১০০কেজি সার উত্তলন করেন এবং উত্তলন কৃত সার ও বিজ বেঙুলিয়া হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক মোঃ রতন মিয়ার যোগসাজশে বড়ো শিমুলতলা রোডস্থ একটি দোকানে বিক্রির সময় সাংবাদিকের নজরে আসে।
বেঙুলিয়া হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক রতন মিয়া বলেন,আমি বাহক মাত্র এখানে আমার কিছুই নেই। খাইরুল ইসলাম বিএস এর বাড়ি আমার বাড়ি পাশাপাশি হওয়ায় তিনি মাঝে মধ্যে আমার মাধ্যমে এভাবে সার ও বিজ বিক্রি করেন। তিনি আরও বলেন কাশিয়াবাড়ী রোডস্থ একটি দোকানে বিজ গুলো বিএস আমাকে রাখতে বলেছে আর সার ২বস্তা ১হাজার ৭’শত টাকায় বড়ো শিমুলতলা রোডস্থ দোকানে বিক্রি করতে বলেছে।
এবিষয়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা (বিএস) খাইরুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি এখন এ বিষয়ে কিছু বলতে পারবো না।
আমার স্যার ঢাকা ট্রেনিংএ আছে তিনি আসলে তার সাথে কথা বলে তার পর এ বিষয়ে কথা হবে।
উক্ত বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার ফাতেমা কাওসার মিশু’র সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, আমার এবিষয়ে কিছু জানা নেই তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।