রবিবার | ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo আমরা বিএনপি পরিবার’উদ্যোগে সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তা Logo সাংবাদিকদের ‘পোষা কুকুর’ মন্তব্যে তোলপাড়, তোপের মুখে বক্তব্য প্রত্যাহার ড. বদিউল আলমের Logo জীবননগরে কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বিতরণ Logo জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে : আদিলুর রহমান খান Logo বাঁচতে চায় ক্যান্সারে আক্রান্ত খুবির সাবেক শিক্ষার্থী মুজাহিদ Logo জোট-মহাজোটের বাইরে ইসলামের একক শক্তি হাতপাখা -হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান Logo চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাহাপুর গ্রামে নবনির্মিত একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। Logo খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা চলছে, উপস্থিত রয়েছেন তারেক রহমান Logo চাঁদপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক যৌথ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রাজধানীর থানায় থানায় আগুন, হামলা-ভাঙচুর

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৫:০৮ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৬ আগস্ট ২০২৪
  • ৮০৭ বার পড়া হয়েছে

শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর আন্দোলনকারী লাখো ছাত্র-জনতার আক্রোশের শিকার হয়েছে রাজধানীর বেশ কয়েকটি থানা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অবরোধের পর হামলা ভাঙচুর এবং আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে থানা ভবন। জনরোশে পড়ার করুণ মুহুর্তেও আটকে পড়া পুলিশ সদস্যদের উদ্ধারে এগিয়ে আসেনি পুলিশ সদর দফতর বা অন্য কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তার আগে আটকে পড়া পুলিশের এলোপাতারি গুলিতে আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ।

সোমবার দুপুরে সাধারণ ছাত্রজনতাকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে সেনা সদস্যরা কনভয় নিয়ে যাত্রাবাড়ী ছেড়ে দেয়ার পরই বিক্ষুব্ধ জনতা চারদিক থেকে এগিয়ে আসে চৌরাস্তার হানিফ ফ্লাইওভারের নিচে। তখন থেকেই মোড়ের যাত্রাবাড়ী থানা ভবন ঘিরে ফেলার চেষ্টা শুরু হয় বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতার। পাল্টা প্রতিরোধের চেষ্টা করে পুলিশ। কিছুক্ষণ পর পর মুহুর্মুহ গুলি, টিয়ার গ্যাস আর সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়া হয় জনতাকে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন অর্ধশতাধিক মানুষ।

বেলা ৩ টার দিকে পুলিশের একটি কনভয় এসে ছত্রভঙ্গ করে দেয়ার চেষ্টা করে জনতাকে। তারপরও থানা ভবন ও ব্যারাকে আটকা পড়েন অনেক সদস্য। টানা দুই ঘণ্টা এলোপাতারি গুলি ছুড়েও ব্যর্থ হন তারা। এক সময় থানা কম্পপাউন্ডের দেয়াল ও গেট ভেঙ্গে ঢুকে পড়েন বিক্ষুব্ধরা। ভাঙচুরের পর দেয়া হয় আগুন। ভেতরে টিকতে না পেরে বেরিয়ে আসা পুলিশ সদস্যরা আক্রোশে পড়েন বিক্ষুব্ধ জনতার। লুট করা অস্ত্র নিয়ে উল্লাস করতে দেখা যায় অনেককে।

বিকেল ৫টার দিকে বাড্ডা, খিলক্ষেত, ভাটারা থানাও চতুর্দিক থেকে আন্দোলনকারীরা ঘিরে রাখে। থানায় আটকে পড়েন পুলিশ সদস্যরা। আন্দোলনকারীরাও বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিয়ে ইটপাটকেল ছুড়ছেন। পরে আগুন দেয়া হয় থানায়। লুট করে নেয়া হয় অস্ত্রও।

প্রায় একইভাবে পল্টন থানা ঘেরাও করে হামলা চালায় বিক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা। পাল্টা প্রতিরোধ করেও টিকতে পারেনি ভেতরে থাকা পুলিশ সদস্যরা। সন্ধায় হামলার শিকার হয় উত্তরা পূর্ব থানা। হামলা ভাঙচুর ও আগুন দিয়ে ক্ষোভ জানায় জনতা। উত্তেজিত জনতার আক্রোশে পড়েছে মিরপুর মডেল থানাসহ আরও কয়েকটি থানা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা ‘প্রসেস’এর ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

রাজধানীর থানায় থানায় আগুন, হামলা-ভাঙচুর

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:০৮ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৬ আগস্ট ২০২৪

শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর আন্দোলনকারী লাখো ছাত্র-জনতার আক্রোশের শিকার হয়েছে রাজধানীর বেশ কয়েকটি থানা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অবরোধের পর হামলা ভাঙচুর এবং আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে থানা ভবন। জনরোশে পড়ার করুণ মুহুর্তেও আটকে পড়া পুলিশ সদস্যদের উদ্ধারে এগিয়ে আসেনি পুলিশ সদর দফতর বা অন্য কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তার আগে আটকে পড়া পুলিশের এলোপাতারি গুলিতে আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ।

সোমবার দুপুরে সাধারণ ছাত্রজনতাকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে সেনা সদস্যরা কনভয় নিয়ে যাত্রাবাড়ী ছেড়ে দেয়ার পরই বিক্ষুব্ধ জনতা চারদিক থেকে এগিয়ে আসে চৌরাস্তার হানিফ ফ্লাইওভারের নিচে। তখন থেকেই মোড়ের যাত্রাবাড়ী থানা ভবন ঘিরে ফেলার চেষ্টা শুরু হয় বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতার। পাল্টা প্রতিরোধের চেষ্টা করে পুলিশ। কিছুক্ষণ পর পর মুহুর্মুহ গুলি, টিয়ার গ্যাস আর সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়া হয় জনতাকে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন অর্ধশতাধিক মানুষ।

বেলা ৩ টার দিকে পুলিশের একটি কনভয় এসে ছত্রভঙ্গ করে দেয়ার চেষ্টা করে জনতাকে। তারপরও থানা ভবন ও ব্যারাকে আটকা পড়েন অনেক সদস্য। টানা দুই ঘণ্টা এলোপাতারি গুলি ছুড়েও ব্যর্থ হন তারা। এক সময় থানা কম্পপাউন্ডের দেয়াল ও গেট ভেঙ্গে ঢুকে পড়েন বিক্ষুব্ধরা। ভাঙচুরের পর দেয়া হয় আগুন। ভেতরে টিকতে না পেরে বেরিয়ে আসা পুলিশ সদস্যরা আক্রোশে পড়েন বিক্ষুব্ধ জনতার। লুট করা অস্ত্র নিয়ে উল্লাস করতে দেখা যায় অনেককে।

বিকেল ৫টার দিকে বাড্ডা, খিলক্ষেত, ভাটারা থানাও চতুর্দিক থেকে আন্দোলনকারীরা ঘিরে রাখে। থানায় আটকে পড়েন পুলিশ সদস্যরা। আন্দোলনকারীরাও বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিয়ে ইটপাটকেল ছুড়ছেন। পরে আগুন দেয়া হয় থানায়। লুট করে নেয়া হয় অস্ত্রও।

প্রায় একইভাবে পল্টন থানা ঘেরাও করে হামলা চালায় বিক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা। পাল্টা প্রতিরোধ করেও টিকতে পারেনি ভেতরে থাকা পুলিশ সদস্যরা। সন্ধায় হামলার শিকার হয় উত্তরা পূর্ব থানা। হামলা ভাঙচুর ও আগুন দিয়ে ক্ষোভ জানায় জনতা। উত্তেজিত জনতার আক্রোশে পড়েছে মিরপুর মডেল থানাসহ আরও কয়েকটি থানা।