শনিবার | ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo আমরা বিএনপি পরিবার’উদ্যোগে সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তা Logo সাংবাদিকদের ‘পোষা কুকুর’ মন্তব্যে তোলপাড়, তোপের মুখে বক্তব্য প্রত্যাহার ড. বদিউল আলমের Logo জীবননগরে কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বিতরণ Logo জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান Logo বাঁচতে চায় ক্যান্সারে আক্রান্ত খুবির সাবেক শিক্ষার্থী মুজাহিদ Logo জোট-মহাজোটের বাইরে ইসলামের একক শক্তি হাতপাখা -হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান Logo চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাহাপুর গ্রামে নবনির্মিত একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা চলছে, উপস্থিত রয়েছেন তারেক রহমান Logo চাঁদপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক যৌথ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নোয়াখালী মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষসহ ২ বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৪:৪৭ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৯ অক্টোবর ২০২৪
  • ৭৫৯ বার পড়া হয়েছে

৮ কোটি ৫৯ লক্ষ ১৭ হাজার ৭৯২ টাকা জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে নোয়াখালীর আব্দুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. মো. আব্দুছ ছালাম ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্ঝরা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আফসানা ইসলাম কাকলীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে নোয়াখালী দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (৯ অক্টোবর) নোয়াখালী জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক মো. ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে বিজ্ঞ সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।

দুদকের মামলায় দেখানো হয়, নোয়াখালী আব্দুল মালেক মেডিকেল কলেজের ২০১৫-১৬ অর্থ বছর থেকে ২০১৭-১৮ অর্থ বছর পর্যন্ত টেন্ডার প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে বিল পরিশোধ পর্যন্ত প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে নোয়াখালীর সিলিং ডেকোরেশন কাজে ৮ আট কোটি ৫৯ লাখ ১৭ হাজার ৭৯২ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যায়।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে সিলিং ডেকোরেশনের কাজের জন্য প্রতি বর্গফুট ধরা হয় ৬ হাজার ২০০ টাকা যার সরকারি গণপূর্ত বিভাগের দর অনুযায়ী প্রতি বর্গফুট ২১৪ দশমিক ৪৮ টাকা এতে সিলিং ডেকোরেশনের কাজে প্রতি বর্গফুটে সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয় ৫ হাজার ৯৫০ টাকা। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করে অধ্যক্ষ ডা. মো. আব্দুছ ছালাম এবং ঠিকাদার আফসানা ইসলাম কাকলী পরস্পর যোগসাজশে জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৮ কোটি ৫৯ লাখ ১৭ হাজার ৭৯২ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।। বৃহত্তর নোয়াখালী দুদকের পিপি এডভোকেট নুর হোসেন মাসুদ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এ বিষয়ে নোয়াখালী দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক ফারুক আহমেদ সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অর্থ আত্মসাৎ অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। অধ্যক্ষ ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

নোয়াখালী মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষসহ ২ বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আপডেট সময় : ০৮:৫৪:৪৭ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৯ অক্টোবর ২০২৪

৮ কোটি ৫৯ লক্ষ ১৭ হাজার ৭৯২ টাকা জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে নোয়াখালীর আব্দুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. মো. আব্দুছ ছালাম ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্ঝরা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আফসানা ইসলাম কাকলীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে নোয়াখালী দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (৯ অক্টোবর) নোয়াখালী জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক মো. ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে বিজ্ঞ সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।

দুদকের মামলায় দেখানো হয়, নোয়াখালী আব্দুল মালেক মেডিকেল কলেজের ২০১৫-১৬ অর্থ বছর থেকে ২০১৭-১৮ অর্থ বছর পর্যন্ত টেন্ডার প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে বিল পরিশোধ পর্যন্ত প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে নোয়াখালীর সিলিং ডেকোরেশন কাজে ৮ আট কোটি ৫৯ লাখ ১৭ হাজার ৭৯২ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যায়।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে সিলিং ডেকোরেশনের কাজের জন্য প্রতি বর্গফুট ধরা হয় ৬ হাজার ২০০ টাকা যার সরকারি গণপূর্ত বিভাগের দর অনুযায়ী প্রতি বর্গফুট ২১৪ দশমিক ৪৮ টাকা এতে সিলিং ডেকোরেশনের কাজে প্রতি বর্গফুটে সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয় ৫ হাজার ৯৫০ টাকা। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করে অধ্যক্ষ ডা. মো. আব্দুছ ছালাম এবং ঠিকাদার আফসানা ইসলাম কাকলী পরস্পর যোগসাজশে জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৮ কোটি ৫৯ লাখ ১৭ হাজার ৭৯২ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।। বৃহত্তর নোয়াখালী দুদকের পিপি এডভোকেট নুর হোসেন মাসুদ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এ বিষয়ে নোয়াখালী দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক ফারুক আহমেদ সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অর্থ আত্মসাৎ অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। অধ্যক্ষ ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।